Sony 7 million cameras were removed from the market to

Short: In 1998, Sony accidentally released a Night Vision camcorder that had the ability to see through people’s clothes.

The situation was discovered by Greg Hunter who demonstrated the same with the help of two volunteer models. It was in 1998 when the Japanese electronics giant Sony was careless enough to release 700,000 camcorders that had the adroitness to see through people’s clothes.

When Sony get to realise:

As soon as Sony realized what havoc it had caused, the camcorders were immediately recalled. The camcorders having a visual appearance similar to a normal were equipped with a lens that uses IR (Infrared Rays) to allow a person to take pictures in the dark, termed as Night Vision. Dark clothes like swimsuits went transparent in front of those camcorders and it was in no matter of time, nude pictures of ladies were trending on the internet. “At least 12 Web sites feature pictures of women who look almost naked, even though they are wearing clothes or a swimsuit,” writes ABC. The see-through power in Sony’s camcorder was discovered by Greg Hunter, who was the Customer Correspondent at Good Morning America back in 1998. Hunter demonstrated how the camcorder was comfortable enough to peep inside the clothes of two volunteer models. A man who had a tattoo “Sosa” under his shirt and a woman who was wearing nothing under her black patterned skirt. Sony tried to ameliorate the situation by launching new camcorders that lacked see-through powers, but people were eager enough to find new ways to revamp the camcorder and impart see-through powers, which was done by the use of special filters.

Such camcorders went on sale for as high as $700.

However, Sony was bold enough to take no responsibility for those modified camcorders. Questions about the legal offences as a consequence of widespread use of the Sony camcorders were raised, that the judicial system was incompetent to deal with such situations, as no law could be used to charge such offenders. Although, wearing clothes does come under an individual’s privacy.

It’s an outrage — I think it would outrage anyone.

You go out in the street you don’t expect people to look under your clothes.
It’s such a basic expectation that any court in the country would find that this violates that right.
 
— said Martha Davis, the then director of the National Organization for Women’s Legal Defense Fund. She is currently working as a Professor of Law at the Northeastern University, Boston. Write your views in the comments section below. You can also read it.

মিয়া খলিফা লেবাননের পাশে দাঁড়াতে নিলামে তুললেন নিজের চশমা

এবার নিজেই নিলামে তুললেন নিজের বিখ্যাত চশমা ,কিন্তু কেন?

এক সময় পেশাদার পর্নস্টার হওয়ার জন্য মিয়া খলিফা খুনের হুমকি দিয়েছিল কট্টরপন্থীরা। নিজের দেশ লেবাননেও প্রবেশাধিকার হারান। কিন্তু দেশের সংকটে তিনি চুপ করে থাকলেন না। ভয়াবহ বিস্ফোরণে বিধ্বস্ত লেবাননের জন্য অর্থসংগ্রহ করতে নিজের বিখ্যাত চশমা নিলামে তুললেন প্রাক্তন পর্নস্টার মিয়া খালিফা। আর সংগৃহীত অর্থ তিনি ত্রাণে তুলে দিতে চান।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় মিয়া খলিফা জানিয়েছেন, তাঁর বিখ্যাত চশমা তিনি নিলামে তুলছেন। সেটি বিক্রি করে যে অর্থ তিনি পাবেন, তা বিস্ফোরণ বিধ্বস্ত দেশের রেড ক্রসের ত্রাণ তহবিলে তুলে দিতে চান। তিনি ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘আমি শুধু সৃজনশীল হওয়ার চেষ্টা করছি। অনেকে অনেকভাবে ত্রাণ সংগ্রহ করতে পারেন। তবে চাই না এই বিপর্যয়ের সময় আলোচনাটা অন্যদিকে ঘুরে যাক।’

মিয়া চশমাটি ই-বেয়'তে নিলামে তুলেছেন। সেটির মূল্য আপাতত এক লাখ ডলার ওঠেছে। নিলাম চালু থাকবে শনিবার বিকাল পর্যন্ত। এই নিলাম থেকে যা অর্থ উঠবে তা পুরোটাই লেবাননের রেড ক্রসের হাতে তুলে দেবেন মিয়া।

মিয়া খলিফা:

