কাশি দেওয়ার সময় মহিলাদের প্রস্রাব চলে আসে কেন?চলুন জেনে নেয়া যাক

ইউরিনারি ইনকন্টিনেন্স কী?

অজ্ঞাতে বা অনিচ্ছায় শরীর থেকে যে কোনও পরিমান মূত্র বেরিয়ে আসার ঘটনাকে চিকিত্সা পরিভাষায় মূত্রধারণগত অক্ষমতা বা ইউরিনারি ইনকন্টিনেন্স বলে। নানা কারণে এই সমস্যা হয়, যার মধ্যে কয়েকটি ক্ষেত্রে খুব সহজেই রোগ সেরে যায়। জীবনযাত্রার সামান্য পরিবর্তন থেকে শুরু করে ওষুধ বা অস্ত্রোপচারের মতো নানা উপায়ের সাহায্যে এই সমস্যার সমাধান করা হয়। বলে রাখা ভাল, সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এমন মহিলাদের মধ্যে সাধারণত এই রোগ বেশি দেখা গেলেও সন্তান হয়নি এমন মহিলা, শিশু ও পুরুষেরাও এই জাতীয় অক্ষমতাকর শিকার হতে পারেন।

এই রোগ কি সারে?

চিকিত্সাবিজ্ঞানের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে আজকাল এই রোগে আক্রান্তদের নিরাময়ে নানা ব্যবস্থা হয়েছে। সুতরাং এই ধরনের সমস্যায় ভীত হয়ে পড়ার কোনও কারণ নেই। সংক্ষেপে বলা যায়, চিকিত্সকের পরামর্শ নিয়ে মূত্র ধারণগত অক্ষমতায় ভুগছেন এমন প্রতিটি মানুষের উপসর্গের ক্ষেত্রে কিছু না কিছু উন্নতি ঘটানো সম্ভব।

leek

প্রকার ভেদ

মূত্রধারণগত অক্ষমতা মৃদু ও তীব্র পর্যায়ের হতে পারে। মৃদু পর্যায়ে খুব সামান্য মূত্র বেরয় বলে তেমন অসুবিধে হয় না। তবে তীব্র পর্যায়ের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক জীবনযাপন অসহনীয় হয়ে পড়ে। বারবার কাপড়চোপড় পাল্টাতে হয়। শরীর থেকে বাজে গন্ধ বেরনোর সম্ভাবনায় আতঙ্কিত থাকতে হয়। অন্যদিকে রোগের প্রকৃতি অনুসারে এদের স্ট্রেস ইনকন্টিনেন্স ও আর্জ ইনকন্টিনেন্স এই দু’ভাগেও ভাগ করা হয়। মূত্রথলি বা ইউরিনারি ব্লাডারের মুখের দুর্বলতাজনিত কারণে স্ট্রেস ইনকন্টিনেন্স এবং মূত্রথলির দেওয়ালের অস্থিরতার কারণে আর্জ ইনকন্টিনেন্স হয়।

বিব্রতকর বলে অনেকেই সময়মতো ডাক্তারের কাছে যান না বলে শুনেছি।

ডাঃ ঘোষ– ঠিকই শুনছেন। কিছুদিন আগে করা একটি সমীক্ষা থেকে জানা গেছে যে ইউরিনারি ইনকন্টিনেন্সে ভুগতে শুরু হওয়ার পরে গড়ে অন্তত ৫ বছর পরে মহিলারা চিকিত্সকের পরামর্শ নেন। এদের মধ্যে অনেকেই নিজের সমস্যার কথা প্রকাশে লজ্জা অনুভব করেন, কেউ কেউ মনে করেন সন্তানের জন্মদানের পরে এইরকম শারীরিক অসুবিধে প্রত্যাশিত এবং এই নিয়ে কিছু করার মানেই হয় না। অনেকে আবার দীর্ঘদিন ধরে টয়লেটে গিয়ে গিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতি সামাল দিতে চেষ্টা করেন।

প্রস্রাব

অন্য উপসর্গ

অনিচ্ছাকৃতভাবে মূত্র বেরিয়ে আসার পাশাপাশি এই রোগে আরও কয়েক ধরনের সমস্যা হতে পারে। যেমন, স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বার প্রস্রাব করা, প্রস্রাব করতে গিয়ে যন্ত্রণা বা জটিলতা হওয়া। কারও কারও ক্ষেত্রে আকস্মিক ও অনিয়ন্ত্রিত প্রস্রাবের প্রকোপ হয়। এমনও হয় যে মূত্রথলি খালি করতে অসুবিধে হচ্ছে অথবা ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও প্রস্রাব বেরচ্ছে না কিংবা বেরোতে দেরি হচ্ছে।

রোগ হওয়ার কারণ

মূত্রধারণজনিত অক্ষমতা বিষয়ে বিশদে বুঝতে গেলে মূত্রথলি বা ব্লাডারের গঠন সম্পর্কিত কয়েকটি বিষয় জানা জরুরি। ব্লাডার ডেট্রুসর মাসল নামে এক ধরনের নমনীয় পেশি দিয়ে তৈরি। কিডনিতে তৈরি হওয়া মূত্র ইউরেটার বাহিত হয়ে এই থলিতে জমা হয়। জমা থাকার সময় মূত্থলির নিচে থাকা ইউরেথ্রাল স্ফিংটার নামে একটি আংটির আকারের পেশি সঙ্কুচিত অবস্থায় থেকে মূত্রকে ধরে রাখতে সাহায্য করে।

এছাড়াও শ্রোণীতল বা পেলভিক ফ্লোরের পেশির আংশিক সাহায্যের প্রয়োজন হয়। এরা যোনী, মলদ্বার ও মূত্রথলিকে যথাস্থানে ধরে রাখে। হাঁচি বা কাশির সময় তলপেটে পড়ে চাপ, প্রেসার ট্র্যান্সমিশন থিয়োরি অনুসারে মূত্রনালি ও মূত্রথলিতে বাহিত হয়ে উভয়ের ক্ষেত্রে সমান প্রভাব ফেলে।

