Theory of Nikola Tesla’s 369, What does he mean by this number? 

Banganubad – If we know about the special features of 369. But the key to the world will come to us.

But why are these 3, 6, and 9 so special?

First of all, we need to understand that we do not invent formulas. We just discover it. There are some patterns inherent in nature, following that pattern we have constructed various mathematical formulas. Therefore we can get 2 + 2 = 4 anywhere in the universe.

One of these patterns is – the “Power of 2 Binary System”.

That is, something starts from one and continues to double each other. Following this pattern, our cells and embryos slowly divide. So this pattern – 1, 2, 4, 8, 16, 32, 64, 128, 256… Many people call it “God’s blueprint”.

cell stage

Now the feature of this above pattern is –

1

1 x 2 = 2

2 × 2 = 4

4 × 2 = 8

16 —-> 1+6 = 7

32 —- > 3+2 =5

64 —-> 6+4 = 1

128 —- > 1+2+8 = 2

256 —-> 2+5+6 = 4

512 —- > 5+1+2 = 8

That is, if you observe, it is understood that – 1, 2, 4, 8, 7, 5 this pattern is coming back again and again. It is like a pendulum clock swinging back to its initial state. Again if we start from 1 and keep halving it continuously, we get exactly the same pattern back in reverse –

1

1/2 = 0.5 — > 5

0.5/2 = 0.25 — > 2+5=7

0.25/2 = 0.125 —- > 1+2+5 = 8

But if you look carefully, you will see that three numbers are missing in this pattern – 3, 6, and 9. These three numbers are like a free entity above this pattern. Scientist Mark Rodin believes that these three numbers describe a vector in the fourth or third dimension, which he named the flux field.

Now if we take the number 3 and keep doubling it continuously. But we get –

3

3*2 = 6

6*2= 12 — > 1+2 = 3

12*2 = 24 — > 2+4 = 6

This is also a pattern. A pattern oscillating between 3 and 6. But 9 is missing in this pattern.

But does 9 belong to any other pattern?

Yes, absolutely.

If we double this number 9 we get –

9

9*2 — > 18 = 1+8 = 9

18* 2 — > 36 = 3+6 = 9

That is, only the number 9 exists in this pattern.

Now, if we put the three patterns together in a row, we get two poles. Which has 1, 2, 4 on one side and 8, 7,5 on the other side. Everything in the world is like a river flowing from 1, 2, 4 to 8, 7, 5, and back to 1, 2, 4. If you look carefully again, you will understand that 1,2,4 are ahead of 3 and 8,7,5 are ahead of 6.

Again these 3 and 6 are under 9.

3+6 = 9 =6+3

1+2+3+6+7+8+9 = 45—- > 4+5 =9

1+2+4+5+7+8 = 27 —- > 2+7=9

So everything mixed in 9 and 9 is that single entity.

nikola tesla 369 theory gif

Not only this, there are many other paths from which it is felt that the 369 are hidden within everything.

As in our numbers –

serial 369 number

Within the symmetry of nature

The symmetry of the three and six dimensions is also quite clearly observed in our nature. For example, six-dimensional symmetry can be seen in the comb of a bee.

bee in  nikola's theory

In time period:

60 minutes in our 1 hour → 6

In 1 minute 60 seconds → 6

1 day has 24 hours → 2+4=6

In geometric shape:

An angle of a circle is 360°

That 3+6+0=9

Again halving it gives -180°

1 + 8 + 0 = 9

And halving it again gives — 90°

9 + 0 = 9

369 number inside the atom:

Atoms have three parts — neutrons, protons, and electrons.

Again in the case of quarks and leptons, the number is 6

Our season number is 6

Our universe comprises three things — dark matter, dark energy, and ordinary matter.

The number 3 is also quite strange.

It is the only prime number whose sum of previous numbers is the number itself.

0+1+2=3

Maybe if we try, we will find the existence of numbers 3, 6, and 9 in more places in nature.

Are these mere coincidences or coincidences or do the words of Nikola Tesla bear any indication? The future may give us the answer.

 

thank you, Follow Us on Facebook & See our videos on YouTube

Image source — Google

Read More

Why quantum mechanics can’t explain gravity?

টেলিপ্যাথি কী? টেলিপ্যাথি’র মাধ্যমে কীভাবে যোগাযোগ হয়ে থাকে?