 (আরবি: ميا خليفة‎‎, জন্ম: ফেব্রুয়ারি ১০, ১৯৯৩), এছাড়াও মিয়া ক্যালিস্টা নামেও পরিচিত, একজন লেবানিয়-মার্কিন সামাজিক মাধ্যম ব্যক্তিত্ব, ওয়েবক্যাম মডেল এবং প্রাপ্তবয়স্ক মডেল, যিনি ২০১৪ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত পর্নোগ্রাফিক অভিনেত্রী হিসেবে সংক্ষিপ্ত কর্মজীবনের জন্য পরিচিত। বৈরুতে জন্ম নিয়ে খলিফা ২০০০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরিত হন। অক্টোবর ২০১৪ সালে তিনি পর্নোগ্রাফি চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন এবং ডিসেম্বরে পর্নহাব ওয়েবসাইট তালিকায় শীর্ষ স্থানে অবস্থান নেন। তার পেশা  নির্বাচন মধ্যপ্রাচ্যে বিতর্কের বিষয় হয়েছিল, বিশেষ করে একটি ভিডিও, যেখানে তিনি ইসলামিক হিজাব পরিহিত অবস্থায় যৌনকর্ম সঞ্চালন করেছিলেন। যদিও প্রায় তিন মাস পরই তিনি পর্ন শিল্প থেকে অবসর নিয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি ক্রীড়া ভাষ্যকার হিসেবে কাজ করছেন।

প্রাথমিক জীবন

খলিফা ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩ সালে লেবাননের বৈরুতে জন্ম নেন। পরবর্তীতে দশ বছর বয়সে, দক্ষিণ লেবাননের দ্বন্দ্বের জোরে জানুয়ারি ২০০১ সালে পরিবারের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরিত হন। তার পরিবার ছিল ক্যাথলিক এবং তিনি সেই ধর্মের অধীনে "অত্যন্ত রক্ষণশীল" পরিবারে বেড়ে উঠলেও পরবর্তীতে তার অনুশীলন করেন নি। তিনি বৈরেুতের একটি ফরাসি বেসরকারি বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন, যেখানে তিনি ইংরেজি শিখেছিলেন। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসার পর তিনি মন্টগোমেরি কাউন্টি, মেরিল্যান্ডে বসবাস করেন এবং সেখানকার উচ্চ বিদ্যালয়ে ল্যাক্রোসি বাজাতেন। খলিফা "সেখানকার সবচেয়ে কৃষ্ণাঙ্গ এবং অদ্ভুত মেয়ে" হিসেবে উচ্চ বিদ্যালয়ে উত্যক্তির শিকার হওয়ার কথা বলেছেন, যা ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পরে তীব্রতর হয়ে উঠেছিল।

২০১৫ সালে তিন মাসের মধ্যে ১১টি পর্নোগ্রাফিতে দেখা গিয়েছিল মিয়া খলিফাকে। যার মধ্যে হিজাব পরে একটি নীল ছবি ঝড় তুলেছিল গোটা বিশ্বে। ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর মিয়াকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় কট্টরপন্থীরা। পরে মিয়া জানিয়েছিলেন, পর্ন ইন্ডাস্ট্রিটে পা রেখে তিনি অনুতপ্ত ছিলেন।