প্রস্রাব

মূত্রথলির কার্যকলাপের নেপথ্যে মস্তিস্কের বিভিন্ন অংশের এবং ঐচ্ছিক ও অনৈচ্ছিক উভয় ধরনের কাজের সমন্বয় প্রয়োজন। ইউরেথ্রাল স্ফিংটার পেশির দুটি অংশ। এদের কাজও আলাদা। অনৈচ্ছিক পেশিতে তৈরি অভ্যন্তরীণ স্ফিংটার মস্তিস্ক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। নিরবচ্ছিন্ন চাপের সাহায্যে এরা মূত্রথলির মুখ বন্ধ করে রাখে।

অন্যদিকে ঐচ্ছিক পেশিতে তৈরি বহিঃস্থ স্ফিংটার শ্রোণীতলকে সচেতন ভাবে চেপে রেখে মূত্রকে কিছুতেই বেরতে দেয় না। এই পেশির ক্ষেত্রে একটি সমস্যা হল, খুব সঙ্কুচিত হয়ে থাকলে এরা অল্পে ক্লান্ত হয়ে পড়ে। সে কারণে তিন-চার বার হাঁচি বা জোরে কাশি হলে সঙ্কোচন আলগা হয়ে গিয়ে মূত্র বেরিয়ে আসার সম্ভাবনা তৈরি হয়।

মূত্রধারনগত অক্ষমতার সূত্রপাত

মূত্রথলির মুখ ও ইউরেথ্রাল স্ফিংটারের ক্ষতি হলে ভেতরের অংশ বন্ধ করে রাখার ব্যাপারে মূত্রথলি তার কার্যকারিতা হারায়। মূত্রথলি নিজে অস্থিত (আনস্টেবল) বা অতিসক্রিয় হতে পারে (ডেট্রুসর ইরিটেবিলিটি)। মস্তিস্কের যে অংশ মূত্রথলির কার্যকারীতার সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত তার ক্ষতি হলেও সমস্যা বাড়ে।

সমস্যার কারণ

প্রসব এর সময় মূত্রথলির মুখ ও ইউরেথ্রাল স্ফিংটারের ক্ষতির ঝুঁকি থাকে। অন্যদিকে মূত্রথলির ধারক কাঠামো দুর্বল হয়ে গেলে থলির মুখ নিচের দিকে নেমে এসে সমস্যা বাড়ায়। প্রসবকালীন সময় ছাড়াও ক্রনিক কোষ্ঠকাঠিন্য কিংবা ধূমপায়ীদের ক্রনিক কাশি থেকে এই ধরনের জটিলতা হতে পারে। মূত্রথলির অস্থিতি বা অতিসক্রিয়তার সঠিক কারণ জানা যায়নি।

তবে এই সমস্যার সঙ্গে মূত্রথলি খালি করার স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণ নষ্ট হয়ে যাওয়া বা সন্তান প্রসবের কারণে স্নায়ুর ক্ষতি হওয়া বা মূত্রধারণের অক্ষমতাজনিত কোনও পূর্ববর্তী অস্ত্রোপচারের সম্পর্ক থাকতে পারে। স্ট্রোক বা মেরুদণ্ডের আঘাতে মূত্রথলির কার্যকারীতার সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত মস্তিস্কের বিশেষ অংশের ক্ষতি হতে পারে।

এই সময় মস্তিস্কের উচ্চাংশের সঙ্গে সুষুম্নাকাণ্ডের নিম্নাংশের যোগাযোগ ব্যাহত হয়। এতে শৈশবের মূত্রথলি খালি করবার প্রতিবর্ত ধরণ (রিফ্লেক্স প্যাটার্ন) ফিরে আসে। থলির ওপরে যে কোনও ধরনের চাপে সমস্যার সৃষ্টি হয়। যেমন, ফাইব্রয়েডস কিংবা কৌষ্ঠকাঠিন্যর কারণে মলদ্বারে জমে থাকা মলে সমস্যা বাড়ে।

কেন মহিলারা বেশি আক্রান্ত হন

আগেই জানিয়েছি, যে কোনও মানুষ মূত্রধারণ জনিত অক্ষমতার শিকার হতে পারেন। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে মহিলারাই এই রোগের শিকার হন। এর পিছনে অনেক কারণ রয়েছে। যেমন, গর্ভধারণ, সন্তানের জন্মদান, মেনোপজ ও সংক্রমণ।

গর্ভধারণ

গর্ভসঞ্চারকালে একজন মহিলার শরীরে যে শারীরবৃত্তীয় ভিন্নতা আসে তার অন্যতম হল মূত্রথলি ও শ্রোণীদেশের পরিবর্তন। এই সময় কিডনি বেশি পরিমান মূত্র উত্পাদন করতে শুরু করলে বারে বারে প্রস্রাব করার প্রয়োজন হয়। অথচ অতিরিক্ত চাপের মধ্যে থাকার কারণে থলি ঠিকমতো খালি হয় না।

এই কারণে ইউরিনারি ট্র্যাকে ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণ বেড়ে যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে মূত্রধারণজনিত অক্ষমতার সৃষ্টি হয়। অন্য দিকে, এই সময় জরায়ু প্রসারিত হয়ে মূত্রথলিতে বাড়তি চাপ দিতে শুরু করলে বেশি বার প্রস্রাব করার প্রয়োজন হয়। প্রায় এক তৃতীয়াংশ মহিলার ক্ষেত্রে এই বাড়তি চাপের কারণে তাদের অজান্তেই মূত্র বেরিয়ে আসে।

সমস্যাটি অবশ্য সন্তানপ্রসবের পরে ধীরে ধীরে চলে যায়। তবে শ্রোণীদেশের পেশি নিয়ন্ত্রণকারী স্নায়ুসমূহ গর্ভধারণকালে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ভবিষ্যতে সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

