What to do if there is a sudden tension in the muscles?

What to do if there is a sudden tension in the muscles, especially the leg and neck muscles/veins? Why is this and what is the treatment?

Sudden tension in the muscles or veins can be said to be one of the most talked-about problems in recent times! In a tea party or any other story, you just said that one day my leg muscles started to get so tense that my legs would bend and move backward! And I was fainting in pain! Diameter! You will see that the companions of the story have started talking about their experiences one by one!

There are several possible causes for tension in the muscles or tendons of the legs or arms.

1. Dehydration and disruption of blood circulation!

2. Lack of sodium or potassium ions in the blood

3. Overwork

4. Shortness of rest before or after exercise

5. Vitamin A / B deficiency

Runners, athletes as well as those of us are ordinary people but the problem is occasional. I've had it five times. Just before waking up twice!

Things to do:

The muscles have to be relaxed by holding the leg or arm in the opposite direction to where it is trying to bend.

This is an immediate effort. Then bake hot or cold.

Saline drinks, especially coconut water, are very effective in treating and preventing this problem.

It is also possible to reduce and prevent the effects of this problem by taking vitamin A and B complexes.

And yes, you need to drink plenty of water. There should be no shortage of water in the body.

Dad and Mom have been to the village house a few times. I asked them to drink vitamin B complex and coconut water. No problem for a long time.

Thanks for Reading.
CEO & FOUNDER, MAKTOMINE.COM Like our Facebook Page See our videos on YouTube

The most interesting traits of intelligent people, and why?

Psychologists and other experts have come up with many ways of looking at human intelligence.

You’ve probably heard of IQ (intelligence quotient) tests. These assessments are specifically designed to measure aptitude and ability. Many experts believe a single test can’t give a clear picture of intelligence, in part because there are multiple types of intelligence to consider. One popular theory, introduced by psychologist and professor Howard Gardner, suggests nine different types of intelligence exist.

Wondering how intelligence shows up for you? Here’s a look at 11 signs of varying types of intelligence.

   1. You can’t pull them into humdrum storms, chit chat and small talk. They get bored with that and even loathe them. Start an interesting topic and they will dive in as if they had always been there. 2. They don’t waste time doing superficial, uninteresting, usual, common things that don’t benefit them in the long run, whether at work or at meetings, discussions, debates or even fights. They know when to lose in order to gain later or lose less in order to gain more. Their calculation is unnerving and not always obvious. 3. They will gladly let you be wrong if they think correcting you is not beneficial in any way. So if one is asking for casual advice the intelligent will usually say very little or nothing at all. 4. They have different and sometimes (well, most of the times) weird opinion/ ideas and questions that can unsettle most people and even irritate them. 5. They are hazardous for teamwork and more hated than respected for their singularity. If you are intelligent and highly respected- you must be a top gun. 6. Watch out. They usually break rules, try to make their own rules, and will question authority, systems, governing bodies. 7. They have two personalities: one for general people so they don’t appear as snobs, the other (the real one) for those people and situations where they can afford to speak their mind. 8. They cannot handle common boring mundane stuff and they cannot understand how others can actually handle it with pleasure and without complaints. 9. No matter what they do, whether eating, bathing, walking, watching TV, their minds are always at work trying to figure out the greater questions that may or may not have to do with worldly success at all. Their brains are always on the run. 10. One may watch a movie and can’t get past how terribly hot the actress looked; they will be thinking about the abstract plot of the film, raising questions from the story and finding its answers. One may admire a monument, while they will be wondering over the significance of the monument and how it may have affected people in past times. 11. They like to answer the Hows and Whys, rather than be awed by the finished product. Sometimes for no other reason than to connect and appreciate the works of another intelligent mind that put just as much intelligence and thought into their project. Some might take this to mean intelligent people dislike other people in general or have few friends, but here’s another take: Both introversion and intelligence typically involve spending time in your own head, where you might reflect on problems, brainstorm new ideas, and mull over past experiences. This doesn’t necessarily mean people who choose canine companions are less intelligent. These findings simply offer some insight into how your unique abilities might guide your pet preference. Certain traits associated with dog people, like extroversion, might even suggest higher interpersonal intelligence. There are plenty of ways to look at intelligence, but most experts recognize that it goes well beyond book smarts. Thanks for reading and support.

মাথা ঘুরলে করণীয় কি ? হঠাৎ মাথা ঘোরার কারণই বা কি ?

