২ ডলারের ফেসবুক অ্যাড, ফেসবুকের সাথে বাটপারি এবং এর পরিণাম

ফেসবুক অ্যাড এর ক্ষেত্রে এখন প্রায়ই শোনা যায়, যে আমি বুস্ট করছি কিন্তু রেজাল্ট পাচ্ছিনা । আজকের আলাপ আলোচনা তাই ফেসবুক অ্যাড নিয়ে কোন জায়গাটায় না দুই নাম্বারি হচ্ছে? বিকাশের প্রতারকচক্র আছে, কিছুদিন আগে শুনলাম যে করোনার টিকা এখানেও নাকি ফোন করে প্রতারণা করা হচ্ছে, অনেক ফ্রীলান্সিং মারকেটপ্লেস নষ্ট হয়ে গেছে বিভিন্ন রকম প্রতারণার দায়ে,
এখন শুরু হয়েছে ফেসবুকে।
কথা হচ্ছে যে নিজের দেশে আপনি হয়তো বা বাটপারি করে, প্রতারণা করে অনেক কিছু হয়তো হাতিয়ে নেয়ার কথা চিন্তা করতে পারবেন, কিন্তু আন্তর্জাতিকভাবে আপনি যদি এটা করতে চান তাহলে আমার মনে হয় না এটা সম্ভব। আর সেটা যদি হয় ফেসবুকের মত বিরাট প্লাটফর্ম তাহলে তো অবশ্যই না।
দুই ডলারের ফেসবুক অ্যাড, ফেসবুক এর সাথে বাটপারি, এবং এর পরিণাম
একটু বিস্তারিতভাবে বলি, একটা সময় ফেসবুক থেকে কুপন দেয়া হতো সেখানে একটা কোড থাকত এবং আপনি সেই কোডটি নিজে ব্যবহার না করে অন্য কারো কাছে বিক্রি করতে পারতেন, কেউ আপনাকে টাকা দিত আপনি কোডটা দিয়ে দিতেন, সেই কোডটা ব্যবহার করে তারা অ্যাড দিতে পারতো যদিও সেটা ফেসবুক পলিসির বাইরে ছিল।   ফেসবুকে আর একটা ব্যাপার আছে যে ব্যাপারটার সুযোগ নিয়ে ফেসবুকের সাথে প্রতারণা করা হচ্ছে, সেটা হচ্ছে ফেসবুকের অ্যাড অ্যাকাউন্ট এ থেরাসহোল্ড আছে সেটা কিরকম? সেটা হচ্ছে আপনি আপনার কার্ডে ফেসবুকে অ্যাড করবেন এরপর ফেসবুক আপনাকে দুই ডলারের একটি থেরাসহোল্ড দিবে, থেরাসহোল্ড এর পরিমাণ আগে আরো বেশি ছিল কিন্তু ফেসবুকই আমাদের এই কাহিনী দেখে এটার পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছে, তারপরও এই দুই নাম্বারি গুলা বন্ধ হয়নি।   দুই নাম্বারি কি রকম? আপনার কার্ডে টাকা নেই আপনি সেই কার্ড ফেসবুকে এড করেছেন, ফেসবুকে অ্যাড দিয়েছেন সেই অ্যাড ২ ডলার পর্যন্ত চলেছে,এরপর ফেসবুক যখন নিয়ম অনুযায়ি ২ ডলার পর টাকা কাটতে গেছে, তখন তারা আপনার কার্ডে কোন টাকা পায়নি এবং না পেয়ে তারা আপনার অ্যাড একাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছে।   কিন্তু আপনার ২ ডলার অ্যাড হয়ে গেল ২ ডলারে আপনি কিছু সেল পেলেন , লাইক পেলেন আরো অনেক কিছু পেলে্‌ এখন চিন্তা করেন এরা কি করছে তারা ফেক অ্যাকাউন্ট তৈরি করছে, একশটা অ্যাকাউন্ট যদি তৈরি করতে পারে তাহলে ১০০ থেকে ২০০ ডলারের অ্যাড দিতে পারছে।   এই ফেক অ্যাকাউন্ট খোলে তারা সাধারণ মানুষজনের কাছে, যারা অনলাইনে বিজনেস করে তাদের কাছে "কুপন" বলে বিক্রি করছেন ৩০ টাকা ৪০ টাকা ৫০ টাকা এরকম করে, এবং যারা কিনছেন তারা মনে করছে যে ১০০ টাকা বা ১১০ টাকা বা ১১৫ টাকা এরকম দিয়ে অ্যাড করলে অনেক সময় দেখা যায় যে আমার প্রোডাক্ট সেল হয় না আমার অ্যাডর টাকাই উঠেনা তো সেই জায়গায় আমি ৩০ টাকা ৪০ টাকা দিয়ে আমি যদি অ্যাড দিতে পারি তাহলে অন্ততপক্ষে আমার অ্যাডর টাকা উঠে আসবে। চিন্তা না করেই, জেনেশুনে আগুনে পা দেওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হচ্ছে।   এখন ফেসবুক কোন কুপন দিচ্ছে না যেটা দিচ্ছে সেটা হচ্ছে ক্রেডিট যেখানে কোনো কোড নেই নেই, এই কুপনগুলা গুলা বিক্রি করার কোনো সুযোগ নেই, যেসব অ্যাকাউন্ট কুপন পাচ্ছে সেসব অ্যাকাউন্টটি সেটি ব্যবহার করতে পারবেন তবে কুপন/ক্রেডিট পাওয়া এতো সহজ নয়।   