by Md Kawsar Munna | Mar 24, 2021 | Knowledge
পিতৃহারা ৭-৮ বছর বয়সের ছেলেটি স্কুল হতে বাড়ীতে এসে মাকে বলল,
"মা, প্রিন্সিপাল আমাকে আদর করে কিছু ক্যান্ডি দিয়েছে। আর, তোমার জন্য এই চিঠিটা।"
মা চিঠিখানা খুলে পড়ে কেঁদে ফেললেন।
মায়ের চোখে জল দেখে ছেলেটি বলল, "মা,
কাঁদছ কেনো?"
চোখ মুছতে মুছতে মা বললেন, "বাবা,
এটা আনন্দের কান্না!"
বলেই ছেলেটিকে চুমু দিয়ে বললেন, "আমার
জিনিয়াস বাবা, তোকে চিঠিটা পড়ে শোনাই।"
মা আনন্দের সাথে চিৎকার করে স্যারের লেখার ভাষা বদলে নিজের মত করে পড়তে লাগলেন, "ম্যাম,
আপনার ছেলেটি সাংঘাতিক জিনিয়াস।
আমাদের ছোট্ট শহরে ওকে শিক্ষা দেওয়ার মত
শিক্ষক আমাদের নেই।
তাই, যদি পারেন আপনার ছেলেকে বড় শহরে
কোনো স্কুলে ভর্তি করে দিলে ভালো হয়। এই ছেলেটি একদিন বিশ্বে প্রচুর সুনাম অর্জন করবে।"
পত্রখানা পড়েই মা, ছেলেটিকে চুমু দিয়ে বললেন, "এই জিনিয়াস ছেলেটিকে আমি নিজেই পড়াব।"
মা নিজেই শিক্ষা দিয়ে ছেলেটিকে যুক্তরাষ্ট্রের তথা সমগ্ৰ পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক বানালেন
বৈদ্যুতিক বাল্ব, শব্দ রেকর্ডিং, মুভি ক্যামেরা বা চলমান ছবি ইত্যাদি সহ হাজারো আবিষ্কার তাঁর।
মায়ের মৃত্যর পর শ্রেষ্ঠ বৈজ্ঞানিক টমাস আলভা এডিসন একদিন সেই ছোট্ট গ্রামে মায়ের সেই ছোট্ট বাড়ীতে গিয়ে ঘর পরিষ্কারের সময় স্কুলের প্রিন্সিপ্যালের দেয়া চিঠিটা পেল। চিঠিখানা পড়ে টমাস কেঁদে দিল।
তাতে লেখা ছিল,
"ম্যাডাম,
আপনার ছেলে টমাস এডিসন একজন মেন্টালি রিটার্ডেড।
সে এতটাই নির্বোধ যে, তাকে শিক্ষা দেওয়ার মত ক্ষমতা আমাদের নেই।
কার'ও আছে বলেও আমাদের জানা নেই। আপনার ছেলের কারণে আমাদের স্কুলটির সুনাম ক্ষুন্ন হবে।
তাই কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আপনার ছেলেকে স্কুল থেকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হল।"
শিক্ষনীয়ঃ-
সন্তানের সাথে সর্বদাই পজিটিভ আচরন করবেন। বাসস্থান হল সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মা হলেন সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষক।
by Md Kawsar Munna | Mar 24, 2021 | Information, Story
বেশ কিছু দিন পরই আসছে মাহে রমজান। সবাই খুশি থাকলেও মেয়েদের মনের কোথাও না কোথাও একটা ভয় থাকবেই।
ভাবছেন কিসের ভয়.
তাহলে শুনুন.
রমজানের প্রথম দিন থেকেই মেয়েদের ইনবক্সে খোঁজ খবর নেওয়া শুরু হয়ে যায়,যারা কখনো খোঁজ ও নেয়নী তারা ও খোঁজ নিতে উঠে পরে লাগে।
তাদের একটাই প্রশ্ন রোজা আছো?
হয়ত কোন মেয়ে পিরিয়ড নিয়ে বলে "হা"
অথবা অনেকে বলে "না" "পেট ব্যাথা " তাহলে হেঁসে লুটিয়ে পরে।
আচ্ছা, এটা কী মজা করার বিষয়?
এটা নিয়ে হাসি ঠাট্টা করার বিষয়?
তাদের মা, বোন দের কী পিরিয়ড হয় না? তখন ও কি মা বা বোন কে প্রশ্ন করে " মা রোজা রাখসো?"
একটা মেয়ে কতটা কষ্ট করে সেই দিন গুলোতে কেউ জানে? না জানতে চেয়েছে?