হঠাৎ মাথা ঘুরতে শুরু করলে কারও মনে হতে পারে, তিনি নিজেই যেন ঘুরছেন। আবার কেউ ভাবেন, চারপাশটা ঘুরছে বা দুলছে। অনুভূতি যেমনই হোক না কেন, মাথা ঘোরার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। অনেক কারণেই মাথা ঘুরতে পারে। তবে মূলত কানের ভেতরে ভেস্টিবুলোককলিয়ার নামের স্নায়ুতে সমস্যার কারণে বেশি মাথা ঘুরে থাকে।

এ বিষয়ে জাতীয় নিউরোসায়েন্স ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ডা. এম এস জহিরুল হক চৌধুরী বলেন, হঠাৎ করে বসা, হঠাৎ করে দাঁড়িয়ে পড়া, কাজের চাপ ইত্যাদি নানা কারণে অনেকের মাথা হঠাৎ করে ঘুরে উঠতে পারে। মাথা ঘুরছে মনে হলেই কোথাও বসে পড়তে হবে অথবা হাত দিয়ে কিছু একটা ধরে ফেলুন।

কিছুক্ষণ বসে থাকলে তা আবার ঠিকও হয়ে যায়। তাই এ নিয়ে কেউ খুব বেশি মাথা ঘামান না। এটা ঠিক নয়।

হঠাৎ মাথা ঘোরার কারণ:

অতিরিক্ত পরিশ্রম, দুশ্চিন্তা, কিছু ওষুধ সেবন, অন্তঃকর্ণের রক্তবাহী নালির অস্বাভাবিকতা, অন্তঃকর্ণের প্রদাহ, মধ্য কানের প্রদাহ, মেনিয়ারস রোগ, অস্বাভাবিক দৃষ্টিগত সমস্যা। বেশি উঁচুতে উঠে নিচের দিকে তাকালে এবং চলন্ত ট্রেন বা গাড়ি থেকে প্ল্যাটফর্মের দিকে তাকালে মাথা ঘোরা। অনিয়ন্ত্রিত উচ্চরক্তচাপ; মাথার পেছন দিকে ও ঘাড়ের রক্তনালিতে বাধা বা রক্ত সরবরাহে ত্রুটি; মস্তিষ্কের নিচের দিকে টিউমার, পানি জমাট বা মাল্টিপল স্লেরসিসনামের রোগ; ভাইরাসজনিত ভেস্টিবুলার নিউরাইটিস; মধ্যবয়সীদের মিনিয়ার্স রোগ; আঘাতজনিত কারণে পেট্রাস হাড়ের ক্ষতি ইত্যাদি কারণেও মাথা ঘুরতে পারে। এ সমস্যার পাশাপাশি কানের ভেতর শোঁ-শোঁ বা দপ দপ শব্দ হতে পারে।

কখনো কখনো মাথার অবস্থান পরিবর্তন করলে সমস্যাটা বাড়ে-কমে। আনুষঙ্গিক সব তথ্য চিকিৎসককে জানাতে হবে।

এ রকম আচমকা মাথা ঘুরতে থাকলে

মাথা ঘুরলে শরীরের ভারসাম্য থাকে না। এ রকম অবস্থায় পড়ে গিয়ে আঘাত পাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই একটা অবলম্বন আঁকড়ে ধরে বসে পড়াই ভালো।

যাঁদের ‘বিনাইন পজিশনাল ভারটিগো’ নামের সমস্যাটি আছে, হঠাৎ ঘাড় বা মাথার অবস্থান পরিবর্তন করলেই তাঁদের মাথা ঘোরা শুরু হয়।

এ জন্য রাতে পাশ ফিরে না শুয়ে তাঁরা চিত হয়ে একটু উঁচু বালিশে মাথা দিয়ে শোবেন। হঠাৎ করে মাথা বা ঘাড় উঁচুতে টানটান করবেন না, মাথা ঝাঁকাবেন না।

মাথা ঘুরলে করণীয় কি ?