পর্নোগ্রাফি পেশা

কলেজে অধ্যয়নের সময় খলিফা বারটেন্ডার হিসাবে কাজ করতেন এবং কিছু মডেলিংয়ের কাজও করেছিলেন। তিনি ডিল অ্যান্ড নো ডিল-এর মতোন স্থানীয় স্পেনিয় ভাষার টেলিভিশন গেম শোতে "ব্রিফকেস গার্ল" হিসাবে অভিনয় করেছিলেন। স্নাতক শেষ করার পরে, তিনি মিয়ামিতে চলে আসেন এবং নগ্ন মডেলিংয়ে কাজ করার জন্য তটস্থ ছিলেন। ২০১৪ সালের অক্টোবরে, খলিফা পর্ণোগ্রাফি চলচ্চিত্র শিল্পে প্রবেশ করেন। মিয়ামিতে হেটে বেড়ানোর সময় তাকে জিজ্ঞেস করা হয় যে, তিনি পর্নোচলচ্চিত্রে কাজ করতে আগ্রহী কি না। হিজাব পরিহিত অববস্থায় থ্রিসামকালীন একটি ব্যাংব্রোস দৃশ্যে অভিনয়ের কারণে তিনি ব্যাপকভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। এই দৃশ্যটি খলিফাকে তাৎক্ষণিক জনপ্রিয়তার পাশাপাশি লেখক এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সমালোচনার মুখোমুখি এনেছিল।  দৃশ্যটির প্রযোজক বলেছিলেন, "আমরা [খলিফার জাতিগোষ্ঠীত্ত্ব] সুযোগের সদব্যবহার করার চেষ্টা করছিলাম না। আমরা এটি অভিষঙ্গ করতে চেয়েছিলাম। যদিও এর নেতিবাচকতা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।" এক্সহ্যামস্টারের বিপণনের উপ-সভাপতি অ্যালেক্স হকিন্স বলেছিলেন, "আরব বিশ্বে যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল তা কিছুটা 'স্ট্রাইস্যান্ড এফেক্ট' হয়ে দাঁড়িয়েছিল। হঠাৎ, সবাই খলিফার সার্চ করছিল। তাকে সেন্সরের প্রচেষ্টা তাকে আরো সর্বব্যাপী করে তুলেছিল।"২০১৫ সালের হিসেবে, ১.৫ মিলিয়নেরও অধিক দর্শকসংখ্যার পাশাপাশি, ২২ বছর বয়সী খলিফা প্রাপ্তবয়স্ক ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট পর্নহাবের সর্বাধিক অনুসন্ধানকৃত মডেল হিসেবে উন্নীত হন। সে বছর ২৮ ডিসেম্বরে পর্নহাব তাদের ওয়েবসাইটে নাম্বার ১ স্থানে খলিফার নাম প্রকাশ করে বহুদর্শী লিসা অ্যানের পরিবর্তে।
সম্ভবত 'হিজাব পর্ন তারকা' হিসেবে খ্যাত মিয়া খলিফা, ২০১৪ সালের দিকে প্রচলিত মুসলিম পোশাকে ক্যামেরায় উপস্থিতির কারণে শিরোনাম হয়েছিলেন। ব্যাং ব্রোস চলচ্চিত্র স্টুডিও প্রথমে তার দেশ লেবাননে এই অবমাননার অবতাড়না ছড়িয়েছিল, যেখানকার বিদ্বেষীরা দাবী করেছিল যে তিনি (খলিফা) জাতির জন্য অকল্যাণ এনেছেন এবং ইসলামের অবমাননা করেছেন। লোডেডের সাথে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিয়া খলিফা বলেছিলেন, তিনি অনুভব করেছিলেন যে তাকে তার জন্মভূমিতে ইন্টারনেট সেন্সরশিপের বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে, এবং মার্কিন পর্ন তারকাদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সেখানকার আরও অনেকে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছিলেন। তারা দাবি করে যে 'তিনি অন্যদের তুলনায় অধিক শালীন।
তার এ খ্যাতি মধ্যপ্রাচ্যের রক্ষণশীল জনমনে কঠোর সমালোচনার অবতারণা করে, যেখানে তার পেশাজীবন লজ্জাকর ও কলঙ্কময় বলে মনে করা হয় এবং যে কারণে নিজ দেশেও খলিফার সম্মানহানি ঘটে।পর্নহাবে শীর্ষস্থান অধিকারের পরপর তিনি অনলাইন মৃত্যুর হুমকি পান, যার মধ্যে ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্টের একটি হস্তনির্মিত ছবিতে তাকে শিরচ্ছেদের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে এমন দেখানো হয়। একটি সতর্কবার্তায় তাকে নরকে যেতে হবে বলেও দাবী জানাো হয়, যার জবাবে তিনি বলেন, "আমি সম্প্রতি একটু চিন্তিত"।লেবানিয় সংবাদপত্র খলিফার সমালোচনামূলক নিবন্ধও ছাপা হয়, যা তিনি সে দেশের অন্যান্য ঘটনাগুলির তুলনায় তুচ্ছ বলে মনে করেন। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক সাক্ষাৎকারে, মিয়া খলিফা বলেন বিতর্কিত দৃশ্যটি ছিল বিদ্রুপাত্মক এবং এটি সেভাবেই গ্রহণ করা উচিত, এবং হলিউড চলচ্চিত্র যে কোনো পর্নোগ্রাফির তুলনায় অনেক বেশি নেতিবাচক ভাবে ইসলামকে চিত্রিত করা হয়ে থাকে বলে দাবি করেন। যারা সর্বজনীনভাবে খলিফার প্রাপ্তবয়স্ক পরিবেশনকারী হয়ে উঠার সিদ্ধান্তে সমর্থন জানাতে মুখ খোলেন তাদের মধ্যে ছিলেন ব্রিটিশ-লেবানিয় লেখক নাসরি আতাল্লাহ, যিনি বিবৃতি দেন, "এই নৈতিক আবেগ... দুটি কারণের জন্য ভুল। প্রথম এবং সর্বাগ্রে, একজন নারী হিসেবে, তিনি তার শরীরের সঙ্গে যে কোনো কিছু করার অধিকার রাখেন। একজন সংবেদনশীল মানুষ হিসাবে, যিনি বিশ্ব জুড়ে অর্ধেক বাস করে, তিনি তার নিজের জীবনের দায়িত্বে রয়েছেন এবং যে দেশে তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন সেখান থেকে একেবারে কিছুই পান নি তিনি" নিজের বিতর্ক সম্পর্ক মিয়া খলিফা মন্তব্য করেছিলেন: "লেবাননে নারীদের অধিকারকে গুরুত্বের সাথে নেওয়া অনেক দূরের ব্যপার যেখানে একজন লেবানিয়-মার্কিন পর্ন তারকা বাস করতে পারে না। একসময় আমি মধ্যপ্রাচ্যের সর্বাধিক পশ্চিমা দেশ হিসাবে কীভাবে মানুষকে গর্বিত করেছিলাম তা এখন ধ্বংসাত্মকভাবে সেকেলে ও নিপীড়িত হিসাবে দেখি।" তাছাড়াও তিনি বলেন, তার পেশা নির্বাচনের কারণে তার বাবা তার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন। পর্ণহাব থেকে প্রাপ্ত উপাত্ত অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ৩-৪ জানুয়ারি, মিয়া খলিফার অনুসন্ধানকারীর সংখ্যা পাঁচ দফা উন্নীত হয়। যার এক চতুর্থাংশ অনুসন্ধানকারী ছিলেন লেবানন থেকে, মূল অনুসন্ধানকারী ছিল মধ্যপ্রাচ্যের সিরিয়া এবং জর্দানের কাছাকাছি অঞ্চল থেকে।  হিজাব সম্পর্কিত বিতর্কের কারণে, জুলাই ২০১৬ সালে, তিনি ব্রিটিশ পুরুষ ম্যগাজিন লোডেড কর্তৃক তাদের "দা ওয়ার্ল্ড'স টেন মোস্ট নটোরিয়াস পর্ন স্টার্স" তালিকায় পঞ্চম স্থানে অবস্থান নেন। আলমাজা, নামে লেবানিয় ব্রিউয়ারি, খালিফার স্বাক্ষরযুক্ত গ্লাসের পাশে তাদের বিয়ারের বোতল দেখিয়ে একটি বিজ্ঞাপন চালিয়েছিল, এই স্লোগান সহ: "আমাদের উভয়কেই ১৮+ রেট দেওয়া হয়েছে।" ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে পপ ব্যান্ড টাইমফ্লাইস তাকে শ্রদ্ধা জানাতে "মিয়া খলিফা" শিরোনামের একটি গান প্রকাশ করে। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে, খলিফা প্রতি মাসে একাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ব্যাং ব্র্রসের মূল কোম্পানির সাথে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। যদিও, দুই সপ্তাহ পরে, তিনি মত পরিবর্তন করে এই চুক্তি ত্যাগ করেন। বিশ্বব্যাপী তার প্রতি নেতিবাচক মনোভাব তাকে এই শিল্প ত্যাগ করতে প্ররোচিত করেছিল: ""এটি আমার জন্য দৃষ্টি-উন্মোচন ছিল। আমি এর কোনটিই চাই না, এটি ইতিবাচক বা নেতিবাচক হোক— যদিও এগুলির সবই নেতিবাচক ছিল। আমার বন্ধুবান্ধব ও পরিবার এবং সম্পর্ক কীভাবে ভুগছে সে সম্পর্কে আমি এ নিয়ে খুব বেশি ভাবিনি।" ২০১৬ সালের জুলাইয়ে, দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক সাক্ষাৎকারে, মিয়া খলিফা জানায় যে তিনি কেবল তিন মাসের জন্য পর্নোগ্রাফিতে অভিনয় করেছিলেন এবং এক বছরের আগেই "স্বাভাবিক কাজে" যুক্ত হতে পর্নশিল্প ছেড়ে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, "এটা আমার বিদ্রোহী পর্যায় ছিল বলে মনে করি। এটা সত্যিই আমার জন্য ছিল না। আমি ধীরে-ধীরে নিজেকে এর থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে চেষ্টা করি।" ২০১৬ সালের মে মাসের হিসাবে, খলিফা একজন ওয়েবক্যাম মডেল হিসেবে কাজ করছেন। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে, এক্সহ্যামস্টার প্রতিবেদন করেছে যে মিয়া খলিফা ২০১৬ সালের সর্বাধিক অনুসন্ধানকৃত প্রাপ্তবয়স্ক অভিনেত্রী ছিলেন। ২০১৮ সালে, পর্ন শিল্প ছাড়ার তিন বছর পরেও তিনি পর্নহাবের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন। ২০১৯ সালের আগস্টে, তিনি প্রকাশ করেছিলেন যে তিনি কেবল পর্ন শিল্পে কাজ করে US$১২,০০০ ডলার উপার্জন করেছিলেন, এবং পর্নহাব বা অন্য কোনও সাইট থেকে তিনি কখনই বাড়তি আয় গ্রহণ করেন নি।

