রসায়ন
জীব-বিজ্ঞান

কোষের একটি অঙ্গানু যা শুধু উদ্ভিদ কোষে পাওয়া যায়  এবং খাদ্য তৈরি করে। কোষের অপর একটি অঙ্গানু যা উদ্ভিদ ও প্রানীকোষে পাওয়া যায় এবনং শক্তি উৎপন্ন করে।

মারগুলিস সুপার কিংডমকে কতো কিংডম এ ভাগ করেছেন

 মারগুলিস ১৯৭৪ সালে জীব জগতের শ্রেনীবিন্যাসের পরিবর্তিত ও বিস্তারিত রুপ দেন। তিনি সকল জীব জগতকে ২টি সুপার কিংডমে ভাগ করে এবং ৫টি রাজ্যকে এর আওতাভুক্ত করেন। 

স্যাটেলাইট কী?

কোনো কোনো ক্রোমোজমের এক বাহুর প্রান্তে ক্রোমাটিন সূত্র দ্বারা সংযুক্ত প্রায় গোলাকৃতির একটি অংশ দেখা যায়।

উদ্ভিদ শ্রেনীবিন্যাস বলতে কি বুঝায়?

পারিস্পারিক সাদৃশ্য বইসাদৃশ্য এর উপর ভিত্তি করে উদ্ভিত জীব্জগতকে বিভিন্ন দলে বিভক্ত করাকে বলা হয়
উদ্ভিদ শ্রেনীবিন্যাস

লাইসোজোমকে আত্মঘাতী থলিকা বলা হয় কেন?

সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত যে অঙ্গানু হাইড্রোলাইটিক এনজাইমের আধার হিসেবে কাজ করে, তাকে লাইসোজোম  বলে। তীব্র খাদ্যাভাবের সময় এর প্রাচীর ফেটে যায় এবং আবদ্ধকৃত এনজাইম বের হয়ে কোষের অন্য অঙ্গাণুগুলো বিনষ্ট করে দেয়। এই কাজকে বলে স্বগ্রাস বা অটোফ্যাগি।   এভাবে পুরো কোষটিও পরিপাক হয়ে যেতে পারে। একে বলা হয় অটোলাইসিস। এরা জীবদেহের অকেজো  কোষগুলো অটোলাইসিস পদ্ধতিতে ধ্বংস করে বলে লাইসোজোমকে আত্মঘাতী থলিকা বলা হয়।

কোষের একটি অঙ্গানু কোষের যা উদ্ভিদ ও প্রাণী কোষে পাওয়া যায় এবং শক্তি উৎপন্ন করে শক্তি উৎপন্ন করে

উদ্দীপকের প্রথম অঙ্গানুটির গঠন ব্যাখ্যা করো।

উদ্দীপকের প্রথম অঙ্গাণুটি হলো ক্লোরোপ্লাস্ট। ক্লোরোপ্লাস্টের গঠন নিচে দেওয়া হলো—

১। আবরণী : পুরো ক্লোরোপ্লাস্ট দুই স্তরবিশিষ্ট আবরণী দ্বারা আবৃত থাকে।

২। স্ট্রোমা : আবরণী দ্বারা আবৃত্ত পানিগ্রাহী ম্যাট্রিক্স তরলকে স্ট্রোমা বলে। এতে 70S রাইবোজোম, DNA, RNA ইত্যাদি থাকে। এতে শর্করা তৈরির এনজাইমও থাকে।

৩। থাইলাকয়েড ও গ্রানাম :

স্ট্রোমাতে অসংখ্য থলে আকৃতির অংশগুলোকে  থাইলাকয়েড বলে। কতগুলো থাইলাকয়েড একসঙ্গে একটির ওপর আরেকটি সজ্জিত হয়ে স্তূপের মতো থাকে। থাইলাকয়েডের এ স্তূপকে গ্রানাম (বহুবচনে গ্রানা) বলে। প্রতিটি ক্লোরোপ্লাস্টে সাধারণত ৪০ থেকে ৬০টি গ্রানা থাকে।

৪। স্ট্রোমা ল্যামেলি : দুটি পাশাপাশি গ্রানার কিছুসংখ্যক থাইলাকয়েডস সূক্ষ্ম নালিকা দ্বারা সংযুক্ত থাকে। এই সংযুক্তকারী নালিকাকে স্ট্রোমা ল্যামেলি (একবচন-ল্যামেলাম) বলে। এতে কিছু ক্লোরোফিল থাকে।

৫। ফটোসিনথেটিক ইউনিট ও ATP-Synthases : থাইলাকয়েড মেমব্রেন বহু গোলাকার বস্তু বহন করে। এদের  ATP-synthases বলে। এতে ATP তৈরির সব ধরনের এনজাইম থাকে। মেমব্রেনগুলোতে বহু ফটোসিনথেটিক ইউনিট থাকে। প্রতি ইউনিটে ক্লোরোফিল-এ, ক্লোরোফিল-বি, ক্যারোটিন, জ্যান্থোফিলের প্রায় ৩০০ থেকে ৪০০ অণু থাকে।

৬। DNA ও রাইবোজোম : ক্লোরোপ্লাস্টে তার নিজস্ব বৃত্তাকার DNA ও রাইবোজোম থাকে। এদের সাহায্যে ক্লোরোপ্লাস্ট নিজের অনুরূপ সৃষ্টি ও কিছু প্রয়োজনীয় প্রোটিন তৈরি করতে পারে।

রাসায়নিক গঠন : রাসায়নিকভাবে ক্লোরোপ্লাস্ট কার্বোহাইড্রেট, লিপিড ও প্রোটিন নিয়ে গঠিত। এতে ক্লোরোফিল, এনজাইম, সামান্য ক্যারোটিনয়েড ও নিউক্লিড এসিড থাকে।