>>> মনে মনে বিশেষ মানুষটির কথা ভাবছিলেন। হঠাৎ বেজে উঠল ফোন। স্ক্রিনে কলারের নাম ভেসে উঠতে দেখেই নিশ্চয় হাঁ হয়ে গেলেন? কী করে সম্ভব? ফোন করেছে সেই বিশেষ পুরুষ বা নারীটি! অথচ তার ফোন করার কোনও সম্ভবনাই ছিল না! কীভাবে ঘটল এমন? তবে শুধু বিশেষ মানুষটি নয়, এমনকী প্রিয় বন্ধু, আত্মীয়ের মধ্যেও এমন ঘটনা ঘটতে দেখা গিয়েছে। এছাড়া খুব নিকট আত্মীয়ের বিপদে পড়ার মতো খারাপ স্বপ্ন দেখা ঘুম ভেঙে যাওয়ার মতো ঘটনাও ঘটে!

কেন এমন হয়?

কিছু কিছু মনোবিজ্ঞানী বলেন, এমন হয় মেন্টাল টেলিপ্যাথির কারণে। কেউ খুব নিবিড়ভাবে অপর ব্যক্তি সম্পর্কে ভাবলে, সেই চিন্তা স্পর্শ করে ওই ব্যক্তিকে। এভাবেই অদ্ভুত যোগাযোগ হয়ে যায় মাঝে মধ্যে।

প্রশ্ন হল কী এই মেন্টাল টেলিপ্যাথি?

মেন্টাল টেলিপ্যাথি: এই প্রক্রিয়ায় কোনও এক ব্যক্তি তার মানসিক অনুভূতি, ভাবনা, ছবি, কথা ইত্যাদি অপর এক ব্যক্তির চেতনায় প্রেরণ করে। অন্যপ্রান্তে থাকা অপর ব্যক্তি ওই চিন্তা, কথা, ভাবনা ও ছবি গ্রহণ করতে পারলে বা বুঝতে পারলে হয় টেলিপ্যাথিক যোগাযোগ। এই প্রক্রিয়ায় ফোন, ইমেল, বা অন্য কোনও মাধ্যমের সাহায্য নেওয়া হয় না। এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণভাবে মানসিক যোগাযোগ।

এই ধরনের মানসিক যোগাযোগ হতে পারে পৃথিবীর দুই প্রান্তে থাকা দুটি মানুষের সঙ্গে। আবার পাশাপাশি দুটি ঘরে থাকা ব্যক্তির মধ্যেও এমন সম্পর্ক স্থাপন সম্ভব। মজার ব্যাপার হল, কিছু কিছু গবেষক বলছেন, মেন্টাল টেলিপ্যাথি হতে পারে দুজন পরিচিত লোকের মধ্যেই যেমন স্বামী-স্ত্রী, প্রেমিক প্রেমিকা, দুই বন্ধু, মা ও সন্তান। তবে সম্পূর্ণ অপরিচিত লোকের সঙ্গেও টেলিপ্যাথিক যোগাযোগ হওয়াও অসম্ভব নয়।

অনেকেই মনে করেন যে, প্রত্যেক মানুষেরই টেলিপ্যাথির মাধ্যমে যোগাযোগ করার ক্ষমতা রয়েছে। তবে টেলিপ্যাথির মাধ্যমে যোগাযোগ স্থাপন করার জন্য দরকার তীব্র মনোসংযোগ।

যোগাযোগ স্থাপনের পদ্ধতি—

মনকে একাগ্র করুন

আগেই বলা হয়েছে, টেলিপ্যাথিক যোগাযোগের জন্য দরকার নিবিড় মনোনিবেশের। তাই আগে মনকে একাগ্র করতে জানতে হবে। মন শান্ত করার জন্য আগে নিরিবিলি জায়গা বাছুন। চোখ বন্ধ করুন। চোখের সামনে একটি আলোক বিন্দুকে কল্পনা করুন। মিনিট কুড়ি এভাবে ধ্যান করুন ও ওই আলোকবিন্দু ছাড়া মন থেকে বাকি সব ধরনের চিন্তা দূরে সরান।

শ্বাস নিন লম্বা ও ধীরে। ধ্যান করার সময় আঁটসাঁট জামাকাপড় পরবেন না। শরীরে কষ্ট হলে মনকে একাগ্র করা সম্ভব নয়। ধ্যান করার একটাই কারণ— চিন্তাকে একমুখী করা। বলা হয়, যাঁরা প্রতিদিন ধ্যান করেন, তাঁরা সহজেই টেলিপ্যাথির মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন। অবশ্য আপনার আগে থেকেই মন শান্ত থাকলে ধ্যান করতে নাও হতে পারে।

যোগাযোগ স্থাপন

যে ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাইছেন, তাকে কল্পনা করুন। মনে করুন, সে ঠিক আপনার সামনে দাঁড়িয়ে বা বসে রয়েছে। মনের চোখ দিয়ে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখুন তাঁর চোখের রং, দেহের আকার, উচ্চতা, চুলের রং। আপনার বার্তার গ্রাহক যদি খুব দূরে থাকে, সেক্ষেত্রে তার ছবি চোখের সামনে রেখেও বার্তা পাঠানোর চেষ্টা করতে পারেন।