পর্নোগ্রাফি-পরবর্তী কর্মজীবন

পর্নোগ্রাফি কর্মজীবন থেকে অব্যহতী নেবার পর, মিয়া খলিফা মিয়ামিতে প্যারালিগাল এবং বুককিপার হিসাবে কাজ করেন। একজন সামাজিক মাধ্যম ব্যক্তিত্ব হিসাবে তিনি নিজেকে প্রকাশ করেন, পাশাপাশি ওয়েবক্যাম মডেল এবং ক্রীড়া ভাষ্যকার হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি একটি ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা করেন; টুইচ লাইভ স্ট্রিমস এবং ওয়েবক্যাম মডেল হিসাবে পরিবেশন করেন। সদস্যতা ওয়েবসাইট প্যাট্রিয়নে আলোকচিত্র শুট, পণ্যদ্রব্য এবং একচেটিয়া সামগ্রীতে প্রবেশাধিকার বিক্রি করেন; এবং সামাজিক মাধ্যম ওয়েবসাইট ফাইন্ড্রোতে সুব্যক্ত আলোকচিত্র শুট এবং ভিডিও বিক্রয়ে নিয়োজিত হন। তিনি এবং গিলবার্ট অ্যারেনাস কমপ্লেক্স নিউজের ইউটিউব চ্যানেলের ২০১৭ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দৈনিক ক্রীড়া অনুষ্ঠান আউট অব বাউন্ডস সঞ্চালনের দ্বায়িত্বে ছিলেন। টাইলার কো-এর পাশাপাশি খলিফাকে স্পোর্টসবল-এর সহ-আয়োজক হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল, যেটির দ্বিতীয় মরসুমের ২০১৮ সালের ১৬ জুলাই এককভাবে রোস্টারটিথে প্রচারিত হয়েছিল। এর চূড়ান্ত পর্বটি ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর প্রকাশিত হয়েছিল। ২০১২ সালের বিবিসির হার্ডটালকের এক সাক্ষাৎকারে খলিফা পর্ন শিল্প এবং এর গোপনীয়তার ক্ষতির বিরুদ্ধে বক্তব্য রেখেছিলেন Follow Us On Facebook See Our Video On YouTube

সূত্রঃ গ্লোবাল নিউজ।

 

ডাক্তার জিভ দেখে কেন? জিভের রং কেমন হলে শরীরে কোথায় সমস্যা হয়

এই ব্যাপারটা ছোটবেলা খুব দেখেছি, তখন তো হোমিওপ্যাথি ডাক্তারের কাছেই বেশীর ভাগ সময় যাওয়া হতো।