উদ্দীপকের প্রথম ও দ্বিতীয় অঙ্গানুর সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য বা তুলনা আলোচনা করো।

উদ্দীপকের প্রথম ও দ্বিতীয় অঙ্গাণু হলো যথাক্রমে ক্লোরোপ্লাস্ট ও মাইটোকন্ড্রিয়া।

ক্লোরোপ্লাস্ট ও মাইটোকন্ড্রিয়ার মধ্যে সাদৃশ্য নিচে দেওয়া হলো

১। উভয়ই সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু।

২। উভয়ই উদ্ভিদকোষে দেখা যায়।

৩। উভয়ই দ্বিস্তরবিশিষ্ট আবরণী দ্বারা আবৃত।

৪। উভয়ের রাইবোজোম ও বৃত্তাকার DNA আছে।

ক্লোরোপ্লাস্ট ও মাইটোকন্ড্রিয়ার মধ্যে পার্থক্য বা বৈসাদৃশ্য বা তুলনা নিচে দেওয়া হলো—

ক্লোরোপ্লাস্ট :

১. উদ্ভিদকোষে ক্লোরোপ্লাস্ট দেখা যায়।

২. সবুজ রঞ্জক পদার্থ থাকে।

৩. এতে কোনো প্রকোষ্ঠ নেই।

৪. থাইলাকয়েড থাকে না।

৫. অন্তঃপর্দার গায়ে অক্সিজোম নামক যে দানা থাকে, তা বৃন্তযুক্ত।

৬. শর্করাজাতীয় খাদ্য তৈরি।

মাইটোকন্ড্রিয়া :

১. উদ্ভিদকোষ ও প্রাণিকোষে মাইটোকন্ড্রিয়া দেখা যায়।

২. রঞ্জক পদার্থ থাকে না।

৩. এটি অসম্পূর্ণ প্রকোষ্ঠে বিভক্ত।

৪. থাইলাকয়েড থাকে।

৫. থাইলাকয়েডের মধ্যে কোয়ান্টাজোম নামের যে দানা থাকে তা বৃন্তহীন।

৬. শ্বসনে সহায়তা করে।

6CO2 + 12H2O সূর্যলোক/ক্লোরফিল A+6H2O+6O2

ব্যাকটেরিওফাজ কাকে বলে?

যেসব ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া কে আক্রমণ এবং ধ্বংস করে তাদের ব্যাকটেরিওফাজ বা ফাজ ভাইরাস বলে

ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে পার্থক্য?

ভাইরাস এবং ব্যাকটেরিয়ার মধ্যে পার্থক্য:

১। ভাইরাস হলো এক প্রকার অতিক্ষুদ্র জৈব কণা বা অণুজীব যারা জীবিত কোষের ভিতরেই মাত্র বংশবৃদ্ধি করতে পারে। অন্যদিকে ব্যাকটেরিয়া (Bacteria) হলো এক প্রকারের আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত, অসবুজ, এককোষী অণুজীব।

২। ভাইরাসে DNA অথবা RNA যেকোনো একটি থাকে।ক্যাপসিডের মধ্যে অবস্থান করে। অন্যদিকে ব্যাকটেরিয়ার DNA ও RNA উভয়ই থাকে।ক্যাপসিডের মধ্যে অবস্থান করে না।

৩। ভাইরাস তাদের নিজের উপর নির্ভর করতে পারে না অন্যদিকে ব্যাকটেরিয়া জীবন্ত জিনিস ।

৪। অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করে ব্যাকটেরিয়ার সহজেই মারা যায়। অন্যদিকে এন্টি ভাইরাসজনিত অ্যান্টিভাইরাস কেবল ভাইরাসগুলির প্রজনন হ্রাস করতে পারে এবং তাদের ধ্বংস করতে পারে না।

৫। রোগ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া কোষকে ধ্বংস করে এমন টক্সিন উৎপন্ন করে। তারা খাবার বিষক্রিয়া এবং মেনিনজাইটিস , নিউমোনিয়া এবং যক্ষ্মা সহ অন্যান্য গুরুতর অসুস্থতা সৃষ্টি করতে পারে। অন্যদিকে ভাইরাসগুলি হলো রোগাক্রান্ত যা মুরগী, ফ্লু, রেবিজি , ইবোলা ভাইরাসের রোগ , জিকা রোগ এবং এইচআইভি / এইডস সহ বিভিন্ন রোগের কারণ হয়ে থাকে।

৬। ব্যাকটিরিয়া আন্তঃকোষীয় জীব। অন্যদিকে ভাইরাসগুলি অন্তঃকোষীয় জীব, যার অর্থ তারা হোস্ট কোষে প্রবেশ করে এবং বাস করে।

৭। ব্যাকটেরিয়া তাদের নিজস্ব বৃদ্ধি এবং প্রজনন ক্ষমতা আছে। এই কোষগুলি থেকে আরও বিভাজন তৈরি করা যেতে পারে। অন্যদিকে ভাইরাসগুলি নিজেদের দ্বারা বিভক্ত করার ক্ষমতা রাখে না, তারা অবিরাম প্রতিলিপি করে এবং অন্যান্য কোষকে আক্রমণ করে তাদের জিনগত তথ্য প্রেরণ করে।

উদ্দীপকে A কিভাবে উৎপন্ন হয় তার একটি চিত্র অংকন করো

 

উদ্দীপকে প্রক্রিয়া মানব জীবনে কতোটা গুরুত্বপুর্ন : আলোচনা করো

সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার গুরুত্ব:

শক্তি সংরক্ষণ: সূর্যের আলো থেকে প্রাপ্ত শক্তি উদ্ভিদ সর্বপ্রথম রাসায়নিক শক্তি হিসেবে নিজের মধ্যে আবদ্ধ রাখে৷ পরবর্তীতে উদ্ভিদ এই রাসায়নিক শক্তিকে খাদ্যে রূপান্তরিত করে ও খাদ্য থেকে প্রাপ্ত শক্তি গ্রহণ করে। সূর্য থেকে প্রাপ্ত শক্তি ধারণে সালোকসংশ্লেষণ প্রধান ভূমিকা পালন করে।

উদ্ভিদের খাদ্য তৈরি: আমরা জানি যে, উদ্ভিদের খাদ্য তৈরির প্রধান উৎস হচ্ছে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া। সবুজ উদ্ভিদ এর মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্য উৎপন্ন করে এবং সে খাদ্য দিয়ে তার যাবতীয় চাহিদা পূরণ করে৷

প্রাণীর খাদ্য তৈরি: প্রাণীরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে খাদ্যের জন্য উদ্ভিদের উপর নির্ভরশীল কারণ একমাত্র উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করতে পারে। এক্ষেত্রে বলা যায়, প্রাণীজগতে খাদ্য সরবারহে এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বিপাকীয় প্রক্রিয়া পরিচালনা করা: উদ্ভিদ ও প্রাণী দেহে প্রতিনিয়ত হরেক রকম জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে থাকে। আর এই জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে প্রচুর পরিমাণে শক্তির প্রয়োজন হয়৷ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত খাদ্য উদ্ভিদ ও প্রাণী দেহে এই শক্তি সরবরাহ করে। সুতরাং, দেখা যাচ্ছে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়া পরোক্ষভাবে বিপাকীয় প্রক্রিয়া পরিচালনা করে৷

জ্বালানি উৎপাদন: উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণের মাধ্যমে উৎপাদিত খাদ্যের কিছুটা খরচ করে সিংহভাগ নিজের জন্য সঞ্চিত রাখে৷ উদ্ভিদের বিভিন্ন অংশে (পাতা, ফলমূল, কান্ড) খাদ্য সঞ্চিত থাকে৷ উদ্ভিদ মারা যাওয়ার পর এই সঞ্চিত খাদ্যগুলো জ্বালানিতে রূপান্তরিত হয়। কয়লা, পেট্রোল, তেল এই জ্বালানিগুলো আমরা সাধারণত উদ্ভিদ থেকে পেয়ে থাকি৷

উদ্ভিদের শারীরিক বর্ধন: উদ্ভিদ দেহে বিপাক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হওয়ার কারণে উদ্ভিদ পুষ্টি লাভ করে। এই পুষ্টি উদ্ভিদ দেহের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। সালোকসংশ্লেষণর মাধ্যমেই মূলত উদ্ভিদের পুষ্টি লাভের প্রক্রিয়াগুলো সম্পন্ন হয়৷

বায়ুমন্ডলের অক্সিজেন  কার্বনডাইঅক্সাইডের ভারসাম্য রক্ষা: উদ্ভিদ বায়ুমন্ডল থেকে কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে ও অক্সিজেন ত্যাগ করে৷ এটি সম্ভব হয় শুধুমাত্র সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার কারণে। আমরা শ্বসন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করি ও অক্সিজেন গ্রহণ করি৷ শুধুমাত্র শ্বসন প্রক্রিয়া থাকলে দেখা যেত বায়ুমন্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যাচ্ছে ও কার্বনডাইঅক্সাইডের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। এতে পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হতো৷ কেবলমাত্র, এই প্রক্রিয়ার কারণে বায়ুমন্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড ও অক্সিজেনের ভারসাম্য বজায় আছে।

বায়োম কি?

জীবাঞ্চল (ইংরেজি: biome “বায়োম“) বা বাস্তুসংস্থানিক অঞ্চল হচ্ছে একই রকম জলবায়ু, পরিবেশ, প্রাণী ও উদ্ভিদ সংবলিত অঞ্চল।

উপকূলীও বনাঞ্চল তৈরির প্রয়োজনীয়তা লিখুন

আমরা প্রায়শই নদীর তীরবর্তী কিংবা সমুদ্রের তীরবর্তী উপকূলীয় এলাকাগুলোকে বছরের বিভিন্ন সময়ে ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, সাইক্লোন, টর্নেডোসহ নানারকম প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে দেখি। এর ফলে উপকূলীয় এলাকার বাড়িঘর, আশেপাশের ফসল ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। তবে এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেকাংশে কমিয়ে আনতে সক্ষম হয় উপকূলীয় বনগুলো।

উদ্দীপকের A উদ্ভিদটির যৌন জনন বর্ণনা করুন?

Saprolegnia–এর যৌন জনন ঊগ্যামাস (oogamus) প্রকৃতির। এদের পুং জননাঙ্গের নাম অ্যান্থেরিডিয়াম
(antheridium), এটি অপেক্ষাকৃত ছোট, লম্বাকৃতি ও সচল প্রকৃতির। এদের স্ত্রী জননাঙ্গের নাম ঊগোনিয়াম বা ডিম্বানুস্থলী (oogonium), প্রকৃতির হয়ে থাকে। অ্যান্থেরিডিয়াম ও ঊগোনিয়ামের মিলনের ফলে একটি ডিপ−য়েড (২য়)
ঊওস্পোর (oospore) গঠিত হয়। উওস্পোরগুলি অঙ্কুরিত হবার সময় মিয়োসিস বিভাজন প্রক্রিয়ায় হ্যাপ−য়েড (হ)
স্পোরে পরিণত হয়। এরূপ স্পোর অঙ্কুরিত হয়ে Saprolegnia-র নতুন হাইফা ও মাইসেলিয়াম গঠিত হয়।

উদ্দীপকের B উদ্ভিদটির গঠন বর্ণনা করুন?