এবার কল্পনা করুন, আপনার বার্তা গ্রাহকের সঙ্গে যখন সামনা-সামনি কথা হয়, তখন মনের মধ্যে কেমন আবেগ কাজ করে। সেই অনভূতিগুলি ফের জাগিয়ে তুলুন। বিশ্বাস করতে শুরু করুন যে ওই ব্যক্তির সঙ্গে সত্যিই আপনি যোগাযোগ স্থাপন হয়েছে। সে আপনার যোগাযোগ করার চেষ্টায় সাড়া দিচ্ছে।

বার্তা প্রেরণ

এবার কোনও কথা বা বস্তুর সম্পর্কে ভাবুন। ধরা যাক আপনি বার্তা গ্রাহককে আপেলের ছবি পাঠাতে চান। মনে মনে আপেলের ছবি তৈরি করুন। আপেলের রং, তার আকার সম্পর্কে ভাবুন। চাইলে আপেলে কামড় বসিয়ে তার স্বাদও টের পেতে পারেন। এবার কল্পনা করুন আপেলটি সত্যি সত্যিই, আপনার মন থেকে তার মনে ভেসে যাচ্ছে।

এই সময় মুখে ‘আপেল’ শব্দটিও বলতে পারেন। মনের চোখে দেখুন, ওই ব্যক্তি সত্যিসত্যিই আপনার পাঠানো ‘আপেলটি’ দেখতে পাচ্ছে। তার মুখের ভঙ্গিমায় সেকথা বোঝা যাচ্ছে। এই ভাবে নিজের মনের কথাও বার্তা গ্রাহককে পাঠাতে পারেন। এইভাবে নিজের বার্তা পাঠানো হয়ে গেলে শান্তভাবে শ্বাস নিন ও ছাড়ুন। শরীর আলগা করে দিন। যেন বার্তাটি আপানার মন ও শরীর থেকে ভেসে তার কাছে পৌঁছে গিয়েছে। আর আপনার কোনও দায় নেই।

অনুশীলন করুন

বার্তা আদৌ পৌঁছেছে কি না তা অনেকগুলো বিষয়ের উপর নির্ভর করে। প্রথমত বার্তা গ্রাহক কোন অবস্থায় রয়েছেন। তার মানসিক অবস্থা কেমন। গত কয়েকদিনের মধ্যে আপনার সঙ্গে তার মনোমালিন্যের ঘটনা ঘটেছে কি না ইত্যাদি। তাছাড়া, আদৌ টেলিপ্যাথিক যোগাযোগে আপনি সফল হচ্ছেন কি না তাও জানা দরকার।

তাই দূরে থাকা কোনও আত্মীয় বা বন্ধুর সঙ্গে টেলিপ্যাথির মাধ্যমে যোগাযোগ করার আগে, কাছাকাছি থাকা কোনও এক আত্মীয়ের সঙ্গে বিষয়টি প্র্যাকটিস করুন। দু’জনে একই সময়ে, পাশাপাশি দুটি ঘরে টেলিপ্যাথির মাধ্যমে যোগাযোগ করতে বসুন। আত্মীয়কে বার্তা প্রেরণ করুন। সে কোনও বার্তা বুঝতে পারলে খাতায় লিখে রাখতে বলুন।

প্রথম দিকে হতাশ হতে পারেন। তবে খাতায় সে কী লিখেছে সেটিও দেখুন। যেমন আপনি লাল রঙের আপেলের কথা ভেবেছেন ও তাকে বার্তা পাঠিয়েছেন। আর সে খাতায় লিখেছে ‘লাল’। এমন হলে বুঝতে হবে, ফলাফল খারাপ নয় মোটেই। এইভাবে যোগাযোগ পোক্ত হতে শুরু করলে টেলিপ্যাথির মাধ্যমে দু’জন আলাদা জায়গায় বসে কাটাকুটি খেলতে পারেন। সলভ করতে পারেন একই পাজল! এই ভাবে যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব বুঝলে দূরে থাকা ব্যক্তির সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব।

মনে রাখবেন;

মেন্টাল টেলিপ্যাথি তে, দুটি মানুষের মধ্যে মানসিক নৈকট্য থাকাটা খুব জরুরি। কারণ, নৈকট্য না থাকলে ফলাফল সম্পর্কে আপনি জানতেই পারবেন না। বলা হয়, টেলিপ্যাথির মাধ্যমে কানে শুনতে পান না বা চোখে দেখতে পান না এমন মানুষের সঙ্গেও যোগাযোগ করা সম্ভব। এমনকী মনুষ্যেতর প্রাণীর সঙ্গেও টেলিপ্যাথিক যোগাযোগ করা যায়। পোষা কুকুরের সঙ্গে এক পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, মালিক যেই মাত্র অফিস থেকে ঘরে ফেরার কথা ভাবছেন তখনই ঘরে বন্দী কুকুরটি উঠে দাঁড়াচ্ছে!