যা করবেন না

  • আপনার হঠাৎ মাথা ঘুরতে থাকলে আপনি যে কাজটা করছিলেন সেই কাজ করা থেকে নিজেকে বিরত রাখুন। চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ুন। বন্ধ করুন চোখ দুটো। সহজভাবে শ্বাস নিন এবং সাহায্যের জন্য কাউকে ডাকুন।
  • আপনি গাড়ি চালাতে থাকলে পা ব্রেকের ওপর রাখুন এবং থেমে পড়ুন। শুয়ে পড়ুন পাশের আসনে। ভাগ্যের ওপর নিজেকে ছাড়বেন না কখনোই। আপনি দুর্ঘটনা ঘটিয়ে ফেলতে পারেন, যদি আপনার মাথা ঘোরা মারাত্মক হয়।
  • আপনি অতিরিক্ত পরিশ্রম করলে মাথা ঘোরার অভিজ্ঞতা হতে পারে। কাজ করবেন পরিকল্পনা মাফিক এবং আপনার সাধ্যের মধ্যে। কখনো সীমা অতিক্রম করবেন না। আগে চিন্তা করে তারপর কাজে হাত দেবেন।
  • দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকবেন না। কাজের চাপে এক বেলার খাবার না খেলে এবং রক্তে চিনির মাত্রা কমে গেলে দ্রুত খেয়ে নিন। রক্তে চিনির মাত্রা কমে গেলে আপনার মাথা ব্যথা ও মাথা ঘোরার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে:

বিশেষ করে গরমের সময় প্রচুর তরল পান করবেন। শরীরে পানির পরিমাণ কমে গেলে মাথা ঘোরার সমস্যা দেখা দেয়। তাই শরীর যাতে পানিশূন্য হয়ে না পড়ে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে। শরীরকে সব সময় পানিপূর্ণ রাখবেন।

সতর্কতার সঙ্গে ওষুধ সেবন:

অনেক ওষুধ আমরা সচরাচর গ্রহণ করে থাকি। যেমন-অ্যান্টিহিস্টামিন, অ্যান্টিবায়োটিক, উচ্চরক্তচাপের ওষুধ ও আলসারের ওষুধ। এসব ওষুধ মাথা ঘোরার উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে।

কোনো ওষুধ গ্রহণে এমন সমস্যা হলে ডাক্তারকে জানান। তিনি ওষুধ পরিবর্তন করে দেবেন।

মাথা ঘোরা অবহেলা করবেন না:

আপনার মাঝেমধ্যেই মাথা ঝিমঝিম করলে কিংবা মাথা ঘুরলে তা অবহেলা করবেন না। ওপরের পরামর্শ মেনে চলুন এবং চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন। কীভাবে মাথা ঘোরা শুরু হয়?

এটি কি হঠাৎ করে শুরু হয় এবং অল্প সময় থাকে?

নাকি মাথা ঘোরা দীর্ঘ সময় থাকে এবং এটি মাঝেমধ্যেই হয়? কানের উপসর্গ আছে কি না, আবার অজ্ঞান হয়ে পড়েন কি না?

এসব জেনে আপনার কী কারণে মাথা ঘুরছে সেটি ঠিকমতো নির্ণয় করা গেলে সঠিক ও কার্যকর চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে।

কার্যকর চিকিৎসার জন্য সঠিক রোগ নির্ণয় জরুরি। আর মাথা ঘোরার চিকিৎসা নির্ভর করে মাথা ঘোরার কারণ ও ধরনের ওপর। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ গ্রহণ করতে পারেন। এতে মাথা ঘোরা কমবে এবং আপনি অনেক ভালো অনুভব করবেন।

Read More: অতীত ভোলার উপায় কী? কষ্ট কমানোর জন্য কি কি করতে হবে? মানুষ সৃষ্টি মাটি থেকে, কোরআন এবং বিজ্ঞান এর প্রমাণ ও ব্যাখ্যা অফলাইন এবং অনলাইনে বিজনেসে বিনিয়োগ পন্থা

লেখক: চিকিৎসক

আমাদের ফেসবুকে ফলো করতে পারেন Makto Mine

হঠাৎ করে বসা অবস্থা থেকে উঠে দাঁড়ালে মাথা ঘুরে কেন? করণীয় কী?

১. আপনি বসে থাকার মানে হলো শরীরকে গুটিয়ে নেওয়া। বসে থাকা অবস্থায় আপনার শরীরে তুলনামূলকভাবে অধিক বক্রাকারে রক্ত প্রবাহিত হতে থাকে।

হঠাৎ করে দাড়িয়ে গেলে শরীর সোজা হয়ে যায়, কিন্তু বক্রাকারে চলিত রক্তপ্রবাহ শরীরের হঠাৎ সরল আকারে পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারেনা, অর্থাৎ রক্তপ্রবাহ নিচ থেকে স্বাভাবিক গতিতে উপরে গিয়ে পৌঁছাতে পারেনা।