ছত্রাক দীর্ঘ সুতার মতো গঠন নিয়ে গঠিত যা হাইফে নামে পরিচিত। এই হাইফা একত্রে মাইসেলিয়াম নামক জালের মতো গঠন তৈরি করে। ছত্রাকের কোষ প্রাচীর রয়েছে যা কাইটিন এবং পলিস্যাকারাইড দ্বারা গঠিত। কোষ প্রাচীর প্রোটোপ্লাস্ট নিয়ে গঠিত যা কোষের ঝিল্লি, সাইটোপ্লাজম, এবং নিউক্লিয়াসের মতো অন্যান্য কোষের অংশগুলির মধ্যে পার্থক্য করে।

ক্লোন কি?

ক্লোন হল কোন জীব বা কোষ বা বৃহৎ জৈব অণুর হুবুহু নকল। কোন জীবের একটি দেহকোষ হতে হুবুহু ঔ জীবটিকে পুনরায় তৈরি করার পদ্ধতি ক্লোনিং নামে বিখ্যাত।

জিএম খাদ্য ফসল সম্পর্কে লিখুন।

জিএম ফুড হলো জেনেটিক্যালি মডিফায়েড অর্গানিজম থেকে প্রাপ্ত খাদ্য। সয়াবিন, তুলা, সুগারবিট, পেঁপেসহ বর্তমানে বিশ্বব্যাপী শতাধিক জিএমও ফসল বাণিজ্যিকভাবে আবাদ হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী প্রায় ১৭৪ মিলিয়ন হেক্টর জমিতে জিএম ফসলের চাষ হচ্ছে। বিশ্বে মোট উত্পাদিত ভুট্টা, তুলা, সয়াবিন ও সুগারবিটের ৭০-৯০ শতাংশ আসে জিএমও জাত থেকে। শুধু খাদ্যই নয়, বর্তমান বিশ্বে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কিছু ওষুধও জিএমও থেকে সংগ্রহ করা হয়। যেমন ডায়াবেটিক রোগীদের অতিপ্রয়োজনীয় রিকম্বিন্যান্ট ইনসুলিন।

A চিত্রটির পরিস্ফুটন বর্ননা করুন

ভ্রূণ থলি (বা মহিলা গ্যামেটোফাইট) পরপর তিনটি মাইটোটিক দ্বারা গঠিত হয়
বিভাজন যা মেগাস্পোরের নিউক্লিয়াসে সঞ্চালিত হয়।

ডিমের কোষ:- ডিমের কোষ ডিমের বিষয়বস্তু এবং ভ্রূণকে শারীরিক ক্ষতি এবং জীবাণু দ্বারা সংক্রমণের বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করে। এবং বিপাকীয় গ্যাস এবং জলের বিনিময় নিয়ন্ত্রণ করে এবং বিকাশকারীকে ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে।

অ্যান্টিপোডাল কোষ:- এগুলি কার্যে পুষ্টিকর এবং তারা ভ্রূণের থলিকে পুষ্ট করে। অ্যান্টিপোডাল কোষগুলি এন্ডোস্পার্মের বৃদ্ধি এবং বিকাশে সহায়তা করে

সিনারজিড কোষ: – এই কোষগুলি মহিলা গ্যামেটোফাইটে অবস্থিত এবং এঞ্জিওস্পার্মের জন্য প্রয়োজনীয়। Synergids ফুল গাছের ডিম যন্ত্রের একটি অংশ।

নিষেকের পর ভ্রূণের থলিতে যে পরিবর্তন ঘটে তা বর্ননা করুন

 

ভ্রূণ থলি (বা মহিলা গ্যামেটোফাইট) পরপর তিনটি মাইটোটিক দ্বারা গঠিত হয়
বিভাজন যা মেগাস্পোরের নিউক্লিয়াসে সঞ্চালিত হয়।
কার্যকরী মেগাস্পোরের নিউক্লিয়াস মাইটোটিকভাবে বিভক্ত হয়ে দুটি গঠন করে
নিউক্লিয়াস যা বিপরীত মেরুতে চলে যায়, 2-নিউক্লিয়েট ভ্রূণ গঠন করে
থলি আরও দুটি অনুক্রমিক মাইটোটিক পারমাণবিক বিভাজনের ফলে সৃষ্টি হয়
ভ্রূণের থলির 4-নিউক্লিয়েট এবং পরে 8-নিউক্লিয়েট পর্যায়। পরে
8-নিউক্লিয়েট পর্যায়, কোষ প্রাচীর নিচে পাড়া হয় সংগঠনের নেতৃস্থানীয়
সাধারণ মহিলা গেমটোফাইট বা ভ্রূণের থলি।

আটটি কোষের মধ্যে তিনটি কোষ
মাইক্রোপিলার প্রান্তে একত্রিত হয় এবং ডিমের যন্ত্র গঠন করে। তিন
চালজাল প্রান্তের কোষগুলিকে অ্যান্টিপোডাল বলা হয়। বৃহৎ কেন্দ্রীয় কোষ গঠিত
দুই মেরু নিউক্লিয়াসের।