ডাক্তার  এর কাছে কোনো অসুস্থতা নিয়ে গেলেই, শুনতে হতো,

ডাক্তার বলতো'দেখি হা করো, মুখ খুলে হা করো তো, জিভটা দেখি'

একটা টর্চ দিয়ে খুব মনোযোগের সাথেই জিভটা দেখতেন কিছুক্ষণ। তার রঙ কী করম, তার আকারই বা

কেমন। আসলে এগুলো দেখে শারীরিক সমস্যার কথা জানা যায়। কয়েক শতাব্দী পুরনো এই পন্থা আসলে চিনাদের চিকিত্‍সা পদ্ধতির অঙ্গ ছিল।

আজকাল তো আর সেরকম খুব একটা দেখি না, অসুখের কথা বললেই, প্যাডে কলম দিয়ে লেখার খসখস আওয়াজ শোনা যায়, লেখা হয়ে গেলো, Adv/ lipid profile, ultra sound, urine RE এসবই।

কেন জিভ দেখা হয়, সেটা সম্পর্কে যতটুকু জানি, শারীরিক অসুস্থতার সাথে জিভের রংয়ের সম্পর্ক রয়েছে।

অসুস্থতার জন্য জিভের স্বাভাবিক রংয়ে পরিবর্তন ঘটে, জিভে আস্তরণ পড়ে। জিভের ভেতরে আল জিভ যেটা আমরা বলি, সেটা অনেক সময় স্ফীত হয়ে যায়, সংক্রমণজনিত inflammation এর কারণে।

তাই জিভের রং, অসুস্থতা নিশ্চিত করতে একটি সহায়ক ফ্যাক্টর হিসেবে কাজ করে।

চলুন জ্বীভের কিছু সংকেত এর  ব্যাপার জেনে নেয়া যাক:

১) জিভের ওপর পাতলা সাদা আবরণ:

 জিভ মূলত আমাদের পরিপাকতন্ত্রের খবরাখবর জানায়। কারণ জিভ থেকেই এই তন্ত্রে শুরু। জিভের ওপর যদি পাতলা সাদা একটি আস্তরণ থাকে, তা হলে বুঝবেন হজমে কোনও সমস্যা নেই। পরিপাকতন্ত্র ঠিকমতো কাজ করছে।

২) মোটা সাদা আস্তরণ: 

এটা শরীর খারাপের সংকেত। এটা হলে বুঝবেন শরীরে কোথাও চোট রয়েছে অথবা ভেতরে ভেতর শরীর খারাপ হচ্ছে। শরীরে কোনও একটি অংশ ঠিক মতো কাজ করছে না।

৩) হলুদ আস্তরণ: 

মূলত জ্বর হলে জিভের ওপর হলুদ আস্তরণ পড়ে। দেহের তাপমাত্রা অনেক কারণে বাড়তে পারে। সেটা ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে, শরীরের কোনও অংশ ফুলে গিয়ে থাকতে পারে।

৪) উপরিভাগে লাল চাকা-চাকা চামড়া উঠে যাওয়া:

 এর অর্থ শরীরে এনার্জি বলতে কিছুই অবশিষ্ট নেই। কোনও অ্যালার্জির কারণেও এমনটা হতে পারে। চর্মরোগ, র‌্যাশ প্রভৃতি রোগের লক্ষণ হতে পারে। সুস্থ শরীরে জিভের স্বাভাবিক রং হাল্কা গোলাপি। এর অর্থ আপনার শরীরে বিশেষ কোনও সমস্যা নেই। পরিপাকতন্ত্রও ঠিকমতো কাজ করছে।

এ বার দেখে নিন জিভের রং কী রকম হলে শরীরে কোথায় সমস্যা দেখা যায়ঃ

আরও পড়ুনঃ অতীত ভোলার উপায় কী? কষ্ট কমানোর জন্য কি কি করতে হবে? মানুষ সৃষ্টি মাটি থেকে, কোরআন এবং বিজ্ঞান এর প্রমাণ ও ব্যাখ্যা

১) ফ্যাকাশে:

 জিভের রং যদি ফ্যাকাশে হয়ে যায় বুঝতে হবে হজম ঠিক মতো হচ্ছে না। ভেতরে ভেতরে ঠান্ডা লেগে রয়েছে। এর সঙ্গে যদি জিভ বার বার শুকিয়ে যায়, তা হলে তা অ্যানিমিয়ার লক্ষণ হতে পারে। তার সঙ্গে ইনসমনিয়া, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া প্রভৃতি রোগের লক্ষণ হতে পারে।

২) উজ্জ্বল লাল রং: 

এ রকম রং দেখলে বুঝবেন শরীরে কোথাও ইনফেকশন রয়েছে। প্রথমে জিভের ডগার দিকটাই লাল থাকবে। পরে তা পুরো জিভে ছড়িয়ে পড়বে।

৩) জিভের পাশে লাল রং: 

খুব মশলাযুক্ত খাবার খেলে, প্রতুর ফ্যাট জাতীয় এবং অ্যালকোহলের মাত্রা শরীরে বেশি হলে এমন রং হয়। কোষ্ঠকাঠিণ্যের মতো সংস্যা থাকলেও জিভের রং এমন হয়।

৪) নীল রং: 

শরীরে অক্সিজেনের অভাব হলে জিভের রং পাল্টে গিয়ে নীল বর্ণ হতে থাকে। ডাক্তারি ভাষায় একে সায়ানোসিস বলে। যদি এমনটা দেখেন অবিলম্বে চিকিত্‍সকের কাছে যান। রক্তে সমস্যা, হৃদযন্ত্রের সমস্যার মতো রোগ থাকতে পারে। তাই দেরি করা ঠিক নয়।

৫) কালো রং:

সাধারণ কারও কারও জন্ম থেকেই এ রকম রং থাকতে পারে। তবে যদি হঠাত্‍ কালো রং দেখেন তা হলে বুঝবেন এক সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ব্যাক্টেরিয়া জমা হয়েছে জিভে। তবে শুরু থেকেই এমনটা হবে না, প্রথমে হলুদ, তার পরে ব্রাউন, তার পর কালো রং হবে।

৬) হলুদ রং:

 জিভের রং সাধারণ এমন হয় না। যখন হবে, তখন বুঝবেন লিবারে বড় সংস্যা রয়েছে। সম্ভবত জন্ডিস হয়ে গিয়েছে। দেরি না করে ডাক্তারের পরাম৪শ নিন।

৭) পার্পল রং: 

দীর্ঘ দিন ধরে শরীরে কোনও সমস্যা থাকলে জিভের রং পার্পল হতে শুরু করেন। এটার অর্থ শরীরে ভিটামিন B-এর ভীষণ ঘাটতি রয়েছে। মনে রাখবেন, শরীরে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল জিভ। তবে আমরা অনেকেই এর খেয়াল রাখি না। প্রতিদিন জিভ পরিষ্কার রাখলে অনেক রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে।

তবে আমি তো ডাক্তার  নই, যদি কোথাও ভুল কিছু লিখে থাকি তাহলে ক্ষমা করবেন এবং প্রয়োজনে  ডাক্তার রা ও আছেন, তাঁরা এ ব্যাপারে আরো বিস্তারিত ব্যাখ্যা করতে পারবেন।

Follow Our Facebook Page See Our Video on YouTube

ধন্যবাদ।

 

Why is the smart person in the room often the quietest?

I believe that smart people have hunter-gatherer minds (intuitive in Myers-Briggs), whereas most people have farmer minds and these two are often not very compatible.

Hunter-gatherer people often become deeply introverted in childhood already, because they understand that they are different from the vast majority of people (INs only make up about 10{65d74b771b6ceff07eaefc19ffed56e0ab6ea89ffc0f0b38516c35f1ac414386} of the population) and when they grow up they feel they are misunderstood and that they can’t make a change anyway.

Read “The Little Prince” and you get an idea of what it is like for a gifted kid to grow up: you see the elephant inside the boa where others see a hat (NB: this is a metaphor):

“Whenever I encountered a grown-up who seemed to be intelligent, I would experiment on him with my Drawing Number One, which I have always kept. I wanted to see if he really understood anything.

But he would always answer, "That's a hat." … So I lived by myself, with no one to talk to”

So, what is the point of talking about something other people can’t see??? 90% of the time we would be wasting our energy and that is why we keep quiet. People would think we are crazy.