ফলে শরীরের উপরের অংশ অর্থাৎ মাথায় ক্ষণিকের জন্য রক্ত প্রবাহ হ্রাস পায়। একারনেই বসা থেকে দাড়িয়ে পড়লে মাথা ঘুরায়।

২. এই সমস্যার সঙ্গে নার্ভ বা স্নায়ুর সম্পর্ক আছে। অনেকেরই স্নায়ুর সমস্যার কারণে হঠাৎ শোয়া অবস্থা থেকে উঠলে বা বসা অবস্থা থেকে উঠলে মাথা ঘুরে যায়। কয়েক সেকেন্ডের জন্য চোখে অন্ধকার দেখেন অনেকে।

নার্ভের সমস্যা থেকেই এটি হতে পারে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তাই এটিকে অবহেলা না করাই ভালো। আপনার যদি এই সমস্যা থেকে থাকে তাহলে এখনই ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কারণ নার্ভের সমস্যা অবহেলা করলে তার থেকে ভবিষ্যতে বড় বিপদ হতে পারে।

৩. অনেকের সঙ্গে আবার ব্লাড প্রেশারের কারণে এই ঘটনা ঘটে থাকে। রক্ত চাপ কম থাকলে অনেক সময় হঠাৎ করে উঠে দাঁড়ালে মাথায় সঠিক পরিমাণ রক্ত পৌঁছায় না। যার ফলে অনেকের এই মাথা ঘোরার সমস্যা হতে পারে।

তাই আপনার এই সমস্যা থাকলে নিজের প্রেশার চেক করিয়ে নিন তারপর ডাক্তারের পরামর্শ মতো প্রেশার স্বাভাবিক করার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন।

৪. পাহাড়ে বেড়াতে গেলে অনেকের এই সমস্যা দেখা যায়। বেশি উঁচু বাড়িতে উঠলেও অনেকের এই সমস্যা হয়। অনেকের লিফটে হয়। এটিও একপ্রকার স্নায়ুর সমস্যা। এই ক্ষেত্রেও ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

৫. কোনও দুর্ঘটনার ফলে যদি কেউ দীর্ঘক্ষণ অজ্ঞান থাকে, তাহলে সেই সময়টার জন্য মাথার স্নায়ুতন্ত্রে স্থায়ী সমস্যা তৈরি হতে পারে। সেই সমস্যা থেকেও এই রোগ দেখা দিতে পারে।

৬. মাথা ঘোরাটাকে মস্তিষ্কের বিপদসংকেত হিসেবেই ধরা হয়ে থাকে, যা শরীরের বিভিন্ন অংশে নানাভাবে প্রকাশ ঘটায়। কারো ক্ষেত্রে হৃদপিণ্ডের বেশি উঠা-নাম, রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া, আবার কারো কারো হয়ত চোখের সমস্যা, অর্থাৎ অস্পষ্ট দেখা, মাথাব্যথা, বমি বা বমিভাবও হয়ে থাকে।

সোর্সঃ ইন্টারনেট  

মা নিজেই শিক্ষা দিয়ে ছেলেটিকে শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক বানালেন