আমি প্রায় দেড় হাজার ডলার খরচ করার পর আমাকে দেড় ডলারের মত ক্রেডিট দেয়া হয়েছিল।প্রাথমিক একটা পেনাল্টি ফেসবুকে দিয়েছে ১৫ ডলার থেকে নিয়ে ২ ডলারে নিয়ে এসেছে, এরকম যদি হতেই থাকে এবং পেনাল্টি শুধু এতোটুকু ই না পেনাল্টি হচ্ছে অনেক, যেহেতু বিভিন্ন রকম করে ফেক একাউন্ট করে এই কাজগুলো করা হচ্ছে তাই অনেক অরজিনাল একাউন্টও রেস্ট্রিক্টেড হয়ে যাচ্ছে ফেসবুক অ্যাড থেকে, তাহলে যারা অরিজিনাল ভাবে কাজ করছে তারাও কিন্তু ঠিকমতো কাজ করতে পারছে না।   অনেক পার্সোনাল একাউন্ট ডিজেবল হয়ে যাচ্ছে, কেন? ফেসবুক দেখছে যে অনেক পার্সোনাল একাউন্ট থেকে এই কাজগুলা হচ্ছে। যে পার্সোনাল অ্যাকাউন্টে একটু সন্দেহ করছে ফেসবুক ডিজেবল করে দিচ্ছে এবং এর ধারাবাহিকতায় অনেক অ্যাড একাউন্ট ডিজেবল হয়ে যাচ্ছে পার্মানেন্ট ভাবে, এবং আরো খারাপ খবর হচ্ছে অনেকে এখন অ্যাড একাউন্ট করতে পারছে না, একাউন্ট করার সাথে সাথে ডিজেবল হয়ে যাচ্ছে।   কোথায় যাচ্ছি আমরা? বিকাশে প্রতারণা হচ্ছে এবং তারা বিভিন্ন রকম ভাবে সে প্রতারণায় কেউ যেন না পড়ে সেজন্য সাবধান করে দিচ্ছে এটাই স্বাভাবিক। তাহলে যখন এরকম হবে ফেসবুক তো চুপচাপ বসে থাকবে না এবং ফেসবুক চুপচাপ বসে থাকেও নি। এরকম হতে থাকলে আমার মনে হয় যে বাংলাদেশের অধিকাংশ একাউন্ট ডিজেবল হয়ে যাবে পার্মানেন্টলি এবং নতুন করে কোনো অ্যাকাউন্টও করাও যাবেনা অথবা ফেসবুক এরকম নিয়ম করে দিবে যার পেজ তার নিজস্ব অ্যাড একাউন্ট থাকতে হবে ।তাহলে অ্যাড দিতে পারবে।   আর এটা যদি হয় তাহলে ৭০-৮০ শতাংশ ফেসবুক পেজ বন্ধ হয়ে যাবে কারন সবার পক্ষে ফেসবুকে নিজে নিজে অ্যাড দেওয়া সম্ভব না কারন এখানে কার্ডের ব্যাপার থাকে, স্কিল এর ব্যাপার থাকে, এখানে আরো অনেক ব্যাপার থাকে তাই আমার মনে হয় এখনো সুযোগ আছে এই জায়গা থেকে সরে আসার, আপনারা যারা মনে করছেন যে ১০০ টাকা, ১১০ টাকা এরকম দিয়ে বুস্ট করলে খরচ ও উঠে না।এরকম মনে করে যারা বিজনেস করছেন আমি বলব যে এরকম মনে করে বিজনেস ফিল্ডে আপনাদের নামা উচিত না।   আপনি যখন একটা বিজনেস করতে নামবেন আপনাকে রিস্কের ব্যাপারটা মাথায় রেখেই নামতে হবে, আপনার লস হবে সেটা আপনাকে মাইন্ডে নিয়েই নামতে হবে, এখানে কোনো ফাঁকফোকরে যাওয়া যাবে না যে আমি ২০ টাকা দিয়ে ৩০ টাকা দিয়ে ডলার কিনে যদি কিছু বিক্রি করতে পারি আমার অ্যাড এর খরচ উঠে গেল, এভাবে বিজনেস হয়না, আপনি বিজনেস করতে পারছেন না আর যারা ভালো করে বিজনেস করছে, ঠিকমতো বিজনেস করছে তাদেরও করতে দিচ্ছেন না ।   আমার মনে হয় যে এখনো সময় আছে এই জায়গাগুলো থেকে বের হয়ে আসার ফেসবুকের পলিসি, ফেসবুকের টেকনোলজি অনেক হাই অনেক এডভান্সড, তাই এখানে আপনি মানে কি বলবো তাই এখানে আপনি ওই চিন্তা করবেন না যে ফেসবুকে কোনভাবে যদি কিছু করা যায় তাহলে হয়ে গেলো। এগুলো করা যাবে না, "করা যাবে না" বলেও লাভ হবে কিনা জানিনা তবে আমার মনে হয় যে এখনো সময় আছে এই চিন্তা করবেন না, এফ কমার্স অথবা ফেসবুক বিজনেস কে যদি বাঁচিয়ে যদি রাখতে চান আপনাদেরকে সঠিক পথে সঠিকভাবে ফেসবুকে কাজ করতে হবে এটাই একমাত্র শর্ত এর কোন বিকল্প নেই। সোর্সঃ ফেসবুক see our videos on YouTube ধন্যবাদ   

চিন্তা ও টেনশন মুক্ত জীবন পেতে করনীয় কি ?