অসহ্য রকম পেট ব্যাথা নিয়ে এক গাল হাসি নিয়ে ঘুরে বেড়ায়।
যে পেট ব্যাথা একটি পুরুষের হলে সে হয়ত এরোকম প্রশ্ন করতেই ভয় পেতো।
একবার ভাবুন যে মেয়েটা অল্প কিছুতে ভয় পেয়ে যায় সে মাসে ৩-৭দিন অসহ্য ব্যাথা ব্লিডিং সহ্য করে।
একজন মুসলিম মেয়ের জন্য রমজান কতটা ইম্পরট্যান্ট, কিন্তু পিরিয়ড জন্য রোজা,নামাজ,কোরআন এইসব এবাদত বন্ধ হয়ে যায়।
পরিবারের অন্য সদস্য যারা এবাদত করছে,সেখানে একজন মেয়ে অসহ্য ব্যথা নিয়ে মানুষের কথা শুনতে হচ্ছে!! কেন???
"এটা তো মুসলিম নারীর জন্য অনেক কষ্টদায়ক। "
কখনো আপনার পিরিয়ড হলে ২-৩ দিন তাহলে বুঝতে পারতেন।।
এই পিরিয়ড জন্য আপনি আমি দুনিয়াতে এসেছি, এটা না হলে হয়তো আপনার আমার অস্থিত পৃথিবী থাকত না।
দয়াকরে এবার রমজানে কেউ কোন মেয়েকে এই প্রশ্নটা করবেন না।।
সম্মান করতে শিখুন মেয়েদের
সে তার পুরো যৌবন ত্যাগ করে কোন প্রকার অভিযোগ ছাড়া শুধুমাত্র তার পরিবার স্বামী ও সন্তানের জন্য ।
একবারও কি নিজের বোন, মার কথা ভেবেছি? ভাবিনি!
মেয়েদের সম্মান করতে না
পারেন অন্তত অসম্মান করবেন না।
কথাগুলো খারাপ লাগছে প্লিজ মাফ করবেন।
সবাইকে মাহে রমজান ও ইদের এর শুভেচ্ছা
ভা্লো লাগলে শেয়ার করবেন এবং ফেসবুকে ফলো করতে ভুলবেন না by Md Kawsar Munna | Mar 24, 2021 | Knowledge
মূলধন + হার্ড ওয়ার্ক = ব্যবসা
মূলধন + স্মার্ট ওয়ার্ক = উদ্যোগ
মূলধন + ব্যবসায়িক জ্ঞান = বিনিয়োগ
আইডিয়া + স্মার্ট ওয়ার্ক = স্টার্ট আপ
অভিজ্ঞতা + বিশ্বস্ততা = ফ্রি বিজনেস
দক্ষতা + সময় = চাকুরী
চাকুরীতে সবাই ট্রেডিং পলিসিতে সময় এবং দক্ষতা বিক্রি করে। আপনি যদি ব্যবসা/উদ্যোগ/বিনিয়োগ/স্টার্ট আপ এর ক্ষেত্রেও টাইম ট্রেডিং চালিয়ে যান। গ্যারান্টি দিয়ে বলা যায়, আপনি অচিরেই মুখ থুবড়ে পড়তে যাচ্ছেন। এগুলো করতে হ্যান্ডস ফ্রি থাকুন, যেন মাল্টিপল স্ট্রিমস অফ ইনকাম জেনারেট করতে পারেন। চাকুরী ছেড়ে যখন কিছু একটা করবেন, সেটা যেন আপনাকে রিল্যাক্স রাখে। নিজ ব্যবসার দেখাশুনা করুন, তবে সেই সাথে নিজেকে মূল্য দিতেও শিখুন। ব্যবসার ক্ষেত্রে এমন কিছু নিজে করবেন না, যেটা আপনার নিজ পারিশ্রমিকের একটি অংশ দিলে অন্য কেউ করতে পারে। সেই সময়টাতে নিজের ব্যবসাকে বড় করার প্ল্যানিং করুন এবং বাস্তবায়ন করুন।
যে আইডিয়াটা আজ মনে হচ্ছে দারুণ কিছু, ছোট্ট একটা রিস্ক নিয়ে সেই আইডিয়াটাই টেস্ট করে ফেলুন! মানুষ আগ্রহী হলে, এগিয়ে চলুন।
১. প্রথমে ভালোভাবে চিন্তা করুন
নিজের করণীয় সম্পর্কে তালিকা করার আগে আপনাকে ভাবতে হবে কি করা উচিত আর কি করা উচিত না।