প্রস্রাব

সন্তানের জন্মদান

সন্তান প্রসবকালে পেশি ও শ্রোণী সাহায্যকারী কাঠামোর ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে। স্বাভাবিক জন্মদানের সময় যোনীপথের পাশের দেওয়াল এবং শ্রোণীতলের পেশি প্রসারিত হয়। এইসব ক্ষতিগ্রস্ত পেশি ও কলা সম্পূর্ণভাবে সেরে ওঠে না। তাই শেষ পর্যন্ত জরায়ুর স্থানচ্যুতি (প্রোল্যাপস) ঘটে। কাদের ক্ষেত্রে এই ধরনের সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, তা আগে থেকে বলা সম্ভব নয়। তবে সন্তানের সংখ্যা, প্রসবের ধরণ, গর্ভস্থ সন্তানের ওজন, প্রসব যন্ত্রণার সময়কাল, প্রসবকালীন চাপ প্রয়োগের ফলে জন্মদানের পরে শ্রোণী অঞ্চলে প্রভাব ফেলতে পারে।

মেনোপজ

মহিলাদের পেলভিক কলাসমূহ ইস্ট্রোজেন সংবেদি হয়। মেনোপজের সময় ডিম্বাশয়ের কাজ বন্ধ হয়ে গেলে রক্তে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা নাটকীয় ভাবে কমে যায়। এই হর্মোন মাত্রা কমার সঙ্গে সঙ্গে শ্রোণীদেশের পেশি ও কলা ধীরে ধীরে সরু হতে শুরু করে এবং পূর্ববর্তী ভার সহ্য করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। এতে যোনিদেশের স্থানচ্যুতি ঘটে।

সংক্রমণ

মহিলাদের শ্রোণীদেশের গঠন মূত্রথলিতে সংক্রমমের সম্ভাবনা বাড়ায়। মূত্রথলি ও মূত্রথলির মধ্যবর্তী পথটি তুলনামূলক ভাবে ছোট হওয়ায় ব্যাকটিরিয়ার পক্ষে মূত্রথলিতে প্রবেশ করে সহজে সংক্রমণ ঘটানো সম্ভব হয়।

Follow us on Facebook See our videos on YouTube Read More: আলবার্ট আইনস্টাইনের এর যত প্রেম ও পরকীয়া মানুষ সৃষ্টি মাটি থেকে, কোরআন এবং বিজ্ঞান এর প্রমাণ ও ব্যাখ্যা অতীত ভোলার উপায় কী? কষ্ট কমানোর জন্য কি কি করতে হবে? Some brain hacks that a Neuroscientist or a Psychologist knows. Some of the most interesting facts about human behaviour?

কৃতজ্ঞতা- লেখার জন্য -কৌশিক রায়  এবং- ছবির জন্য গুগল।

Woman or Man. What double standards disgust you?

A double standard is the application of different sets of principles for situations that are, in principle, the same. It is often used to describe treatment whereby one group is given more latitude than another. A double-standard arises when two or more people, groups, organizations, circumstances, or events are treated differently even though they should be treated the same way. Margaret Eichler, author of The Double Standard: A Feminist Critique of Feminist Social Science, explains that a double standard "implies that two things which are the same are measured by different standards". 1. If a man and a woman are both too drunk to consent but have sex anyway, the man raped the woman. 2. If women do a typically male job it's admirable, but if men do a typically female job it's funny. 3. It's ok to shame a guy for being short, but not ok to shame a woman for being overweight. 4. If my small-chested friend walks around in a tank top, nobody says a word but when I wear one, it's automatically slutty just cause my breasts are big. 5. Crying men being seen as “weak”.Men think women don’t want to see them cry and feel shame showing emotion. 6. Worse if that's considered a sign of homosexuality as if that's a weakness. At one time, homosexuality was considered to be mentally disordered. Since the 1970s, however, major medical associations in the U.S. have labelled homosexuality as a normal counterpart of heterosexuality. Those medical associations have proposed that their homosexuality-is-normal claim is based on “scientific evidence. 7. "Respect your elders". Meanwhile, grandma's being an ass to everyone. My stance, on the whole, respecting your elder's thing is simple and is pretty much what most in this discussion is saying. Respect is always EARNED. The elderly tend to get it due to their time on this earth giving them a fair deal of wisdom, however, there are many exceptions to this. I’ve seen teenagers wiser than 70-year-olds and 60+ year old be like children. 8. Men can't hit women but it's not a big deal when they hit men. 9. Parent: "stop wasting time on your phone" followed by the parent watching TV from morning till they go to bed. 10. Hot guy flirts with women, it's ok. Ugly guy flirts, it's harassment. I'm not going to sugarcoat things, because that's a waste of everyone's time: if you're attractive, your advances are more likely to be mutual. If you're unattractive, your advances are less likely to be mutual. Especially in a situation where you're chatting up with someone new, who knows little about you other than what you look like. 11. People saying you can’t be racist against white people. Facts are facts. The only way around this is to pretend evolution and biology and psychology don't exist. Yes, all else equal, women like men who are tall and handsome. BUT. What's going to be a lot more important than that, in the long run, is his ability to provide. That he has mature and masculine qualities. That he is a loving, considerate, compassionate individual. 12. When people think being rude on the internet for no reason is ok, but act all outrageous if someone does it to them IRL. Woman and members of ethnic minority groups are disproportionately the targets of social abuse, including death threats and threats of sexual violence. Where these identity markers intersect, the bullying can become particularly intense – as experienced by black female MP Diane Abbott, who alone received nearly half of all the abusive post sent to female MPs during the run-up to the 2017 UK general election. Black and Asian female MPs received on average 35{65d74b771b6ceff07eaefc19ffed56e0ab6ea89ffc0f0b38516c35f1ac414386} more abusive tweets than their white female colleagues even when Abbott was excluded from the total. Follow us on Facebook See our videos on YouTube Read More: Make People Like You IMMEDIATELY with Psychological Tricks. Why genius people so many Intellectually humble? What are the straight facts behind successful people? Is it that true we lose brain cells? What makes it possible?  