 আমাদের রয়েছে রোগ-শোক, আছে রুটি-রুজির চিন্তা, সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, বার্ধক্য বয়সে নিজেকে নিয়ে ভাবনা-চিন্তা, জীবনে সাধিত অনেক ত্রুটি-বিচ্যুতি-গুনাহ নিয়ে চিন্তা, মৃত্যু-পরবর্তী জীবনে শাস্তি নিয়ে ভাবনা, এমন হাজারো সমস্যা সব সময় আমাদের মনের কোনে উঁকি-ঝুঁকি মারে।
টেনশন আমাদের শরীর ও মনের ওপর দারুণ বিরূপ প্রভাব ফেলে। আজকাল হার্ট এ্যাটাক ও ব্রেনস্ট্রোক দারুণভাবে বেড়ে গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, টেনশন ফ্রি থাকতে পারলে এ সব রোগ থেকে নিজেকে অনেকখানি দূরে রাখা সম্ভব। বর্তমানে করোনা থেকে উত্তরণের জন্য রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির কথা বলা হয়। এটাও নির্ভর করে টেনশন ফ্রি থাকার ওপর।মানুষের জীবনে নিরবচ্ছিন্ন সুখ বা দুঃখ বলে কিছু নেই।
প্রথমেই আমরা দেখবো টেনশনের কারণ বা এর উৎস কী? মোটামোটি ৪ ধরনের উৎস থেকে টেনশনের সৃষ্টি
  • বাইরের পরিবেশ অর্থা্ৎ দৈনন্দিন প্রয়োজনে আপনাকে যে সমস্ত যায়গায় বিচরণ করতে হয়।
  • পরিবার, বন্ধু ও পরিচিত গন্ডী
  • পেশাগত ক্ষেত্র
  • সামাজিক ক্ষেত্র
উৎস যাই হউক টেনশনের মূল কারণ ৩টি। সেগুলো হলো –
  • কনজিউমারিজম বা কেনার সীমাহীন আকাঙ্খা।
  •  নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি
  • বয়ে বেড়ানো
টেনশনের ১ম কারণ:  কনজিউমারিজম বা কেনার সীমাহীন আকাঙ্খাঃ আমরা সাধারণত ক্রয়করার ক্ষমতাকে সাফল্যের মাপকাঠি মনে করি। যে কত লেটেষ্ট মডেলের মোবাইল, কত দামী ব্রান্ড এর গাড়ী, কত বড় প্রাসাদ, কত বিলাসবহুল জীবন আমার আছে। কত সম্পদের পাহাড় আমি গড়তে পেরেছি। অধিকাংশ সময় মনে করি যে ওটা হলেই, ওই মোবাইলটা হলেই, এবার ঈদে পাখি ড্রেস পেলেই, নিজের একটি ফ্ল্যাট হলেই আমি সুখী–আমার জন্যে যথেষ্ট] কিন্তু আসলেই কী তা যথেস্ট ? অধিকাংশ ক্ষেত্রেই উত্তর হচ্ছে না।আমরা অনন্ত  অভাববোধের এক দুষ্টচক্রে আবর্তিত হতে থাকি।  চাওয়া – পাওয়া – অতৃপ্তি আর চাওয়া – না পাওয়া – হতাশা, এই বৃত্তে আমরা ঘুরপাক খেতে থাকি। প্রয়োজন আছে কী নাই সেদিকে খেয়াল নেই , নীতি-নৈতিকতার বালাই নেই, পরিবারের খোঁজ নেই, নিজের দিকে খেয়াল নেই। শুধু ছুটে চলা। মরিচীকার পিছনে ছুটে চলা। পরিনতি কী ? অতৃপ্তি, টেনশন, শারিরীক ও মানসিক অসুস্থতা। কেন? কারন পন্য কখনো প্রশান্তি দিতে পারে না। অথচ আমরা পন্যের মধ্যেই, পণ্য ক্রয় করার সামর্থের মধ্যেই সুখ খুঁজি, প্রশান্তি খুঁজি। টেনশনের ২য় কারণ:  নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি আমার কী নেই, দৃষ্টি শুধু সেদিকে। সারাক্ষণ শুধু নাই নাই, চাই চাই, পাই পাই। না থাকার কষ্ট সারাক্ষণ নিজেকে কুড়ে কুড়ে খায়। কতজনের কতকিছু আছে। অথচ আমার একটি বাড়ী নেই অথবা বাড়ী থাকলেও সেটা অভিজাত এলাকায় নেই। আমার একটি ফ্ল্যাট নেই অথবা ফ্ল্যাট থাকলে সেটা প্রাইম লোকেশনে না বা সেটা ততবেশী স্কয়ার ফিট না। এরকম সারাক্ষণ একটি অভাব বোধ কাজ করা টেনশনের অন্যতম কারণ। এমনকি ফেসবুকে ফলোয়ার কম থাকা, কোন একটি ছবি পোষ্ট করলে সেখানে লাইক কম পাওয়াও আমাদের টেনশনের কারণ। ফলোযার কম থাকলে, কম লাইক পড়লে নিজেকে ব্যর্থ, অপরের কাছে অগ্রহনযোগ্য কিংবা আমার চেহারা সুন্দর না এমন মনে হয়। একটা হীনম্মন্যতায় ভুগী। টেনশনের ৩য় কারণ:    বয়ে বেড়ানো জীবনের কোন পর্যায়ে ছোট ছোট কিছু কষ্ট থাকতেই পারে। এগুলো জীবনেরই অংশ। কিন্তু সেগুলোকে জীবনের বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা মনে করে জীবন থেকে মুছে ফেলার পরিবর্তে ধরে রাখাই হচ্ছে বয়ে বেড়ানো।