I believe that smart people have hunter-gatherer minds (intuitive in Myers-Briggs), whereas most people have farmer minds and these two are often not very compatible.

Hunter-gatherer people often become deeply introverted in childhood already, because they understand that they are different from the vast majority of people (INs only make up about 10{65d74b771b6ceff07eaefc19ffed56e0ab6ea89ffc0f0b38516c35f1ac414386} of the population) and when they grow up they feel they are misunderstood and that they can’t make a change anyway.

Read “The Little Prince” and you get an idea of what it is like for a gifted kid to grow up: you see the elephant inside the boa where others see a hat (NB: this is a metaphor):

“Whenever I encountered a grown-up who seemed to be intelligent, I would experiment on him with my Drawing Number One, which I have always kept. I wanted to see if he really understood anything.

But he would always answer, "That's a hat." … So I lived by myself, with no one to talk to”

So, what is the point of talking about something other people can’t see??? 90% of the time we would be wasting our energy and that is why we keep quiet. People would think we are crazy.

Thanks for reading, don't forget to share it with your friends and family. Like Our Facebook Page And see Our Videos On YouTube

Advice for a successful career and life. Jack Ma – Alibaba group

Jack Ma, originally Ma Yun, (born September 10, 1964, Hangzhou, Zhejiang province, China), a Chinese entrepreneur who was head of the Alibaba Group, which comprised several of China’s most popular Web sites, including the business-to-business marketplace Alibaba.com and the shopping site Taobao.com.

“We don’t want to be number one in China. We want to be number one in the world,” said Jack Ma shortly after he founded Alibaba

Building one of the world’s largest e-commerce companies doesn’t require specialized or technical knowledge, genius-level math—or even a business plan. So what does it take? Here’s the story that Jack Ma shares with the young, the richest man in China and, with about $35 billion in assets, one of the richest people in the world.

1. Have no idea what you want to do in life?

* I think Only when I was 40 years old did I start to know

* exactly what I wanted to do.

* I never thought in my life that I would be a businessman.

* and I never thought that I would be a teacher.

* So I became a teacher - I had never thought about it.

* I became an entrepreneur - I had never thought about it.

* And all of the other things.

* I wanted to be a policeman -rejected.

* I even wanted to be a waiter in KFC - rejected.

* Most of the dreams - you may think about it, but they don't work out.

2. You don't have to be the best.

* Don't try to be the best. Be the first.

* Be the first to change, be the first to take the challenge, be the first one to overcome the difficulties, because to be the best person - there's only one Olympic champion.

* I don't think I'm lucky enough to be that.

* But I can always try the new things and don't give up, believe it because you are so unique.

* Everybody is unique. Being yourself is always the key.

3. The world is full of opportunities.

* This world, today, is full of challenges and opportunities.

* Two thousand years ago, full of challenges and opportunities.

* And I'm suer Tow thousand years later, full of challenges and opportunities.

* There's always ...

* It depends on how you look at it.

* Somebody looks at this challenge as an opportunity.

* Young people say there are no opportunities.

* I complained a lot when I was young because I thought Bill Gates took all the opportunities for Microsoft, Steve Jobs, all these guys, There is no job, there's no great, big stuff left for us.

* But I think opportunity always lies in the challenges.

* Always lies in the complaints.

* If you can solve the challenge, you will be successful.

* The bigger the challenge you solve, the bigger the opportunity you have.

4. Want to be happy? Be healthy.

* I think life is a journey.

* you come to this world to enjoy life, to be happier and healthier.

* The day when you leave the world you say I'm happy with my life

* I'm healthy in this life,

* because if you're not healthy, you'll never be happy.

* So I believe happiness and health are the things that human beings are always looking for.

* And I think in the next 30 years, because of the technology,

* life sciences are going to change a lot.

* People are going to live longer.

* But living longer does not necessarily mean living healthier.

* So if you are not healthy, How can you be happy?

* If you live longer, If you're not happy, why do you live?

see it in the video

Jack Ma - Alibaba Group

READ MORE: How do I decide or taking important decisions wisely?

The beginning of the most popular search engine GOOGLE.

What is the easy way to know yourself?

What makes people smart and intelligent?