সব লিখে তারপর দেখুন কোনটিকে বেশি অগ্রাধিকার দেয়া দরকার। চিন্তাগুলোকে একটি কাঠামোতে সাজিয়ে ফেলুন। দেখুন কোন সময়ে কোনটি করলে ভালো ফল আসবে। এভাবে ভেবে চিন্তে এগুতে থাকুন এবং তালিকাটি করেই ফেলুন।
এতে করে আপনি যাই করবেন তাতে একটি মানসিক সন্তুষ্টি থাকবে আপনার। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা বলেন আমরা একই সময়ে আমাদের মাথায় চারটি বিষয়কে রাখতে পারি।
২. নিজেকে আরও সফল করে তুলুন ব্যবসা/উদ্যোগ/বিনিয়োগ/স্টার্ট আপ এর মাধ্যমে
তালিকাটি আক্ষরিক অর্থেই আপনাকে সফল করে তুলতে পারে এবং এটিই হতে পারে বেশি কার্যকর।
মনোবিজ্ঞানী জর্ডান পিটারসন দেখিয়েছেন যে শিক্ষার্থীরা একটি প্রক্রিয়া অনুসরণ করলে তাদের পারফরমেন্স ভালো হয়।
তাই একটি কলম নিন, সাথে এক টুকরো কাগজ।
নিজের লক্ষ্যগুলো লিখতে শুরু করে দিন।
৩. অর্থ সঞ্চয় করুন
নিজের অর্থ সঞ্চয়ের বিষয়ে ভাবতে হবে।
অর্থাৎ কোথায় গেলে আপনার জন্য সাশ্রয় হবে সেটিও জানা থাকা উচিত।
তাই ধরুন শপিংয়ে যাবেন, তাহলে লিখে ফেলুন কি কি কিনবেন।
তারপর দেখুন কোথায় সেটা আপনার জন্য সাশ্রয়ী হবে।
এটি আপনাকে অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় থেকে রক্ষা করবে।
৪. আত্ম-সন্দেহ থেকে মুক্ত থাকুন ও আত্মবিশ্বাসকে আরও জাগ্রত করুন
ধরুন হঠাৎ যদি মনে হয় যে জীবন আপনি পার করছেন তা যথেষ্ট ভালো নয়, তাহলো একটি সঠিক তালিকাই আপনাকে সে পরিস্থিতি থেকে বের করে নিয়ে আসতে পারে।
আপনি আপনার ছোট বড় সব অর্জনগুলো তালিকায় তুলে ফেলুন।
দেখবেন সত্যিই কি দারুণ সময় গেছে আপনার।
মানুষ এ আত্মবিশ্বাস নিয়েই সমস্যায় ভোগে।
তাই এ তালিকাটি করুন সেটি যে ধরণের সাফল্যই হোকনা কেন।
এরপর দেখুন নিজের যোগ্যতা সম্পর্কে আত্মবিশ্বাস আরও কিভাবে বাড়ে।
৫. নিশ্চিত করুন যে কোনো ভুল করছেন না
এটি আপনাকে কোনো বিপর্যয় থেকে রক্ষা করবে।
এ ধরণের একটি চেক লিস্ট তাই জরুরি।
বিয়ের পরিকল্পনা, বা ছুটিতে যাওয়ার পরিকল্পনা।
এ সময় লিখে ফেলুন কি কি দরকার।
দেখবেন দারুণ পরিকল্পনা হয়ে যাচ্ছে।
৬. সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনায় স্থির থাকতে নিজেকে সহায়তা করুন
আমাদের মস্তিষ্ক অনেক সময় মনে করিয়ে দেয় যে কোন কাজগুলো শুরু করেও আমরা শেষ করিনি।
আর এ কারণে যখন আপনি মনোযোগ দিয়ে কোনো কাজ করছেন তখন দেখবেন আরেকটি বিষয় মনে এসে আপনার কাজের ব্যাঘাত ঘটিয়ে দিচ্ছে।
এজন্য মনোবিজ্ঞানীরা বলেন কোনটা করবেন তা লিখে ফেলুন এবং সে অনুযায়ী কাজ করুন।
৭. যে জিনিসগুলো আপনাকে দমিয়ে রেখেছে সেগুলোর মুখোমুখি হোন
যেসব বিষয় আপনাকে এগুতে দিচ্ছেনা বা দমিয়ে রাখছে সেগুলোর মুখোমুখি হোন।
হয়তো মনে হবে বিষয়টি সুখকর নাও হতে পারে।
দেখবেন শেষ পর্যন্ত সন্তুষ্টিই আসবে।