আমরা সাধারণত অন্যের কথা ও আচরণকেই বেশী বয়ে বেড়াই। যে ওই দিন সে আমার সাথে এমন ব্যবহার কেন করলো, অমুক আমার সাথে এভাবে কেন কথা বললো, তমুক কেমন বেয়াদবীটাইনা আমার সাথে করলো।পাশের বাসার ভাবী সেদিন কেমন মুখের উপর দরজাটা বন্ধ করে দিল। আমার বিপদের সময় আমার পুরনো বন্ধু মাত্র কটা টাকা ধার দিতে অপারগতা প্রকাশ করলো। এমন অনেক কষ্টের স্মৃতিকে আমরা যত্ন করে লালন করি, বয়ে বেড়াই আর টেনশন করি। আমাদের করণীয় কী? শারিরীক সুস্থতা আর মানসিক প্রশান্তির জন্যে চাই টেনশন মুক্ত প্রশান্ত জীবন।আর তাই নেতিবাচকতার বৃত্ত থেকে বের হয়ে ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি লালন করতে হবে। কী নাই সেদিকে দৃষ্টি না দিয়ে, কী আছে সেদিকে তাকাতে হবে। জীবন যতদিন আছে, ততদিন কাজ আছে, সুখ–দুঃখ, উত্থান–পতন আছে,  স্ট্রেসও আছে। একমাত্র বৈজ্ঞানিক জীবন যাপনই আমাদেরকে মুক্তি দিতে পারে দুশ্চিন্তার এই অভিশাপ থেকে। অর্থাৎ, সঠিক জীবন দৃষ্টি, জীবনকে আপনি কীভাবে দেখছেন তার উপরই নির্ভর করে জীবনের সাফল্য ব্যর্থতা, সুস্থতা আর প্রশান্তি। আমাদের অধিকাংশেরই  সমস্যা এখানে যে, সঠিক জীবন দৃষ্টি নেই।  আর সেকারণেই রোগ, শোক, সাময়ীক বিপদ–আপদে আমরা আচ্ছন্ন হয়ে পড়ি, দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়ি। কিন্তু জীবনকে দেখতে হবে পূর্ণাঙ্গভাবে। জীবনের কোন সময়ের কিছু সমস্যা, কিছু অপ্রাপ্তি, কিছু কষ্ট সবকিছু নয়। ছোট ছোট কিছু অপ্রাপ্তি-কষ্ট বৃহৎ নদীতে ভাসমান বিচ্ছিন্ন কিছু কচুরিপানা ছাড়া আর কিছুই নয়। টেনশনমুক্ত সুস্থ জীবনের চাবিকাঠি বা উপায় ৩টি ১ম উপায় – শোকরগোজার দৃষ্টিভঙ্গি লালনঃ
  • আমার যা আছে; শোকর আলহামদুলিল্লাহ, বেশ ভালো আছি।
  • আমার পায়ে জুতা নেই; অনেকেরতো পাই নেই।
  • সব সময় একটি অভাব মুক্তির অনুভূতি লালন করা।
২য় উপায় –ইতিবাচক হউন
  • জীবনে চলার পথে প্রতিটি সমস্যাকে এক একটি নতুন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা
  • পরিবারে থাকুন। পরিবারই হচ্ছে সকল সুখের আকর। পরিবারের বাইরে প্রশান্তি খোঁজা আর চির অশান্তির দহন যন্ত্রনায় ডুব দেয়া একই কথা।
  • ভার্চুয়াল লাইফ যতটা সম্ভব বর্জন করুন। আপনার ডাটা বন্ধ হয়ে গেলেই ভার্চুয়াল বন্ধুদের সাথে সম্পর্ক বন্ধ। অপরদিকে আপনার দম বন্ধ হয়ে গেলেও পরিবারের সদস্যরা আপনাকে স্বরণ করবে, আপনার জন্য দোয়া করবে।
  • শুদ্ধাচারী হওয়া । ধীরে ধীরে আত্মশুদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়া।
  • অবিদ্যা থেকে মুক্ত হওয়া – কারণ অবিদ্যাই হচ্ছে সকল দুঃখের কারণ।
৩য় উপায়:  নিজের নিয়ন্ত্রন নিজের হাতে রাখুন
  • নিজের সুখের ভার অন্যের হাতে নয়, নিজের হাতে রাখুন। যে অমুক আমাকে সুখী করবে বা অমুক জিনিস কিনতে পারলে আমি সুখী হবো এমন ভুল ধারণা থেকে বের হতে হবে।
  • নিয়মিত দম চর্চা করতে হবে। নাক দিয়ে ধীরে ধীরে ফুসফুস ভরে দম নিতে হবে, তারপর ধীরে ধীরে মুখ দিয়ে দম ছাড়তে হবে। এভাবে প্রতিবার ১৫/২০ বার করে দিনে ৩/৪ বার করতে হবে। কারণ দমই হচ্ছে জীবনের মূল ছন্দ।
  • বৈজ্ঞানিক খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত হওয়া। ভাজা-পোড়া, অতিরিক্ত তেল-ঝাল-মসলা যুক্ত খাবার, ফাস্ট ফুড, সফট ড্রিংকস, চিনি বির্জন করতে হবে।
  • নিয়মিত ব্যায়াম বিশেষ করে যোগ ব্যায়ামে অভ্যস্ত হতে হবে।
  • নিয়মিত মেডিটেশন করতে হবে।
  • আর চালচলনে সুশীল  অর্থাৎ শুদ্ধাচারী হতে হবে।
তাহলেই জীবন ভরে উঠবে প্রশান্তি ও   প্রাচুর্যে।
এছারাও পড়ুন:
ধন্যবাদ পড়ার জন্য, কোন ভুল হলে ক্ষমা করবেন। আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন এবং আমাদের ভিডিওগুলো দেখতে ইউটিউব চেনেলটি ঘুরে আসতে পারেন