ফুলের উদ্ভিদে যৌন প্রজনন চিত্র। (A) পরিপক্ক ভ্রূণের থলির একটি চিত্রগত উপস্থাপনা।
সুতরাং, একটি সাধারণ মহিলা গেমটোফাইটে 7 টি কোষ থাকে তবে এটি 8 টি নিউক্লিয়েটেড
(চিত্র এ দেখুন)।

 

 

ডিমের কোষ:- ডিমের কোষ ডিমের বিষয়বস্তু এবং ভ্রূণকে শারীরিক ক্ষতি এবং জীবাণু দ্বারা সংক্রমণের বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান করে। এবং বিপাকীয় গ্যাস এবং জলের বিনিময় নিয়ন্ত্রণ করে এবং বিকাশকারীকে ক্যালসিয়াম সরবরাহ করে।

অ্যান্টিপোডাল কোষ:- এগুলি কার্যে পুষ্টিকর এবং তারা ভ্রূণের থলিকে পুষ্ট করে। অ্যান্টিপোডাল কোষগুলি এন্ডোস্পার্মের বৃদ্ধি এবং বিকাশে সহায়তা করে

সিনারজিড কোষ: – এই কোষগুলি মহিলা গ্যামেটোফাইটে অবস্থিত এবং এঞ্জিওস্পার্মের জন্য প্রয়োজনীয়। Synergids ফুল গাছের ডিম যন্ত্রের একটি অংশ।

প্রস্থেটিক গ্রুপ কি?

যৌগিক প্রোটিনের অপ্রোটিন অংশটি যখন প্রোটিনের সঙ্গে কোভ্যালেন্ট বন্ধন দ্বারা যুক্ত থাকে এবং প্রোটিনের কাজে সহায়ক হয় তখন তাকে প্রস্থেটিক গ্রুপ বলে। সেই ভিত্তিতে যখন সহ উৎসেচক উৎসেচকের প্রোটিনের সঙ্গে কোভ্যালেন্ট বন্ধনী দ্বারা দৃঢ়ভাবে যুক্ত থাকে, তখন তাকে অনেকে প্রস্থেটিক গ্রুপ বলে

অ্যাল্বুমিন কি ?

Albumin একটি অপরিহার্য প্রোটিন উপাদান যা টিস্যু বা কলাগুলির স্বাস্থ্যকে বজায় রাখে, রক্তক্ষরণকে প্রতিরোধ করে এবং এটি শরীরের মধ্যে তরল, রক্ত ​​এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ টিস্যুর স্বাস্থ্যকে বজায় রাখার জন্য সঞ্চালিত হয়। ওষুধের মাত্রা রোগীর চিকিৎসার ইতিহাস, রোগীর স্বাস্থ্যের অবস্থা, এবং থেরাপি বা চিকিৎসার প্রতিক্রিয়ার উপর নির্ভর করে।।

মনেরা কিংডম এর বৈজ্ঞানিক নাম
মনেরা একটি জৈবিক রাজ্য যা প্রোক্যারিওট (বিশেষত ব্যাকটেরিয়া) দিয়ে গঠিত। যেমন, এটি একক কোষযুক্ত জীব দিয়ে গঠিত যার একটি নিউক্লিয়াসের অভাব রয়েছে। আর্কিব্যাকটেরিয়া, মাইকোপ্লাজমা, ব্যাকটেরিয়া, সায়ানোব্যাকটেরিয়া, অ্যাকটিনোমাইসিটিস এই রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত।
প্রজাতিগত বৈচিত্র্য কাকে বলে
প্রজাতিগত বৈচিত্র‍্য বা প্রজাতি বৈচিত্র‍্য হলো কোনো নির্দিষ্ট জীবসম্প্রদায়ের মধ্যে বিদ্যমান প্রজাতির সংখ্যা। বাস্তুতন্ত্রে কার্যকর প্রজাতির সংখ্যা সেখানে সম-বিদ্যমান প্রজাতি সংখ্যার গড় অনুপাত বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সুপ্রতুল প্রজাতি-সংখ্যাকে নির্দেশ করে (যেখানে সকল প্রজাতি সমভাবে বিদ্যমান নয়)।
চিত্র ১ (cycas )এর বোশিষ্ট
১. উদ্ভিত খাড়া পাম জাতীয়, বিীজ হয় কিন্তু ফল হয়না। ২. পাতা বৃহৎ, পক্ষল যৌগিক।, কান্ডের মাথার দিকে শর্পিলা আকারে থাকে। ৩.কোরালয়েড গৌন মূল থাকে। ৪. পুংরেনুপত্র স্ট্রোবিলাস তৈরি করে কিন্তু স্ত্রীরেনুপ্ত্র স্ট্রোবিলাস তৈরি করে না।
একটি পরিণত কোষ প্রাচির কয়টি অংশ গঠিত?
উদ্ভিদকোষের কোষপ্রাচীর তিন স্তর বিশিষ্ট : প্রাথমিক প্রাচীর, গৌণ প্রাচীর, টারশিয়ারী প্রাচীর।
কোষ বলতে কি বুজায় ?
কোষ হলো সকল জীবদেহের গঠন, বিপাকীয় ক্রিয়াকলাপ ও বংশগতিমূলক তথ্য বহনকারী একক। এটি জীবের ক্ষুদ্রতম জীবিত একক, অর্থাৎ একটি কোষকে পৃথকভাবে জীবিত বলা যেতে পারে। এজন্যই একে জীবের নির্মাণ একক নামে আখ্যায়িত করা হয়।
শ্বসন কি ?
শ্বসন একটি বিপাকীয় ক্রিয়া। এ প্রক্রিয়া চলাকালে প্রতিটি জীব পরিবেশ থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে ও কার্বন ডাই অক্সাইড ত্যাগ করে। শারীরবৃত্তীয় শ্বসন হল বাতাস হতে জীবের কলাতন্ত্রে অক্সিজেনের সরবরাহের এবং বিপরীত প্রক্রিয়ায় কার্বন-ডাই-অক্সাইডের নির্গমন প্রক্রিয়া।
শ্বসন এর শ্রেনিবিভাগ?
শ্বসন দুই প্রকার। যথা- (ক) সবাত শ্বসন ও (খ) অবাত শ্বসন। যে শ্বসন প্রক্রিয়ায় অক্সিজেনের অংশগ্রহণ অপরিহার্য, তাকে সবাত শ্বসন বলে। সবাত শ্বসনে ১ অণু গ্লুকোজ হতে শক্তি এবং ৬ অণু পানি পাওয়া যায়।
উদ্দিপকে উল্যেক্ষিত বিক্রিয়টি সমিকরনের মাধ্যমে লিখুন
যে জইব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবদেহের কোষে অবস্তিত জটিল খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে সরল দ্রব্যে পরিনত হয় এবং স্পঞ্চিত স্থিতিশক্তি গতি শক্তিতে রুপান্তরিত হয় তাকে শসন বলে। এ প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাইঅক্সাইড, পানি ও শক্তি উতপন্ন হয় । গ্লুকোজ কে শ্বসনিক বস্তু ধরলে শ্বসনের সামগ্রিক সমীকরন টি হলো C2H12O6 + 6O2 +6H2O বিভিন্ন এনজাইম 6CO2+12H2O+ATP শক্তি
উদ্দিপকে উল্যেক্ষিত বিক্রিয়টির শষে সমিকরন চিত্রের মাধ্যমে ।
যে জইব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় জীবদেহের কোষে অবস্তিত জটিল খাদ্যদ্রব্য জারিত হয়ে সরল দ্রব্যে পরিনত হয় এবং স্পঞ্চিত স্থিতিশক্তি গতি শক্তিতে রুপান্তরিত হয় তাকে শসন বলে। এ প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাইঅক্সাইড, পানি ও শক্তি উতপন্ন হয় ।
এর শেষ সমিকরন ধাপটি ইলেক্ট্রন ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম।
টিস্যুতন্ত্র কয় ধরনের
টিস্যুতন্ত্র তিন ধরনের