কিভাবে কাটাবে রমজানে পিরিয়ডের দিন গুলো- মাহে রমজান

বেশ কিছু দিন পরই আসছে মাহে রমজান। সবাই খুশি থাকলেও মেয়েদের মনের কোথাও না কোথাও একটা ভয় থাকবেই।
ভাবছেন কিসের ভয়.
তাহলে শুনুন.
রমজানের প্রথম দিন থেকেই মেয়েদের ইনবক্সে খোঁজ খবর নেওয়া শুরু হয়ে যায়,যারা কখনো খোঁজ ও নেয়নী তারা ও খোঁজ নিতে উঠে পরে লাগে।
তাদের একটাই প্রশ্ন রোজা আছো?
হয়ত কোন মেয়ে পিরিয়ড নিয়ে বলে "হা"
অথবা অনেকে বলে "না" "পেট ব্যাথা " তাহলে হেঁসে লুটিয়ে পরে।
আচ্ছা, এটা কী মজা করার বিষয়?
এটা নিয়ে হাসি ঠাট্টা করার বিষয়?
তাদের মা, বোন দের কী পিরিয়ড হয় না? তখন ও কি মা বা বোন কে প্রশ্ন করে " মা রোজা রাখসো?"
একটা মেয়ে কতটা কষ্ট করে সেই দিন গুলোতে কেউ জানে? না জানতে চেয়েছে?
অসহ্য রকম পেট ব্যাথা নিয়ে এক গাল হাসি নিয়ে ঘুরে বেড়ায়।
যে পেট ব্যাথা একটি পুরুষের হলে সে হয়ত এরোকম প্রশ্ন করতেই ভয় পেতো।
একবার ভাবুন যে মেয়েটা অল্প কিছুতে ভয় পেয়ে যায় সে মাসে ৩-৭দিন অসহ্য ব্যাথা ব্লিডিং সহ্য করে।
একজন মুসলিম মেয়ের জন্য রমজান কতটা ইম্পরট্যান্ট, কিন্তু পিরিয়ড জন্য রোজা,নামাজ,কোরআন এইসব এবাদত বন্ধ হয়ে যায়।
পরিবারের অন্য সদস্য যারা এবাদত করছে,সেখানে একজন মেয়ে অসহ্য ব্যথা নিয়ে মানুষের কথা শুনতে হচ্ছে!! কেন???
"এটা তো মুসলিম নারীর জন্য অনেক কষ্টদায়ক। "
কখনো আপনার পিরিয়ড হলে ২-৩ দিন তাহলে বুঝতে পারতেন।।
এই পিরিয়ড জন্য আপনি আমি দুনিয়াতে এসেছি, এটা না হলে হয়তো আপনার আমার অস্থিত পৃথিবী থাকত না।
দয়াকরে এবার রমজানে কেউ কোন মেয়েকে এই প্রশ্নটা করবেন না।।
সম্মান করতে শিখুন মেয়েদের
সে তার পুরো যৌবন ত্যাগ করে কোন প্রকার অভিযোগ ছাড়া শুধুমাত্র তার পরিবার স্বামী ও সন্তানের জন্য ।
একবারও কি নিজের বোন, মার কথা ভেবেছি? ভাবিনি!
মেয়েদের সম্মান করতে না
পারেন অন্তত  অসম্মান করবেন না।
কথাগুলো খারাপ লাগছে প্লিজ মাফ করবেন।
সবাইকে মাহে রমজান ও ইদের এর শুভেচ্ছা
ভা্লো লাগলে শেয়ার করবেন এবং ফেসবুকে ফলো করতে ভুলবেন না
আরও পড়ুন:মানুষ সৃষ্টি মাটি থেকে, কোরআন এবং বিজ্ঞান এর প্রমাণ ও ব্যাখ্যা অতীত ভোলার উপায় কী? কষ্ট কমানোর জন্য কি কি করতে হবে?

৭ লাখ ক্যামেরা বাজার থেকে সরিয়ে নিতে হয়েছিলো সনিকে।

১৯৯৮ সালে সনিকে তার একটা বিশেষ মডেলের ৭ লাখ sony camera বাজার থেকে সরিয়ে নিতে হয়েছিলো। ক্যামেরাটির একটা বিশেষ বৈশিষ্ট ছিলো।

সনি তার নতুন ক্যামকোডারের এক্স-রে, নাইট ভিশন, ইনফ্রারেড টেকনোলজি নিয়ে দারুণ মার্কেটিং করেছিলো কারণ এই sony camera টি অন্ধকারেও ছবি তুলতে সক্ষম। ক্রেতাদের জন্য দারুণ এক প্রোডাক্ট, তাই না?

কিন্তু সবকিছু পরিকল্পনামতো গেলো না।

দিনের আলোতে নাইটশট ছবির এমন একটা বৈশিষ্ট্য আবিষ্কৃত হলো যেটা খুব গ্রহণযোগ্য নয়।

দেখা গেলো মানুষজন পোষাক পরিহিত অবস্থায় নারীদের ছবি তুলছে এই মোডে এবং ছবি তোলার পর তাদের প্রায় নগ্ন দেখাচ্ছে।[১]

ABC নিউজের একজন রিপোর্টার জানান যে, অন্ততঃ ১২ টি ওয়েবসাইট পাওয়া যায় যেখানে প্রায় নগ্ন মহিলার ছবি পাওয়া যাচ্ছে অথচ ছবিগুলো তোলার সময় তারা সবাই কাপড় পরে ছিলেন।