Really radiation can give humans mutant powers like in comics?

Have you heard of Hisashi Ouchi?.

Hisashi Ouchi was one of three employees of the Tokaimura nuclear plant to be heavily impacted by the accident on 30 September 1999. Leading up to the 30th of the month the staff at the Tokaimura nuclear plant were in charge of looking after the process of dissolving and mixing enriched uranium oxide with nitric acid to produce uranyl nitrate, a product which the bosses of the nuclear plant wanted to have ready by the 28th.

Due to the tight time constraints, the uranyl nitrate wasn’t prepared properly by the staff with many shortcuts being used to achieve the tight deadline. One of these shortcuts was to handle the highly radioactive produce by hand. During their handling of the radioactive produce while trying to convert it into nuclear fuel (uranyl nitrate is used as nuclear fuel) for transportation the inexperienced three-man crew handling the operation made a mistake.

Tokaimura nuclear plant

During the mixing process, a specific compound had to be added to the mixture, the inexperienced technicians added seven times the recommended amount of the compound to the mixture leading to an uncontrollable chain reaction being started in the solution.

As soon as the Gamma radiation alarms sounded the three technicians knew they made a mistake. All three were exposed to deadly levels of radiation, more specifically Ouchi receiving 17 Sv of radiation due to his proximity to the reaction, Shinohara 10 Sv and Yokokawa 3 Sv due to his placement at a desk several meters away from the accidents. When being exposed to radiation it is said that anything over 10 Sv is deadly, this would prove to be true in this instance.

During the accident, Ouchi was exposed to 17 sieverts of radiation with 8 sieverts being normally considered fatal and 50 millisieverts being the maximum limit of annual dose allowed for Japanese nuclear workers

Ouchi’s exposure to the radiation was so severe that his chromosomes were destroyed and his white blood cell count plummeted to near-zero. Most of his body had severe burns and his internal organs received severe damage.

It was cruel that he was resuscitated on the 59th day when his heart stopped three times within a period of 49 minutes, despite wishing not to be let to suffer.

After being treated for a week, Ouchi managed to say, “I can’t take it anymore… I am not a guinea pig”. However, the doctors kept treating him and taking measures to keep him alive, which only ensured a very slow and very painful death.

After 83 days of struggle, Ouchi died of multiple organ failure on December 21, 1999.

He was the only human being ever in history to be exposed to such an amount of radiation at a time.

It was considered equivalent to the hypocenter of the blast of Hiroshima Nagasaki.

So, yeah, let the superpowers attained by radiations stay in the movies, while we continue to wear a lead jacket while operating an orthopaedic case.

This question originally appeared on Quora. Ask a question, get a great answer. Learn from experts and access insider knowledge.

COVID-19 Facts – তবে কি আমজনতা এভাবেই মরবে ?

আমরা আমজনতা।

আমাদের জীবনের দাম নেই। আমরা আগুনে পুড়ে মরি, পানিতে ডুবে মরি, সড়কে গাড়িচাপায় মরি। মরি কারখানায় কাজ করতে গিয়েও। কোনো ঘটনায় দুই-চারজন মরলে ‘কর্তৃপক্ষের’ কিছু যায় আসে না। সেটা আমলেও নেওয়া হয় না। প্রত্যক্ষদর্শীরা হয়তো একটু আহ্-উহ্ করে, পরে ভুলে যায়।
কোনো ঘটনায় মৃতের সংখ্যাটা ১০/১২ হলে গুরুত্বটা যেন একটু বাড়ে! গণমাধ্যমে খবর হয়। স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন বা জনপ্রতিনিধিরা মৃতের স্বজনদের খোঁজ খবর করেন, কিছু সহায়তাও দেওয়া হয়। যদিও দু-চার দিন-দশদিন পর খবর নেওয়ার আর কেউ থাকে না।  
তবে হ্যাঁ, মৃতের সংখ্যাটা ৪০/৫০ ছাড়িয়ে গেল সবাই যেন একটু নড়েচড়ে বসে। টেলিভিশনগুলো ঘটনাস্থল থেকে সরাসরি সম্প্রচার করে। মন্ত্রী-এমপি-নেতা কিংবা কর্তৃপক্ষের লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। টেলিভিশন ক্যামেরার সামনে মৃতের স্বজনদের জড়িয়ে ধরেন, পত্রিকার পাতায় বড় বড় ছবি ছাপা হয়, ভবিষ্যতে এমন ঘটনা ঘটবে না বলে প্রতিশ্রুতি পাওয়া যায়। ওই ঘটনায় দায়ীদের চিহ্নিত করতে তদন্তের সময় বেঁধে দেওয়া হয়, তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দেয়। ভবিষ্যতে প্রাণহানি রোধে নানা সুপারিশ থাকে প্রতিবেদনে। বড় শক্তির ইশারায় সেই সুপারিশগুলো কার্যত বাস্তবায়নের মুখ দেখে না।
 