ত্বকীয় বা এপিডার্মাল টিস্যুতন্ত্র

২. পরিবহন বা ভাস্কুলার টিস্যুতন্ত্র 

৩. ভিত্তি বা গ্রাউন্ড টিস্যুতন্ত্র 

টিস্যু কি? ব্যাখ্যা করুন
একই উৎস থেকে সৃষ্ট,একই ধরণের কাজ সম্পন্নকারী সমধর্মী একটি অবিছিন্ন কোষগুচ্ছকে বলা হয় টিস্যু। উৎপত্তিগতভাবে এক, একই প্রকার অথবা একাধিক ধরনের কিছু কোষ সমষ্টি যারা একই স্থানে অবস্থান করে, একটি সাধারণ কাজে নিয়োজিত থাকে তাদেরকেই টিস্যু বা কলা বলা হয়।
ভাজক টিস্যু ছক পুরোন
প্রজনন কি?
প্রজনন (বা জনন) হল একটি জৈব প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জনিতৃ জীব থেকে নতুন স্বতন্ত্র জীব – “অপত্য” – তৈরি হয়।
ফায কি?
মূলত ফায একটি গ্রীক শব্দ। যার অর্থ হলো ভক্ষণ করা অর্থাত্ “to eat” প্রকৃত অর্থে ফায হলো এমন এক ভাইরাস যা জীবদেহে অবস্থানকারী রোগসৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে দেয়।

পদার্থ

একক ভেক্টর কি?
যে ভেক্টরের মানে এক তাকে একক ভেক্টর বলে। মান শূন্য নয় এরূপ ভেক্টরকে তার মান দ্বারা ভাগ করলে একটি একক ভেক্টর পাওয়া যায়।।
টর্ক কী?
গাণিতিকভাবে টর্ক হল কোন অক্ষের সাপেক্ষে ঘূর্ননশীল বস্তুর উপর ক্রিয়ারত বল এবং অক্ষ থেকে ঐ বস্তুর দুরত্তের ভেক্টর গুনফল। সহজভাবে বলতে গেলে টর্ক দ্বারা কোন অক্ষের চারদিকে কোন বস্তুর ঘূর্নন প্রবণতার পরিমাপ বোঝানো হয়ে থাকে।
কার্ল কি?
একটি ভেক্টর ক্ষেত্রে অবস্থিত কোনো বিন্দুর চারপাশে রেখা সমাকলনের মান একক ক্ষেত্রফলে সর্বোচ্চ হলে, তাকে উক্ত বিন্দুতে ভেক্টর ক্ষেত্রের কার্ল বলে।
বল ও সরণ ভেক্টর রাশি হলেও তাদের দ্বারা সৃষ্ট কাজ কেন স্কেলার রাশি- ব্যাখ্যা করো
দুইটি ভেক্টরের ডট গুণের ফলাফল একটি স্কেলার রাশি হয় ।

যেহেতু বল ও সরণ উভয়ই ভেক্টর রাশি এবং দুইটি ভেক্টর রাশির গুনফলে সর্বদা স্কেলার রাশি পাওয়া যায়। তাই এদের দ্বারা স্রিষ্ঠ কাজকে স্কেলার রাশি বলা যায়।

 

রাস্তার প্রকৃত ব্যাংকিং কোণ কত

উদ্দিপকের রাস্তায় 180 km/h বেগে গাড়ি নিরাপদে চালানো সম্ভব কিনা।

উত্তর হবে না। কারন গারির গতিবেগ অনুজায়ী বেংকিং কোণ দরকার 61.434 ডিগ্রী কিন্তু রাস্তার ব্যাংকিং হলো 5.739 ডিগ্রি   যা গাড়িটার কোন  এর চেয়ে বেশি তাই গাড়িটা দুর্ঘটনায় পড়বে.