পিতৃহারা ৭-৮ বছর বয়সের ছেলেটি স্কুল হতে বাড়ীতে এসে মাকে বলল,
"মা, প্রিন্সিপাল আমাকে আদর করে কিছু ক্যান্ডি দিয়েছে। আর, তোমার জন্য এই চিঠিটা।"
মা চিঠিখানা খুলে পড়ে কেঁদে ফেললেন।
মায়ের চোখে জল দেখে ছেলেটি বলল, "মা,
কাঁদছ কেনো?"
চোখ মুছতে মুছতে মা বললেন, "বাবা,
এটা আনন্দের কান্না!"
বলেই ছেলেটিকে চুমু দিয়ে বললেন, "আমার
জিনিয়াস বাবা, তোকে চিঠিটা পড়ে শোনাই।"
মা আনন্দের সাথে চিৎকার করে স্যার‌ের ল‌েখার ভাষা বদল‌ে নিজের মত কর‌ে পড়তে লাগলেন, "ম্যাম,
আপনার ছেলেটি সাংঘাতিক জিনিয়াস।
আমাদের ছোট্ট শহরে ওকে শিক্ষা দেওয়ার মত
শিক্ষক আমাদের নেই।
তাই, যদি পারেন আপনার ছেলেকে বড় শহরে
কোনো স্কুলে ভর্তি করে দিলে ভালো হয়। এই ছেলেটি একদিন বিশ্বে প্রচুর সুনাম অর্জন করবে।"
পত্রখানা পড়েই মা, ছেলেটিকে চুমু দিয়ে বললেন, "এই জিনিয়াস ছেলেটিকে আমি নিজেই পড়াব।"
মা নিজেই শিক্ষা দিয়ে ছেলেটিকে যুক্তরাষ্ট্রের তথা সমগ্ৰ পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক বানালেন
"টমাস আলভা এডিসন"
বৈদ্যুতিক বাল্ব, শব্দ রেকর্ডিং, মুভি ক্যামেরা বা চলমান ছবি ইত্যাদি সহ হাজারো আবিষ্কার তাঁর।
মায়ের মৃত্যর পর শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক টমাস আলভা এডিসন একদিন সেই ছোট্ট গ্রামে মায়ের সেই ছোট্ট বাড়ীতে গিয়ে ঘর পরিষ্কারের সময় স্কুলের প্রিন্সিপ্যালের দ‌েয়া চিঠিটা পেল। চিঠিখানা পড়ে টমাস কেঁদে দিল।
তাতে লেখা ছিল,
"ম্যাডাম,
আপনার ছেলে টমাস এডিসন একজন মেন্টালি রিটার্ডেড।
সে এতটাই নির্বোধ যে, তাকে শিক্ষা দেওয়ার মত ক্ষমতা আমাদের নেই।
কার'ও আছে বলেও আমাদের জানা নেই। আপনার ছেলের কারণে আমাদের স্কুলটির সুনাম ক্ষুন্ন হবে।
তাই কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আপনার ছেলেকে স্কুল থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হল।"
শিক্ষনীয়ঃ-
সন্তানের সাথে সর্বদাই পজিটিভ আচরন করবেন। বাসস্থান হল সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মা হলেন সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষক।
Like our Facebook Page and Subscribe to our YouTube Channel

সফলতা নাই জীবনে, তাহলে জেনে নিন কোনটি করলে কি হবে চাকুরী/ব্যবসা

মূলধন + হার্ড ওয়ার্ক = ব্যবসা

মূলধন + স্মার্ট ওয়ার্ক = উদ্যোগ

মূলধন + ব্যবসায়িক জ্ঞান = বিনিয়োগ

আইডিয়া + স্মার্ট ওয়ার্ক = স্টার্ট আপ

অভিজ্ঞতা + বিশ্বস্ততা = ফ্রি বিজনেস

দক্ষতা + সময় = চাকুরী

চাকুরীতে সবাই ট্রেডিং পলিসিতে সময় এবং দক্ষতা বিক্রি করে। আপনি যদি ব্যবসা/উদ্যোগ/বিনিয়োগ/স্টার্ট আপ এর ক্ষেত্রেও টাইম ট্রেডিং চালিয়ে যান। গ্যারান্টি দিয়ে বলা যায়, আপনি অচিরেই মুখ থুবড়ে পড়তে যাচ্ছেন। এগুলো করতে হ্যান্ডস ফ্রি থাকুন, যেন মাল্টিপল স্ট্রিমস অফ ইনকাম জেনারেট করতে পারেন। চাকুরী ছেড়ে যখন কিছু একটা করবেন, সেটা যেন আপনাকে রিল্যাক্স রাখে। নিজ ব্যবসার দেখাশুনা করুন, তবে সেই সাথে নিজেকে মূল্য দিতেও শিখুন। ব্যবসার ক্ষেত্রে এমন কিছু নিজে করবেন না, যেটা আপনার নিজ পারিশ্রমিকের একটি অংশ দিলে অন্য কেউ করতে পারে। সেই সময়টাতে নিজের ব্যবসাকে বড় করার প্ল্যানিং করুন এবং বাস্তবায়ন করুন।
যে আইডিয়াটা আজ মনে হচ্ছে দারুণ কিছু, ছোট্ট একটা রিস্ক নিয়ে সেই আইডিয়াটাই টেস্ট করে ফেলুন! মানুষ আগ্রহী হলে, এগিয়ে চলুন।

১. প্রথমে ভালোভাবে চিন্তা করুন

নিজের করণীয় সম্পর্কে তালিকা করার আগে আপনাকে ভাবতে হবে কি করা উচিত আর কি করা উচিত না।

সব লিখে তারপর দেখুন কোনটিকে বেশি অগ্রাধিকার দেয়া দরকার। চিন্তাগুলোকে একটি কাঠামোতে সাজিয়ে ফেলুন। দেখুন কোন সময়ে কোনটি করলে ভালো ফল আসবে। এভাবে ভেবে চিন্তে এগুতে থাকুন এবং তালিকাটি করেই ফেলুন।