এটা ভয়ংকর - আমি মনে করি এটা যে কাউকেই ক্ষুব্ধ করবে। আপনি বাইরে গেলে এটা আশা করবেন না যে মানুষ আপনার কাপড়ের নিচে কি আছে সেটা দেখবে। এটা একটি মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন এবং পৃথিবীর যেকোন দেশের আদালত এরকমটাই রায় দেবে।[২]

পূর্বোল্লিখিত 'এক্স-রে' ভিশন আসে এক ধরণে বিশেষ লেন্সের মাধ্যমে যেটা বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে কাপড় ভেদ করে আংশিকভাবে দেখতে পায় তার ইনফ্রারেড টেকনোলজি দ্বারা (সাধারণতঃ গাঢ় রঙের কাপড়ের ক্ষেত্রে কাপড়টাকে অর্ধস্বচ্ছ দেখায়)।

যে কোন পাতলা ব্লাউজ বা কাপড়ের উপর যদি প্রচুর আলো ফেলা হয় তাহলে তার নিচে কি আছে সেটার একটা অবয়ব দেখা যায়; এই সনি ক্যামকোডার দ্বারাও একই দৃশ্য দেখা যায়।[৩]

পরিস্থিতি সামাল দিতে টেকজায়ান্ট সনি বাজারে বিক্রি হওয়া এই মডেলের সকল পণ্য বাজার থেকে তুলে নেয়ার ঘোষণা দিতে বাধ্য হয়।

দুর্ভাগ্যজনকভাবে, মানুষজন বিভিন্নভাবে এই ক্যামকোডার জোগাড় করার চেষ্টা করেছিলো এবং কোন কোনটি ৭০০ ডলারে পর্যন্ত বিক্রি হয়েছিলো।

Like our Facebook Page and Subscribe our YouTube Channel Read More: এসেক্সুয়ালিটি কি এবং কেন হয় ? এটি কি কোনো রোগ ? বুদ্ধিমান মানুষ হওয়ার সহজ কিছু কৌশল জেনে নেই! নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরানী।দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও একমাত্র মহিলা নওয়াব

Sony 7 million cameras were removed from the market to

Short: In 1998, Sony accidentally released a Night Vision camcorder that had the ability to see through people’s clothes.

The situation was discovered by Greg Hunter who demonstrated the same with the help of two volunteer models. It was in 1998 when the Japanese electronics giant Sony was careless enough to release 700,000 camcorders that had the adroitness to see through people’s clothes.

When Sony get to realise:

As soon as Sony realized what havoc it had caused, the camcorders were immediately recalled. The camcorders having a visual appearance similar to a normal were equipped with a lens that uses IR (Infrared Rays) to allow a person to take pictures in the dark, termed as Night Vision. Dark clothes like swimsuits went transparent in front of those camcorders and it was in no matter of time, nude pictures of ladies were trending on the internet. “At least 12 Web sites feature pictures of women who look almost naked, even though they are wearing clothes or a swimsuit,” writes ABC. The see-through power in Sony’s camcorder was discovered by Greg Hunter, who was the Customer Correspondent at Good Morning America back in 1998. Hunter demonstrated how the camcorder was comfortable enough to peep inside the clothes of two volunteer models. A man who had a tattoo “Sosa” under his shirt and a woman who was wearing nothing under her black patterned skirt. Sony tried to ameliorate the situation by launching new camcorders that lacked see-through powers, but people were eager enough to find new ways to revamp the camcorder and impart see-through powers, which was done by the use of special filters.

Such camcorders went on sale for as high as $700.

However, Sony was bold enough to take no responsibility for those modified camcorders. Questions about the legal offences as a consequence of widespread use of the Sony camcorders were raised, that the judicial system was incompetent to deal with such situations, as no law could be used to charge such offenders. Although, wearing clothes does come under an individual’s privacy.

It’s an outrage — I think it would outrage anyone.

You go out in the street you don’t expect people to look under your clothes.
It’s such a basic expectation that any court in the country would find that this violates that right.
 
— said Martha Davis, the then director of the National Organization for Women’s Legal Defense Fund. She is currently working as a Professor of Law at the Northeastern University, Boston. Write your views in the comments section below. You can also read it.

মিয়া খলিফা লেবাননের পাশে দাঁড়াতে নিলামে তুললেন নিজের চশমা

এবার নিজেই নিলামে তুললেন নিজের বিখ্যাত চশমা ,কিন্তু কেন?

এক সময় পেশাদার পর্নস্টার হওয়ার জন্য মিয়া খলিফা খুনের হুমকি দিয়েছিল কট্টরপন্থীরা। নিজের দেশ লেবাননেও প্রবেশাধিকার হারান। কিন্তু দেশের সংকটে তিনি চুপ করে থাকলেন না। ভয়াবহ বিস্ফোরণে বিধ্বস্ত লেবাননের জন্য অর্থসংগ্রহ করতে নিজের বিখ্যাত চশমা নিলামে তুললেন প্রাক্তন পর্নস্টার মিয়া খালিফা। আর সংগৃহীত অর্থ তিনি ত্রাণে তুলে দিতে চান।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় মিয়া খলিফা জানিয়েছেন, তাঁর বিখ্যাত চশমা তিনি নিলামে তুলছেন। সেটি বিক্রি করে যে অর্থ তিনি পাবেন, তা বিস্ফোরণ বিধ্বস্ত দেশের রেড ক্রসের ত্রাণ তহবিলে তুলে দিতে চান। তিনি ইনস্টাগ্রামে লিখেছেন, ‘আমি শুধু সৃজনশীল হওয়ার চেষ্টা করছি। অনেকে অনেকভাবে ত্রাণ সংগ্রহ করতে পারেন। তবে চাই না এই বিপর্যয়ের সময় আলোচনাটা অন্যদিকে ঘুরে যাক।’