নদীর ওপর পারের B C দুরুত্ব বের কর

নদীর ওপারে B বিন্দুতে পৌছতে মাঝির করনিয় কি?

এন্ট্রপি কি
রুদ্ধতাপীয় প্রক্রিয়ায় বস্তুর যে তাপগতীয় চলরাশি বা তাপীয় ধর্ম স্থির থাকে, তাকে এনট্রপি বলে।
সমোষ্ণ প্রক্রিয়ায় dw=dq কেন
তাপবিদ্যার ১ম সূত্র অনুসারে dQ=dU=dW. সমোঞ্চ প্রক্রিয়ায় সিস্টেমের তাপমাত্রা স্থির থাকে বলে dU=dT সম্পর্ক অনুসারে dU=0. অর্থাৎ সিস্টেমের অন্তঃস্থ শক্তির কোন পরিবর্তন হয়না । ফলে সম্পর্কটি দারায় dQ=dW.
ভু স্থির উপগ্রহ কি?
যে সকল উপগ্রহ পৃথিবী সাপেক্ষে স্থির। অর্থাৎ, নিজ অক্ষের উপর যে সকল উপগ্রহের আবর্তন কাল পৃথিবীর আবর্তন কালের সমান, তাদেরকে ভূ-স্থির উপগ্রহ বলে।
পৃথিবীর পৃষ্ঠে কোন বস্তুর মুক্তিবেগ 11.2 kms-1 বলতে কি বুজায়
কোন গ্রহের পৃষ্ঠ হতে ১ সেকেন্ডে যত কিলোমিটার গতিবেগে  কোন বস্তু ওপরের দিকে ছুড়ে মারলে তা আর ফিরে আসবে না তাকে ওই গ্রহের মুক্তিবেগ বলা হয়।

পৃথিবীর ক্ষেত্রে মুক্তিবেগের মান প্রতি সেকেন্ডে ১১.২ kms।

অর্থাৎ কোনো বস্তুকে প্রতি সেকেন্ডে ১১.২ কি.মি. গতিবেগে ওপরের দিকে ছূড়তে পারলে সেটা আর নিচের দিকে না পড়ে, মহাশূন্যে পৃথিবীর চারিদিকে ঘুরতে থাকবে।

আপেক্ষিক আদ্রতা কাকে বলে
পৃথিবীর ক্ষেত্রে মুক্তিবেগের মান প্রতি সেকেন্ডে ১১.২ কি.মি.। অর্থাৎ কোনো বস্তুকে প্রতি সেকেন্ডে ১১.২ কি.মি. গতিবেগে ওপরের দিকে ছূড়তে পারলে সেটা আর নিচের দিকে না পড়ে, মহাশূন্যে পৃথিবীর চারিদিকে ঘুরতে থাকবে। 
কোন স্থানের শিশিরাংক 18 ডিগ্রী সে। বলতে কি বুঝায়
১৮°সে শিশিরাঙ্ক বলতে বোঝায় – ঐ স্থানের বায়ু ১৮° তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত অবস্থা ধারণ করবে । একটু সহজ করে যদি বলি এই তাপমাত্রায় শিশির জমতে শুরু করবে।
সংনম্যতা কি?
কোনো বস্তুর ওপর চারদিক থেকে সমান চাপ প্রয়োগ করলে বস্তুটির আয়তন কমে যায়। বস্তুর এ ধর্মকে সংনম্যতা বলে।
পানির ফোটা গোলাকার হয় কেন?
স্বল্প আয়তনের তরল পদার্থ সব সময় গোলকের আকার ধারন করে। কারন নির্দিষ্ট আয়তনের তরলের মুক্ত তলের ক্ষেত্রফল গোলক আকৃতিতে সর্বনিম্ন হয়। তরলের মুক্ত পৃষ্ঠ বরাবর সব সময় একটি টান থাকে। যার কারনেই পানির ফোঁটা গোল হয়ে পড়ে।
ভেক্টরের যোগ বিয়োগ সাধারণ নিয়মে হয় না কেন?
স্কেলার রাশির শুধু মান থাকায় তাদের যোগ, বিয়োগ, গুণ ইত্যাদি বীজগণিতের সাধারণ নিয়মানুসারে হয়ে থাকে। কিন্তু ভেক্টর রাশির মানের সাথে দিক জড়িত থাকায় তাদের যোগ, বিয়োগ, গুণ ইত্যাদি বীজগণিতের সাধারণ নিয়মানুসারে করা যায় না। এর জন্য আলাদা নিয়মের প্রয়োজন হয়।

দুটি স্কেলার রাশির যোগ সাধারণ বীজগণিতের সূত্রানুসারে করা যায়, যেমন: 6 + 8 = 14। কিন্তু দুটি ভেক্টর রাশির যোগফল এভাবে বের করা যায় না, কেননা দুটি ভেক্টর রাশির যোগফল শুধু রাশিগুলোর মানের উপর নির্ভর করে না, প্রত্যেকের দিক এবং মধ্যবর্তী কোণের উপরও নির্ভর করে।