এতে করে আপনি যাই করবেন তাতে একটি মানসিক সন্তুষ্টি থাকবে আপনার। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলেন আমরা একই সময়ে আমাদের মাথায় চারটি বিষয়কে রাখতে পারি।

২. নিজেকে আরও সফল করে তুলুন ব্যবসা/উদ্যোগ/বিনিয়োগ/স্টার্ট আপ এর মাধ্যমে 

তালিকাটি আক্ষরিক অর্থেই আপনাকে সফল করে তুলতে পারে এবং এটিই হতে পারে বেশি কার্যকর।

মনোবিজ্ঞানী জর্ডান পিটারসন দেখিয়েছেন যে শিক্ষার্থীরা একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে তাদের পারফরমেন্স ভালো হয়।

তাই একটি কলম নিন, সাথে এক টুকরো কাগজ।

নিজের লক্ষ্যগুলো লিখতে শুরু করে দিন।

৩. অর্থ সঞ্চয় করুন

নিজের অর্থ সঞ্চয়ের বিষয়ে ভাবতে হবে।

অর্থাৎ কোথায় গেলে আপনার জন্য সাশ্রয় হবে সেটিও জানা থাকা উচিত।

তাই ধরুন শপিংয়ে যাবেন, তাহলে লিখে ফেলুন কি কি কিনবেন।

তারপর দেখুন কোথায় সেটা আপনার জন্য সাশ্রয়ী হবে।

এটি আপনাকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় থেকে রক্ষা করবে।

৪. আত্ম-সন্দেহ থেকে মুক্ত থাকুন ও আত্মবিশ্বাসকে আরও জাগ্রত করুন

ধরুন হঠাৎ যদি মনে হয় যে জীবন আপনি পার করছেন তা যথেষ্ট ভালো নয়, তাহলো একটি সঠিক তালিকাই আপনাকে সে পরিস্থিতি থেকে বের করে নিয়ে আসতে পারে।

আপনি আপনার ছোট বড় সব অর্জনগুলো তালিকায় তুলে ফেলুন।

দেখবেন সত্যিই কি দারুণ সময় গেছে আপনার।

মানুষ এ আত্মবিশ্বাস নিয়েই সমস্যায় ভোগে।

তাই এ তালিকাটি করুন সেটি যে ধরণের সাফল্যই হোকনা কেন।

এরপর দেখুন নিজের যোগ্যতা সম্পর্কে আত্মবিশ্বাস আরও কিভাবে বাড়ে।

 
 

৫. নিশ্চিত করুন যে কোনো ভুল করছেন না

এটি আপনাকে কোনো বিপর্যয় থেকে রক্ষা করবে।

এ ধরণের একটি চেক লিস্ট তাই জরুরি।

বিয়ের পরিকল্পনা, বা ছুটিতে যাওয়ার পরিকল্পনা।

এ সময় লিখে ফেলুন কি কি দরকার।

দেখবেন দারুণ পরিকল্পনা হয়ে যাচ্ছে।

৬. সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনায় স্থির থাকতে নিজেকে সহায়তা করুন

আমাদের মস্তিষ্ক অনেক সময় মনে করিয়ে দেয় যে কোন কাজগুলো শুরু করেও আমরা শেষ করিনি।

আর এ কারণে যখন আপনি মনোযোগ দিয়ে কোনো কাজ করছেন তখন দেখবেন আরেকটি বিষয় মনে এসে আপনার কাজের ব্যাঘাত ঘটিয়ে দিচ্ছে।

এজন্য মনোবিজ্ঞানীরা বলেন কোনটা করবেন তা লিখে ফেলুন এবং সে অনুযায়ী কাজ করুন।

৭. যে জিনিসগুলো আপনাকে দমিয়ে রেখেছে সেগুলোর মুখোমুখি হোন

যেসব বিষয় আপনাকে এগুতে দিচ্ছেনা বা দমিয়ে রাখছে সেগুলোর মুখোমুখি হোন।

হয়তো মনে হবে বিষয়টি সুখকর নাও হতে পারে।

তারপরেও মোকাবেলা করুন।

দেখবেন শেষ পর্যন্ত সন্তুষ্টিই আসবে।

আমাদের ফেসবুক পেজ ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন
আমাদের ভিডিও গুলো দেখুন এখানে ক্লিক করুন