মিয়া চশমাটি ই-বেয়'তে নিলামে তুলেছেন। সেটির মূল্য আপাতত এক লাখ ডলার ওঠেছে। নিলাম চালু থাকবে শনিবার বিকাল পর্যন্ত। এই নিলাম থেকে যা অর্থ উঠবে তা পুরোটাই লেবাননের রেড ক্রসের হাতে তুলে দেবেন মিয়া।

মিয়া খলিফা:

 (আরবি: ميا خليفة‎‎, জন্ম: ফেব্রুয়ারি ১০, ১৯৯৩), এছাড়াও মিয়া ক্যালিস্টা নামেও পরিচিত, একজন লেবানিয়-মার্কিন সামাজিক মাধ্যম ব্যক্তিত্ব, ওয়েবক্যাম মডেল এবং প্রাপ্তবয়স্ক মডেল, যিনি ২০১৪ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত পর্নোগ্রাফিক অভিনেত্রী হিসেবে সংক্ষিপ্ত কর্মজীবনের জন্য পরিচিত। বৈরুতে জন্ম নিয়ে খলিফা ২০০০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরিত হন। অক্টোবর ২০১৪ সালে তিনি পর্নোগ্রাফি চলচ্চিত্রে অভিনয় শুরু করেন এবং ডিসেম্বরে পর্নহাব ওয়েবসাইট তালিকায় শীর্ষ স্থানে অবস্থান নেন। তার পেশা  নির্বাচন মধ্যপ্রাচ্যে বিতর্কের বিষয় হয়েছিল, বিশেষ করে একটি ভিডিও, যেখানে তিনি ইসলামিক হিজাব পরিহিত অবস্থায় যৌনকর্ম সঞ্চালন করেছিলেন। যদিও প্রায় তিন মাস পরই তিনি পর্ন শিল্প থেকে অবসর নিয়েছিলেন। বর্তমানে তিনি ক্রীড়া ভাষ্যকার হিসেবে কাজ করছেন।

প্রাথমিক জীবন

খলিফা ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৩ সালে লেবাননের বৈরুতে জন্ম নেন। পরবর্তীতে দশ বছর বয়সে, দক্ষিণ লেবাননের দ্বন্দ্বের জোরে জানুয়ারি ২০০১ সালে পরিবারের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরিত হন। তার পরিবার ছিল ক্যাথলিক এবং তিনি সেই ধর্মের অধীনে "অত্যন্ত রক্ষণশীল" পরিবারে বেড়ে উঠলেও পরবর্তীতে তার অনুশীলন করেন নি। তিনি বৈরেুতের একটি ফরাসি বেসরকারি বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেন, যেখানে তিনি ইংরেজি শিখেছিলেন। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রে চলে আসার পর তিনি মন্টগোমেরি কাউন্টি, মেরিল্যান্ডে বসবাস করেন এবং সেখানকার উচ্চ বিদ্যালয়ে ল্যাক্রোসি বাজাতেন। খলিফা "সেখানকার সবচেয়ে কৃষ্ণাঙ্গ এবং অদ্ভুত মেয়ে" হিসেবে উচ্চ বিদ্যালয়ে উত্যক্তির শিকার হওয়ার কথা বলেছেন, যা ১১ সেপ্টেম্বরের হামলার পরে তীব্রতর হয়ে উঠেছিল।

২০১৫ সালে তিন মাসের মধ্যে ১১টি পর্নোগ্রাফিতে দেখা গিয়েছিল মিয়া খলিফাকে। যার মধ্যে হিজাব পরে একটি নীল ছবি ঝড় তুলেছিল গোটা বিশ্বে। ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর মিয়াকে প্রাণনাশের হুমকি দেয় কট্টরপন্থীরা। পরে মিয়া জানিয়েছিলেন, পর্ন ইন্ডাস্ট্রিটে পা রেখে তিনি অনুতপ্ত ছিলেন।