জটিল গতির সংজ্ঞা দিন।
কোনাে বস্তুর একইসাথে চলন ও ঘূর্ণন গতি থাকলে তাকে মিশ্র বা জটিল গতি বলে ।
প্রাসের ত্বরণ একমাত্রিক-ব্যাখ্যা করুন
বাতাসের বাধা উপেক্ষা করলে প্রাসের গতি কেবলমাত্র অভিকর্ষ বলের ক্রিয়ায় হয়। প্রাস সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছালে এর বেগ সর্বনিম্ন হয়। আবার সর্বাধিক উচ্চতায় প্রাসের গতি একমাত্রিক হয়। প্রাস প্রক্ষেপণ বিন্দু হতে অনুভূমিক দিকে সর্বাধিক যে দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে প্রাসের পাল্লা (Range) বলে।
বৃত্তাকার পথে সমবেগে চলা সম্ভব নয় কেন?
বৃত্তাকার পথে চলমান বস্তুর বেগের মান একই থাকলেও দিক পরিবর্তিত হয়। তাই কোন বস্তুর বৃত্তাকার পথে সমবেগে চলা সম্ভব নয়
পঁয়সনের অনুপাত কী?
যেকোন বস্তুর ওপর বল প্ৰয়োগে পাৰ্শ্বীয় বিকৃতি ও দৈৰ্ঘ্য বিকৃতির অনুপাতকে পয়সনের অনুপাত বলা হয়।
অনেকদিনের পুরোনো রাবার বেন্ড অল্প টানে ছিঁড়ে যায় কেন?

রাবার পলিমার অণু দ্বারা গঠিত। অর্থাৎ অণুগুলো একটার সাথে আরেকটা যুক্ত হয়ে লম্বা শিকল গঠন করে। চেইনগুলোর মধ্যে স্থিতিস্থাপক বল বিদ্যমান থাকার ফলে ছেড়ে দিলে অণুুগলির শিকল আবার আগের মতো অবস্থায় ফিরে যায়। অনেক দিন রেখে দিলে পলিমার দ্রব্য শক্ত থেকে নরম হয়ে যায় বা  তাদের অণুতে অসংখ্য পরমাণুর স্থিতিস্তথাপক বল নষ্ট হয়ে পরে। ফলে সেগুলো টানলে লম্বা হয় না আলাদা হয়ে যায় বা ছিড়ে যায়।

সমমেল কী?
কোন স্বরে উপস্থিত উপসুরগুলির মধ্যে যে সুরের কম্পাঙ্ক মূল সুরের কম্পাঙ্কের সরল গুণিতক তাদের সমমেল বলে।
একটি স্থানের শব্দের তীব্রতা ২*১০-৩ wm--2 বলতে কি বোঝেন?
শব্দের যে বৈশিষ্ট্য দ্বারা কোন সুর চড়া ও কোন সুর মোটা তা বোঝা যায়,তাকে শব্দের তীব্রতা বলে।

শব্দের তীব্রতার একক হলো Wm-2. এখানে ২*১০-৩ wm-2 বলতে বুঝায় একই স্থানে শব্দের তীব্রতা ৬ ডেসিবেল । শব্দের তীব্রতার মাত্রা পরিমাপ করা হয় ‘বেল’ এককে । ব্যবহারিক ক্ষেত্রে এককটি বড়ো হওয়ায় তার 1/10 অংশ অর্থাৎ, ‘ডেসিবেল’ (dB) একক ব্যবহার করা হয় ।

পরম তাপমাত্রা কী?
পরম তাপমাত্রা বলতে বুঝানো হয় এমন এক তাপমাত্রা, যার চাইতে ঠান্ডা কোনো কিছু হতে পারে না। এই তাপমাত্রায় যেকোনো গ্যাসের আয়তন গাণিতিকভাবে শূন্য হয়। এর মান শূন্য কেলভিন, -২৭৩.১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস অথবা -৪৫৯.৬৭ ডিগ্রি ফারেনহাইট।
কোন স্থানের আপেক্ষিক আর্দ্রতা 52.87% বলতে কী বোঝায়?
বায়ুর আপেক্ষিক আর্দ্রতা 52.87%-এর দ্বারা বোঝা যায় যে,
বায়ুর তাপমাত্রায় একটি নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুকে সম্পৃক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয় বাষ্পের প্রয়োজন তার শতকরা 52.87 ভাগ জলীয় বাষ্প ঐ বায়ুতে আছে। বায়ুর তাপমাত্রায় ঐ বায়ুতে উপস্থিত জলীয় বাষ্পের চাপ একই তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পের চাপের 100 ভাগের 52.87 ভাগ। ঐ বায়ুর শিশিরাঙ্কে সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পের চাপ বায়ুর তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পের চাপের 100 ভাগের 52.87 ভাগ।
চুরান্ত তাপমাত্রা বের করার পদ্ধতি
কেন্দ্রমুখী বল কাকে বলে
কেন্দ্রমুখী বল এমন একটি বল যা একটি বস্তুকে বাঁকা পথে চলতে বাধ্য করে। যেকোন মুহূর্তে কেন্দ্রমুখী বলের দিক সর্বদা বস্তুর গতির অভিলম্ব দিকে এবং ঐ মুহূর্তে বক্র ভ্রমণ পথের বক্রতার তাৎক্ষণিক কেন্দ্রের স্থির বিন্দুর দিকে।।
জরতার দ্রামক 50 kgm-2 বলতে কি বুঝ?
কোনো অক্ষের সাপেক্ষে কোনো বস্তুর জড়তার ভ্রামক 2kgm2 বলতে বুঝায় ঐ বস্তুর প্রত্যেকটি কণার ভর এবং ঐ অক্ষ থেকে তাদের প্রত্যেকের লম্ব দূরত্বের বর্গের গুণফলের সমষ্টি 50 kgm2