লকডাউন উঠে যাবে হয়ত কয়েকদিন পরই । কেন উঠবে সেটাও পরিষ্কার । হাজার হাজার মানুষ না খেয়ে মরবে। লকডাউন রাখা হয়েছিল ভাইরাসটা যেন ধীরে ছড়ায়, ততদিনে যেন ভ্যাক্সিন আবিষ্কার হয়ে যায় । কিন্তু দুঃখের কথা হলো, পুরো পৃথিবীর ৭০০ কোটির সবার হাতে হাতে এই ভ্যাক্সিন পৌঁছাতে, কম করে হলেও ৩-৪ বছর লাগবে। তাই এমন অনন্তকাল লকডাউন রাখা সম্ভব না, সে যত উন্নত রাষ্ট্রই হোক না কেন । চীন, ইতালিতেও উঠিয়ে নেওয়া হচ্ছে লকডাউন ।
 

তবে আমরা কি এভাবেই মরব ? -Covid-19 Facts-অধ্যাপক মীরজাদী সেব্রীনা ফ্লোরা

সহজ ভাষায় বলতে গেলে, হ্যাঁ এবং এটা একদমই প্রাকৃতিক ব্যাপার । প্রতিটা যুগে যুগে এমন Evolution হয়েছে । এক যুগে 'ডাইনোসর' ছিল, কিন্তু প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পারেনি বলে তারা আজ নেই ।
অথচ সেই জুরাসিক যুগের 'তেলাপোকা' এখনো টিকে আছে । কারণ সে নিজেকে Evolve করে, নিজেকে চেঞ্জ করে প্রকৃতিতে টিকে থাকতে পেরেছে । ম্যামথও ছিল তখন, হয়ত 'ম্যামথ' তার রূপ চেঞ্জ করেই বর্তমানের হাতি হয়েছে। এগুলাই Evolution.

তো এগুলো বলার মানে কী ? এগুলো জেনে কী করব ?

আমাদেরও প্রকৃতির উপাদানের সাথে Evolve হতে হবে ।COVID-19 এর সাথে লড়াই করে টিকে থাকতে হবে । আমাদের নিজেদেরও চেঞ্জ হতে হবে । কিছু নিয়ম মেনে চললেই এই COVID-19 পরিস্থিতিতে টিকে থাকা সম্ভব ।

COVID-19 - Advice for People.

১) অভ্যাসঃ-

বাজে অভ্যাসগুলা ত্যাগ করতে হবে । কথায় কথায় মুখে আঙুল দেয়া, কলমের মুখ কামড়ানো, আঙুল জিহ্বায় লাগিয়ে কাগজ উল্টানো, থুতু দিয়ে টাকা গোনা ইত্যাদি যুগ যুগ ধরে চলে আসা বাজে অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে । সাথে মাস্ক পড়তে হবে এবং সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে । ২০০৩ এ জাপানে সার্স ভাইরাসের মহামারির পর তাদের মধ্যে এই অভ্যাসগুলো গড়ে উঠেছিল, যা আজ খুব ভাল কাজ করছে ইমিউনিটি বৃদ্ধি করতে । ধূমপান যথাসম্ভব পরিহার করা ।

২) এনভায়রনমেন্টঃ

আমরা খুব ভাগ্যবান যে আমরা এমন পরিবেশে আছি । নয়ত এই ঘনবসতিপূর্ণ দেশ কবেই শেষ হয়ে যেত। আর্দ্রতা এবং তাপমাত্রা খুব ভালো কাজ করছে । আর্দ্রতা বেশি থাকা মানে বাতাসে ধুলাবালি কম উড়বে । শীতে আর্দ্রতা কম থাকে, চারিদিক শুষ্ক থাকে বলে বেশি ধুলা ওড়ে । এজন্য শীতপ্রধান দেশে এই ভাইরাস হানা দিচ্ছে বেশি । তাই ঠান্ডা/এসি এভোয়েড করতে হবে, এসি রুমের আর্দ্রতা কমিয়ে দেয়।

৩) ইমিউনিটিঃ

এটাই মোস্ট ইম্পোর্টেন্ট COVID-19 এর বিরুদ্ধে লরাই করার জন্যে। এই পুরো পোস্ট লিখার পেছনে এই পয়েন্টটাই দায়ী । হার্ড ইমিউনিটির বিকল্প নাই । আমাদের ইমিউনিটি বুস্ট করতেই হবে । সেটা কীভাবে ?
ফিজিক্যালি এন্ড মেন্টালি ।

ফিজিক্যালিঃ

* নিয়ম মাফিক ঘুমাতে হবে, রাত জাগা খুব খারাপ শরীর ও ইমিউন সিস্টেমের জন্য । প্রতিদিন কমপক্ষে ৬-৮ ঘন্টা ঘুমাতে হবে ।
* প্রতিদিন ব্যায়াম করতে হবে, প্রায় ১৫-৩০ মিনিট । মাসল এক্টিভিটি বাড়াতে হবে ।
* প্রায়ই রোদে ঘুরতে হবে ছাদে । রোদ দরকার, ভিটামিন ডি লাগবেই লাগবে ।