পর্নোগ্রাফি পেশা

কলেজে অধ্যয়নের সময় খলিফা বারটেন্ডার হিসাবে কাজ করতেন এবং কিছু মডেলিংয়ের কাজও করেছিলেন। তিনি ডিল অ্যান্ড নো ডিল-এর মতোন স্থানীয় স্পেনিয় ভাষার টেলিভিশন গেম শোতে "ব্রিফকেস গার্ল" হিসাবে অভিনয় করেছিলেন। স্নাতক শেষ করার পরে, তিনি মিয়ামিতে চলে আসেন এবং নগ্ন মডেলিংয়ে কাজ করার জন্য তটস্থ ছিলেন। ২০১৪ সালের অক্টোবরে, খলিফা পর্ণোগ্রাফি চলচ্চিত্র শিল্পে প্রবেশ করেন। মিয়ামিতে হেটে বেড়ানোর সময় তাকে জিজ্ঞেস করা হয় যে, তিনি পর্নোচলচ্চিত্রে কাজ করতে আগ্রহী কি না। হিজাব পরিহিত অববস্থায় থ্রিসামকালীন একটি ব্যাংব্রোস দৃশ্যে অভিনয়ের কারণে তিনি ব্যাপকভাবে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন। এই দৃশ্যটি খলিফাকে তাৎক্ষণিক জনপ্রিয়তার পাশাপাশি লেখক এবং ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের সমালোচনার মুখোমুখি এনেছিল।  দৃশ্যটির প্রযোজক বলেছিলেন, "আমরা [খলিফার জাতিগোষ্ঠীত্ত্ব] সুযোগের সদব্যবহার করার চেষ্টা করছিলাম না। আমরা এটি অভিষঙ্গ করতে চেয়েছিলাম। যদিও এর নেতিবাচকতা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি।" এক্সহ্যামস্টারের বিপণনের উপ-সভাপতি অ্যালেক্স হকিন্স বলেছিলেন, "আরব বিশ্বে যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল তা কিছুটা 'স্ট্রাইস্যান্ড এফেক্ট' হয়ে দাঁড়িয়েছিল। হঠাৎ, সবাই খলিফার সার্চ করছিল। তাকে সেন্সরের প্রচেষ্টা তাকে আরো সর্বব্যাপী করে তুলেছিল।"২০১৫ সালের হিসেবে, ১.৫ মিলিয়নেরও অধিক দর্শকসংখ্যার পাশাপাশি, ২২ বছর বয়সী খলিফা প্রাপ্তবয়স্ক ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট পর্নহাবের সর্বাধিক অনুসন্ধানকৃত মডেল হিসেবে উন্নীত হন। সে বছর ২৮ ডিসেম্বরে পর্নহাব তাদের ওয়েবসাইটে নাম্বার ১ স্থানে খলিফার নাম প্রকাশ করে বহুদর্শী লিসা অ্যানের পরিবর্তে।
সম্ভবত 'হিজাব পর্ন তারকা' হিসেবে খ্যাত মিয়া খলিফা, ২০১৪ সালের দিকে প্রচলিত মুসলিম পোশাকে ক্যামেরায় উপস্থিতির কারণে শিরোনাম হয়েছিলেন। ব্যাং ব্রোস চলচ্চিত্র স্টুডিও প্রথমে তার দেশ লেবাননে এই অবমাননার অবতাড়না ছড়িয়েছিল, যেখানকার বিদ্বেষীরা দাবী করেছিল যে তিনি (খলিফা) জাতির জন্য অকল্যাণ এনেছেন এবং ইসলামের অবমাননা করেছেন। লোডেডের সাথে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিয়া খলিফা বলেছিলেন, তিনি অনুভব করেছিলেন যে তাকে তার জন্মভূমিতে ইন্টারনেট সেন্সরশিপের বলির পাঁঠা বানানো হচ্ছে, এবং মার্কিন পর্ন তারকাদের প্রতি সমর্থন জানিয়ে সেখানকার আরও অনেকে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছিলেন। তারা দাবি করে যে 'তিনি অন্যদের তুলনায় অধিক শালীন।
তার এ খ্যাতি মধ্যপ্রাচ্যের রক্ষণশীল জনমনে কঠোর সমালোচনার অবতারণা করে, যেখানে তার পেশাজীবন লজ্জাকর ও কলঙ্কময় বলে মনে করা হয় এবং যে কারণে নিজ দেশেও খলিফার সম্মানহানি ঘটে।পর্নহাবে শীর্ষস্থান অধিকারের পরপর তিনি অনলাইন মৃত্যুর হুমকি পান, যার মধ্যে ইসলামিক স্টেট অব ইরাক অ্যান্ড দ্য লেভান্টের একটি হস্তনির্মিত ছবিতে তাকে শিরচ্ছেদের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে এমন দেখানো হয়। একটি সতর্কবার্তায় তাকে নরকে যেতে হবে বলেও দাবী জানাো হয়, যার জবাবে তিনি বলেন, "আমি সম্প্রতি একটু চিন্তিত"।লেবানিয় সংবাদপত্র খলিফার সমালোচনামূলক নিবন্ধও ছাপা হয়, যা তিনি সে দেশের অন্যান্য ঘটনাগুলির তুলনায় তুচ্ছ বলে মনে করেন। দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক সাক্ষাৎকারে, মিয়া খলিফা বলেন বিতর্কিত দৃশ্যটি ছিল বিদ্রুপাত্মক এবং এটি সেভাবেই গ্রহণ করা উচিত, এবং হলিউড চলচ্চিত্র যে কোনো পর্নোগ্রাফির তুলনায় অনেক বেশি নেতিবাচক ভাবে ইসলামকে চিত্রিত করা হয়ে থাকে বলে দাবি করেন। যারা সর্বজনীনভাবে খলিফার প্রাপ্তবয়স্ক পরিবেশনকারী হয়ে উঠার সিদ্ধান্তে সমর্থন জানাতে মুখ খোলেন তাদের মধ্যে ছিলেন ব্রিটিশ-লেবানিয় লেখক নাসরি আতাল্লাহ, যিনি বিবৃতি দেন, "এই নৈতিক আবেগ... দুটি কারণের জন্য ভুল। প্রথম এবং সর্বাগ্রে, একজন নারী হিসেবে, তিনি তার শরীরের সঙ্গে যে কোনো কিছু করার অধিকার রাখেন। একজন সংবেদনশীল মানুষ হিসাবে, যিনি বিশ্ব জুড়ে অর্ধেক বাস করে, তিনি তার নিজের জীবনের দায়িত্বে রয়েছেন এবং যে দেশে তিনি জন্মগ্রহণ করেছেন সেখান থেকে একেবারে কিছুই পান নি তিনি" নিজের বিতর্ক সম্পর্ক মিয়া খলিফা মন্তব্য করেছিলেন: "লেবাননে নারীদের অধিকারকে গুরুত্বের সাথে নেওয়া অনেক দূরের ব্যপার যেখানে একজন লেবানিয়-মার্কিন পর্ন তারকা বাস করতে পারে না। একসময় আমি মধ্যপ্রাচ্যের সর্বাধিক পশ্চিমা দেশ হিসাবে কীভাবে মানুষকে গর্বিত করেছিলাম তা এখন ধ্বংসাত্মকভাবে সেকেলে ও নিপীড়িত হিসাবে দেখি।" তাছাড়াও তিনি বলেন, তার পেশা নির্বাচনের কারণে তার বাবা তার সাথে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন। পর্ণহাব থেকে প্রাপ্ত উপাত্ত অনুযায়ী, ২০১৫ সালের ৩-৪ জানুয়ারি, মিয়া খলিফার অনুসন্ধানকারীর সংখ্যা পাঁচ দফা উন্নীত হয়। যার এক চতুর্থাংশ অনুসন্ধানকারী ছিলেন লেবানন থেকে, মূল অনুসন্ধানকারী ছিল মধ্যপ্রাচ্যের সিরিয়া এবং জর্দানের কাছাকাছি অঞ্চল থেকে।  হিজাব সম্পর্কিত বিতর্কের কারণে, জুলাই ২০১৬ সালে, তিনি ব্রিটিশ পুরুষ ম্যগাজিন লোডেড কর্তৃক তাদের "দা ওয়ার্ল্ড'স টেন মোস্ট নটোরিয়াস পর্ন স্টার্স" তালিকায় পঞ্চম স্থানে অবস্থান নেন। আলমাজা, নামে লেবানিয় ব্রিউয়ারি, খালিফার স্বাক্ষরযুক্ত গ্লাসের পাশে তাদের বিয়ারের বোতল দেখিয়ে একটি বিজ্ঞাপন চালিয়েছিল, এই স্লোগান সহ: "আমাদের উভয়কেই ১৮+ রেট দেওয়া হয়েছে।" ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে পপ ব্যান্ড টাইমফ্লাইস তাকে শ্রদ্ধা জানাতে "মিয়া খলিফা" শিরোনামের একটি গান প্রকাশ করে। ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে, খলিফা প্রতি মাসে একাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য ব্যাং ব্র্রসের মূল কোম্পানির সাথে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি স্বাক্ষর করেছেন। যদিও, দুই সপ্তাহ পরে, তিনি মত পরিবর্তন করে এই চুক্তি ত্যাগ করেন। বিশ্বব্যাপী তার প্রতি নেতিবাচক মনোভাব তাকে এই শিল্প ত্যাগ করতে প্ররোচিত করেছিল: ""এটি আমার জন্য দৃষ্টি-উন্মোচন ছিল। আমি এর কোনটিই চাই না, এটি ইতিবাচক বা নেতিবাচক হোক— যদিও এগুলির সবই নেতিবাচক ছিল। আমার বন্ধুবান্ধব ও পরিবার এবং সম্পর্ক কীভাবে ভুগছে সে সম্পর্কে আমি এ নিয়ে খুব বেশি ভাবিনি।" ২০১৬ সালের জুলাইয়ে, দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের এক সাক্ষাৎকারে, মিয়া খলিফা জানায় যে তিনি কেবল তিন মাসের জন্য পর্নোগ্রাফিতে অভিনয় করেছিলেন এবং এক বছরের আগেই "স্বাভাবিক কাজে" যুক্ত হতে পর্নশিল্প ছেড়ে দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, "এটা আমার বিদ্রোহী পর্যায় ছিল বলে মনে করি। এটা সত্যিই আমার জন্য ছিল না। আমি ধীরে-ধীরে নিজেকে এর থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে চেষ্টা করি।" ২০১৬ সালের মে মাসের হিসাবে, খলিফা একজন ওয়েবক্যাম মডেল হিসেবে কাজ করছেন। ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে, এক্সহ্যামস্টার প্রতিবেদন করেছে যে মিয়া খলিফা ২০১৬ সালের সর্বাধিক অনুসন্ধানকৃত প্রাপ্তবয়স্ক অভিনেত্রী ছিলেন। ২০১৮ সালে, পর্ন শিল্প ছাড়ার তিন বছর পরেও তিনি পর্নহাবের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন। ২০১৯ সালের আগস্টে, তিনি প্রকাশ করেছিলেন যে তিনি কেবল পর্ন শিল্পে কাজ করে US$১২,০০০ ডলার উপার্জন করেছিলেন, এবং পর্নহাব বা অন্য কোনও সাইট থেকে তিনি কখনই বাড়তি আয় গ্রহণ করেন নি।