সূত্রঃ ইন্টারনেট

আরও পড়ুন

Like our Facebook page & see our videos on YouTube

What is quantum physics actually mean?

Put simply, it’s the physics that explains how everything works: the best description we have of the nature of the particles that make up matter and the forces with which they interact.

Quantum physics underlies how atoms work, and so why chemistry and biology work as they do. You, me, and the gatepost – at some level at least, we’re all dancing to the quantum tune.

If you want to explain how electrons move through a computer chip, how photons of light get turned to electrical current in a solar panel or amplify themselves in a laser, or even just how the sun keeps burning, you’ll need to use quantum physics.

The difficulty – and, for physicists, the fun – starts here. To begin with, there’s no single quantum theory. There are quantum mechanics. the basic mathematical framework that underpins it all. which was first developed in the 1920s by Niels Bohr, Werner Heisenberg, Erwin Schrödinger, and others.

It characterizes simple things such as how the position or momentum of a single particle or group of few particles changes over time.

But to understand how things work in the real world, quantum mechanics must be combined with other elements of physics – principally, Albert Einstein’s special theory of relativity, which explains what happens when things move very fast – to create what is known as quantum field theories.

Three different quantum field theories deal with three of the four fundamental forces by which matter interacts: electromagnetism, which explains how atoms hold together; the strong nuclear force, which explains the stability of the nucleus at the heart of the atom, and the weak nuclear force, which explains why some atoms undergo radioactive decay.

Over the past five decades or so these three theories have been brought together in a ramshackle coalition known as the “standard model” of particle physics.

 

For all the impression that this model is slightly held together with sticky tape, it is the most accurately tested picture of matter’s basic working that’s ever been devised. Its crowning glory came in 2012 with the discovery of the Higgs boson, the particle that gives all other fundamental particles their mass, whose existence was predicted on the basis of quantum field theories as far back as 1964.

Conventional quantum field theories work well in describing the results of experiments at high-energy particle smashers such as CERN’s Large Hadron Collider, where the Higgs was discovered, which probe matter at its smallest scales.

But if you want to understand how things work in many less esoteric situations – how electrons move or don’t move through solid material and so make a material a metal, an insulator, or a semiconductor, for example – things get even more complex.

The billions upon billions of interactions in these crowded environments require the development of “effective field theories” that gloss over some of the gory details.

The difficulty in constructing such theories is why many important questions in solid-state physics remain unresolved – for instance why at low temperatures some materials are superconductors that allow current without electrical resistance, and why we can’t get this trick to work at room temperature.

But beneath all these practical problems lies a huge quantum mystery. At a basic level, quantum physics predicts very strange things about how matter works that are completely at odds with how things seem to work in the real world. Quantum particles can behave like particles, located in a single place, or they can act like waves, distributed all over space or in several places at once.

How they appear seems to depend on how we choose to measure them, and before we measure they seem to have no definite properties at all – leading us to a fundamental conundrum about the nature of basic reality.

This fuzziness leads to apparent paradoxes such as Schrödinger’s cat, in which thanks to an uncertain quantum process a cat is left dead and alive at the same time. But that’s not all. Quantum particles also seem to be able to affect each other instantaneously even when they are far away from each other.

This truly bamboozling phenomenon is known as entanglement, or, in a phrase coined by Einstein (a great critic of quantum theory), “spooky action at a distance”. Such quantum powers are completely foreign to us, yet are the basis of emerging technologies such as ultra-secure quantum cryptography and ultra-powerful quantum computing.

But as to what it all means, no one knows. Some people think we must just accept that quantum physics explains the material world in terms we find impossible to square with our experience in the larger, “classical” world. Others think there must be some better, more intuitive theory out there that we’ve yet to discover.

In all this, there are several elephants in the room. For a start, there’s a fourth fundamental force of nature that so far quantum theory has been unable to explain.

Gravity remains the territory of Einstein’s general theory of relativity, a firmly non-quantum theory that doesn’t even involve particles.

Intensive efforts over decades to bring gravity under the quantum umbrella and so explain all of fundamental physics within one “theory of everything” have come to nothing.

Read more about quantum physics in bangla: টেলিপ্যাথি কী? টেলিপ্যাথি’র মাধ্যমে কীভাবে যোগাযোগ হয়ে থাকে?

Meanwhile, cosmological measurements indicate that over 95 percent of the universe consists of dark matter and dark energy. stuff for which we currently have no explanation within the standard model, and conundrums such as the extent of the role of quantum physics in the messy workings of life remain unexplained.

The world is at some level quantum but whether quantum physics is the last word about the world remains an open question. Richard Webb