খাবারঃ

• ভাতে কোন ঘোড়ার আন্ডার পুষ্টিও নাই, উল্টা অতিরিক্ত ভাত খেলে আপনি মোটা হবেন । ভাত কম খেয়ে তরকারি এবং প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে হবে ।
• প্রচুর পানি খেতে হবে (এটা খুব বাজে অভ্যাস আমরা পানি খেতে চাই না )।
• এন্টি অক্সিডেন্ট-যুক্তখাবার খেতে হবে । শাক সবজি খেতে হবে । প্রয়োজনীয় প্রটেকশন নিয়ে বাজারে যান, নয়ত ইমিউনিটির অভাবে এমনিও মরতে হবে।
• ভিটামিন সি বা টকযুক্ত ফল, কমলা, লেবু খেতে হবে । এছাড়াও সিজনাল ফল খেতে হবে । প্রতিদিন সকালে লেবু সিদ্ধ গরম পানি খান ।
• ফাস্ট ফুড টোটালি অফ, চিনি কিংবা লবণ খাওয়াও কমাতে হবে ।
• আমাদের দেশের মশলাগুলো দারুণ কাজের । লং, লবঙ্গ, জিরা, হলুদ, দারুচিনি এইগুলো মারাত্মকভাবে ইমিউনিটি বুস্ট করে । দুধে হলুদ মিশিয়ে খাবেন, হলুদ অনেক কাজের । চায়ে মশলা মিশিয়ে খাবেন । গ্রিন টি (এন্টিঅক্সিডেন্ট) বেস্ট, গ্রিন টিতে এই মশলাগুলো খেলে অনেক ভালো।
• কালোজিরা কার্যকরী একটা জিনিস । প্রতিদিন সকাল বেলা উঠে এক চামচ মধুর সাথে কালোজিরা অনেক বেটার একটা কম্বিনেশন । এছাড়া কালোজিরা ভর্তা/ভাজি খাবারের সাথেও খেতে পারেন ।

মেন্টালি:

ইমিউন বুস্টের জন্য সঠিক হরমোনাল ব্যালেন্স ঠিক রাখা খুব জরুরি । তাই মনকে শান্ত রাখতে হবে, হাসি খুশি থাকতে হবে । ধর্মীয় প্রার্থনায় মন দিন, মন সুন্দর থাকবে।
আরও পড়ুনঃঅতীত ভোলার উপায় কী? কষ্ট কমানোর জন্য কি কি করতে হবে? মানুষ সৃষ্টি মাটি থেকে, কোরআন এবং বিজ্ঞান এর প্রমাণ ও ব্যাখ্যা
সবাই ভাল থাকুক, সবাই সুস্থ থাকুক । COVID-19 এর সংক্রোমন থেকে বাচতে মাস্ক ব্যাবহার করুন । প্রয়োজন ছাড়া ঘড়ের বাহিরে না বের হুওয়ার অনুরোধ রইলো । সবাইকে নিয়েই বাঁচতে চাই । বাকিটুকু আল্লাহ ভরসা ।
ঘড়ে বসেই যে কোনো কম্পিউটার বা ল্যাপটপের যাবোতীয় এক্সেসরিস অনলাইনে কিনতে ভিসিট করুন এখান থেকেঃ Tech Point BD
ঘড়ে বসেই পর্দা ,বেড শিট, মশারি ,ছোফার কাভার সহ যাবতীয় বেডিং পন্য কিনুন RKINTERNATIONALBD.COM

Some of the best life tips for success. You have to know

Success is a concept that is different for every person. Whether it means having a great career, a home, or a family, success is something everyone strives to achieve. It makes you feel proud, it gives you excitement and it lets you know you have made an impact in a competitive world.

Success is not something you attain without putting in the effort, however. It is a mindset you must adopt to accomplish your goals and grow as a person, and it takes hard work. In this article, we explain what it can mean to be successful and discuss tips to help you in your personal journey for success.