পর্নোগ্রাফি-পরবর্তী কর্মজীবন

পর্নোগ্রাফি কর্মজীবন থেকে অব্যহতী নেবার পর, মিয়া খলিফা মিয়ামিতে প্যারালিগাল এবং বুককিপার হিসাবে কাজ করেন। একজন সামাজিক মাধ্যম ব্যক্তিত্ব হিসাবে তিনি নিজেকে প্রকাশ করেন, পাশাপাশি ওয়েবক্যাম মডেল এবং ক্রীড়া ভাষ্যকার হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি একটি ইউটিউব চ্যানেল পরিচালনা করেন; টুইচ লাইভ স্ট্রিমস এবং ওয়েবক্যাম মডেল হিসাবে পরিবেশন করেন। সদস্যতা ওয়েবসাইট প্যাট্রিয়নে আলোকচিত্র শুট, পণ্যদ্রব্য এবং একচেটিয়া সামগ্রীতে প্রবেশাধিকার বিক্রি করেন; এবং সামাজিক মাধ্যম ওয়েবসাইট ফাইন্ড্রোতে সুব্যক্ত আলোকচিত্র শুট এবং ভিডিও বিক্রয়ে নিয়োজিত হন। তিনি এবং গিলবার্ট অ্যারেনাস কমপ্লেক্স নিউজের ইউটিউব চ্যানেলের ২০১৭ সালের অক্টোবর থেকে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দৈনিক ক্রীড়া অনুষ্ঠান আউট অব বাউন্ডস সঞ্চালনের দ্বায়িত্বে ছিলেন। টাইলার কো-এর পাশাপাশি খলিফাকে স্পোর্টসবল-এর সহ-আয়োজক হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছিল, যেটির দ্বিতীয় মরসুমের ২০১৮ সালের ১৬ জুলাই এককভাবে রোস্টারটিথে প্রচারিত হয়েছিল। এর চূড়ান্ত পর্বটি ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর প্রকাশিত হয়েছিল। ২০১২ সালের বিবিসির হার্ডটালকের এক সাক্ষাৎকারে খলিফা পর্ন শিল্প এবং এর গোপনীয়তার ক্ষতির বিরুদ্ধে বক্তব্য রেখেছিলেন Follow Us On Facebook See Our Video On YouTube

সূত্রঃ গ্লোবাল নিউজ।