Tips for how to become successful

I live consciously.
  1. Start before you’re ready. I spent 4 minutes and 12 seconds try to craft a perfect answer for this question. But you’re reading this because my mind finally said F*CK it, and start writing.
  2. Don’t stop when you’re tired/upset/exhausted, stop when you’re done. By stop, I mean stop trying and telling yourself it’s done before it’s actually done. It’s not, challenges, failures, and setbacks are temporary. Now, move on!
  3. Everything comes with a price. Literally, everything. If you’re not up to pay the price, don’t complain about not getting what you want in life.
  4. Stop complaining. It changes nothing at all. Oh no… It does. It annoys the hell out of others and makes you feel worse.
  5. Stop comparing. We have very little (if not none) of information to make a rational comparison. In most cases, we are evaluating our worst with others’ best when we’re comparing.
  6. Get enough sleep. We need at least 7 to 8 hours of sleep a day, only a minority need less than that… Like, maybe 5% of all human beings. You won’t know if you’re one of them. When you know it, it’s too late.
  7. Detach your emotions with external things. Because they don’t last. You’re going to feel extremely bad if you’re depending on your happiness on them (people and things).
  8. Read real books. Do deep instead of shallow. The Internet trained us to go shallow.
  9. Reduce multitasking. It doesn’t boost your productivity. Instead, it drains your energy and focus.
  10. Start your day the night before. Plan for the next day before you go to bed. This gives you a reason to get off the bed the next morning.
  11. The relationship is the place to give (not receive). If you were wondering why your spouse never did this (or that) for you, that’s exactly why.
  12. Take tiny actions, celebrate small wins. Small actions have lower resistance, start doing something small is 1,000,000x better off than doing nothing. Then, train yourself to appreciate small progress.
  13. Say “get to” instead of “have to”. Change your vocabulary and start to appreciate everything that happens to you.
  14. Do something that scares you. Get out of your comfort zone, set bigger goals, and do it. You’re reading this right now because someone else once thought that the personal computer was possible.
  15. If you spent $750 for something originally at $1,000, you just spent $750, not saved $250. Face the truth, never find excuses, especially when it comes to money.
  16. Remove that tiny red dot on the corner of the icon of your app. If you’re using Android, see here; for iOS, see here. I believe you know why.
  17. Listen first before speaking. You learn nothing if you’re the only one speaking.
  18. Start selling. I won’t say start a business, but every one of us is selling in some way. So, learn how to do it.
  19. Your customer is always right if you want his/her money. In case you’re in a business, this is the truth, by Rifad Ahmed Rion.
  20. Take good care of your body. Everything will not be relevant without your physical body (at least until someone invents a way to upload us to a server… maybe…)
  21. Fail hard, fail often. That’s how we learn the most. Be proud of it, take it as an achievement.
  22. Contribute more. I’m not exactly sure why, but I learned this from the successful people I’m following. Probably because it puts a smile on others’ faces.
  23. Judge others on their intention, evaluate yourself with the results. If you need to judge others, do it based on their intention because again, we don’t know their own set of constraints and challenges.
  24. His/her/my tips might not be the right tips for you. Explore, experience, learn and most importantly enjoy life yourself.
  25. The guaranteed way to increase your luck is to increase the times you bet. I’m not asking you to get involved in gambling. My point is, a master art piece is created after thousand shitty ones before it. So, be consistent on your output rather than thinking about how to strike a home run in one single shot.

_ _ _

I share tips, techniques, and critical thoughts on how we can live better and get success.

Thanks for reading. Read More on Blog Page Follow Us on Facebook and YouTube

Who owns which TV channel in Bangladesh?

The first television signal broadcast in Bangladesh was in 1964 under the state-owned television network Pakistan Television Corporation (PTV) in Dhaka, then East Pakistan. From then onwards Bangladesh Television (BTV) had a virtual monopoly until the late 1990s. Since then a number of stations have arrived. Many have also shut down in the process. This is a list of television stations in Bangladesh currently available on terrestrial, satellite, and cable.  

 It is given below who is the owner of the TV Channel in Bangladesh:

1) Independent TV: Salman F Rahman. 2) 71 TV: Journalist Mozammel Babu and Meghna Group. 3) Desh TV: Saber Hossain Chowdhury (MP) but Asaduzzaman Nur is running. 4) Boishakhi TV: Business group Destiny. But journalist leader Manjurul Ahsan Bulbul is running. 5) Gazi TV: Gazi Golam Dastagir (MP). 6) Banglavision: Former mayor Sadek Hossain Khoka has the most shares. 6) Channel I: Faridur Reza Sagar (Cultural Worker) 6) This is N Bangla: Mahfuzur Rahman. Journalist J.E. Mamun. 9) This is N News: run by Munni Saha. 10) Mohana TV: Kamal Majumder (MP). 11) Samay TV: Brother of State Minister for Law Kamrul Islam. 12) Channel 24: Hameem Group Chairman Ake Azad. 13) N TV: Mosaddek Hossain Falur. 14) Diganta TV: Jamaat leader Mir Kashem Ali. It is closed now. 15) Islamic TV: Khaleda Zia's brother Saeed Iskander. It is also closed now. 16) BTV: Official TV Channel. 16) Channel 1: Closed now. The owners were BNP leaders Mirza Abbas and Ghiyasuddin Mamun. 16) RTV: Morshedul Islam (MP) of Bengal Group 19) SA TV: Salauddin Ahmed is the owner of SA Paribahan 20) Channel 9: Enayetur Rahman Bappi of BNP Gharona and Syed Ashraf of Awami League. 21. Ekushey TV: The main initiator of Ekushey Television was Abu Saeed Mahmud. Abdus Salam, the current chairman of Ekushey Television, owns 70% of the television. The remaining 30 percent is owned by 5 out of 6 of the previous 13 entrepreneurs. They are Rauf Chowdhury (Rangs Group), Emran Mahmood (Microwave), Anjan Chowdhury (Square), Abdus Salam (Saraitex), Liaquat Hossain (MAS Square Group). 22) Maasranga TV: Anjan Chowdhury of Square Group. 23) My TV: Nasir Uddin Sathi. 24) Jamuna TV: Nurul Islam Babul of Jamuna Group. 25) Dipta TV: Kazi Jahedul Hasan, owner of Kazi Media Limited. 26) Asian TV: Chairman of the Asian Group of Industries Alhaj Md. Asian Telecast Limited (Asian TV) is owned by Harun-ur-Rashid. Walton Group has bought a large share of the Asian TV channels. Thanks for your kind intention, I hope it will help you a lot. If I forgot someone or write something wrong, please forgive me and let me know what is my fault. Read More: Emotions Fact. How to get emotional balance and endless vitality? Ways that you can increase your survey response rates. Some of the most interesting facts about human behavior? Some brain hacks that a Neuroscientist or a Psychologist knows.